ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯ বার

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি এবং আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক গেজেটে এ অধ্যাদশ জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে  ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। যা পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রদানে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। তখন জানা যায়, অধ্যাদেশ পরবর্তী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়ে আইনে পরিণত হবে।

ওই সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের

এসব তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

আপডেট টাইম : ১০:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি এবং আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক গেজেটে এ অধ্যাদশ জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে  ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। যা পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রদানে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। তখন জানা যায়, অধ্যাদেশ পরবর্তী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়ে আইনে পরিণত হবে।

ওই সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের

এসব তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।