ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১ বার

রমজান মাসজুড়ে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম আট টাকা দরে পাওয়া যাবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে সভায় জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সারাদেশে ৪৮টি স্থানে এ কার্যক্রম চলবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রোজাদারদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকার প্রতি বছরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়েছে। তারা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি স্থানে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

যে প্রক্রিয়ায় ফেরানো যাবে টিউলিপকে, কঠিন পরীক্ষায় ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার

আপডেট টাইম : ১১:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজান মাসজুড়ে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম আট টাকা দরে পাওয়া যাবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে সভায় জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সারাদেশে ৪৮টি স্থানে এ কার্যক্রম চলবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রোজাদারদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকার প্রতি বছরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়েছে। তারা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি স্থানে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবে।