ঢাকার মঞ্চ থেকে ইউরোপ-আমেরিকার আন্তর্জাতিক পরিসরে ছন্দ ছড়ানোর প্রত্যয়ে এক তরুণ রিদমার
বাংলাদেশের সমসাময়িক সংগীত জগতে যন্ত্রশিল্পী হিসেবে যাঁরা নীরবে কিন্তু দৃঢ়তায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন, বিলাস চন্দ্র বনিক তাঁদের অন্যতম। অক্টোপ্যাডসহ বিভিন্ন আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী যন্ত্রে দক্ষ এই তরুণ শিল্পী বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত যন্ত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশ মিউজিশিয়ানস ফাউন্ডেশন (বিএমএফ)-এর সক্রিয় সদস্য।
বাংলাদেশের ফোক-ফিউশন ঘরানাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। দেশীয় লোকসুরের সঙ্গে আধুনিক রিদম ও প্রযুক্তির সংমিশ্রণে ভিন্ন এক সংগীত ভাষা নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
বিলাস চন্দ্র বনিকের সংগীতযাত্রার সূচনা কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (বাফা) থেকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অক্টোপ্যাডে তাঁর দক্ষতা আরও শানিত হয় দেশের খ্যাতিমান রিদম প্রোগ্রামার বিদ্যুৎ রায়ের নিবিড় তত্ত্বাবধানে।
ঢাকার বিভিন্ন মিলনায়তন, অভিজাত হোটেল ও ক্লাবের মঞ্চে তাঁর পারফরম্যান্স ইতোমধ্যেই দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। বরেণ্য ও সমসাময়িক বহু খ্যাতনামা শিল্পীর সঙ্গে একই মঞ্চে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—আবদুল জব্বার, খুরশীদ আলম, রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, টুনটুন ফকির, শফি মণ্ডল, ফকির সাহাবুদ্দিন, দিলরুবা খান, রবী চৌধুরী, আরিফুল ইসলাম মিটু, সেলিম চৌধুরী, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস, চম্পা বনিক, অপু আমান, সাব্বির জামান, শুভ দাস, নোলক বাবু, টুটুল খান, অনন্যা আচার্য্য ও সাগর বাউল প্রমুখ।
পারিবারিকভাবে সংগীতের আবহে বেড়ে ওঠা এবং নিয়মিত, নিবেদিত অনুশীলনই তাঁর এগিয়ে চলার প্রধান শক্তি। বিলাস চন্দ্র বনিক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন—একাগ্রতা, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ফোক-ফিউশন সংগীত দেশীয় মঞ্চের গণ্ডি পেরিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
তারুণ্যের এই ছন্দযোদ্ধার স্বপ্ন এখন শুধু ব্যক্তিগত নয়—বাংলাদেশি সংগীতকে বিশ্ব দরবারে নতুনভাবে উপস্থাপনের এক প্রত্যয়ী
Reporter Name 
























