ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের খোঁজ নিলেন রুমন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার

চ‍্যানেল আই-এর বগুড়া প্রতিনিধি মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এসময় রউফ জালালের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মরহুমের রউফ জালালের বাড়িতে গিয়ে মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন আতিকুর রহমান রুমন।

উল্লেখ্য, বগুড়া থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিক আজ ও আগামীকাল পত্রিকায় মরহুম রউফ জালালের সঙ্গে এক সময় কাজ করতেন আতিকুর রহমান রুমন। তাই বগুড়ায় এসেই প্রথমে মরহুম সাংবাদিক জালালের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘মরহুম রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। আমরা একসঙ্গে অনেকদিন সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। তার স্মৃতিগুলো আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। তাই যখনই আমি বগুড়া আসি, রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করি। তার এই মৃত্যু আমাকে অত্যন্ত বেদনা দিয়েছে।’

এর আগে, বুধবার (১১ মার্চ) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিক রউফ জালাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে বাড়িতে এনে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল।

রউফ জালাল ২০০২ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাদ জোহর শহরের সেউজগাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আনজুমান-ই-কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের খোঁজ নিলেন রুমন

আপডেট টাইম : ০৭:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

চ‍্যানেল আই-এর বগুড়া প্রতিনিধি মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এসময় রউফ জালালের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মরহুমের রউফ জালালের বাড়িতে গিয়ে মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন আতিকুর রহমান রুমন।

উল্লেখ্য, বগুড়া থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিক আজ ও আগামীকাল পত্রিকায় মরহুম রউফ জালালের সঙ্গে এক সময় কাজ করতেন আতিকুর রহমান রুমন। তাই বগুড়ায় এসেই প্রথমে মরহুম সাংবাদিক জালালের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘মরহুম রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। আমরা একসঙ্গে অনেকদিন সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। তার স্মৃতিগুলো আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। তাই যখনই আমি বগুড়া আসি, রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করি। তার এই মৃত্যু আমাকে অত্যন্ত বেদনা দিয়েছে।’

এর আগে, বুধবার (১১ মার্চ) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিক রউফ জালাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে বাড়িতে এনে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল।

রউফ জালাল ২০০২ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাদ জোহর শহরের সেউজগাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আনজুমান-ই-কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।