বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. এম ওসমান ফারুক-এর মেধা, দক্ষতা ও সততার যথাযথ মূল্যায়নের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, কূটনৈতিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. ফারুক দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে নানা সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ড. ফারুকের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন-এর বাংলাদেশ সফরের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া-এর সঙ্গে বৈঠকের ক্ষেত্রে তার কূটনৈতিক ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলে জানা যায়।
এছাড়া পারিবারিকভাবেও তিনি একটি সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যের ধারক। তার পিতা ড. ওসমান গণি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাবেক উপাচার্য এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
রাজনৈতিক অঙ্গনের পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতার কারণে ড. ওসমান ফারুক দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ড. এম ওসমান ফারুকের মতো অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত নেতার মেধা ও দক্ষতাকে রাষ্ট্র ও রাজনীতির স্বার্থে যথাযথভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন। তারা মনে করেন, তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
Reporter Name 





















