ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনাকে হারিয়ে শেষ চারে চট্টগ্রাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩৮১ বার

অধিনায়ক তামিম ইকবালের উত্তাল ব্যাটে ভর করে ম্যাচের ৮ বল বাকি থাকতেই খুলনা টাইটান্সকে উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম ভাইকিংস।৫৯ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার। পাঁচ উইকেটের দারুণ এই জয় দিয়ে খুলনাকে ছাড়িয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চট্টগ্রাম। সেইসঙ্গে দলটির সেমিফাইনালে খেলাও নিশ্চিত হয়েছে।

মঙ্গলবার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় খেলায়টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে তামিম-গেইলদের চিটাগং ভাইকিংসকে ১৩২ রানের টার্গেট দেয় খুলনা। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে প্রায় একাই লড়াই করেছেন খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ৩৮ রানেই চার উইকেটের পতনের পর পঞ্চম উইকেটে আরিফুল হককে সঙ্গে নিয়ে গড়েছিলেন ৪৪ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহর ৪৪ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংসটিই বড় অবদান রেখেছে স্কোরবোর্ডে ১৩১ রান জমা হওয়ার পেছনে। ১৮ রানের ছোট দুটি ইনিংস এসেছে আরিফুল হক ও নিকোলাস পোরানের ব্যাট থেকে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্বক ক্রিকেট শুরু করেন চিটাগংয়ের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ক্রিস গেইল। তবে জুটিতে ৩৯ রান আসতেই হোঁচট খায় চিটাগং। শুভাগত হোমের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে জুনায়েদ খানের হাতে ধরা পড়েন গেইল। আউট হওয়ার আগে ১১ বলে ৩ চার এবং ১ ছক্কায় করেন ১৯ রান। এরপর দূর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হয়ে ফিরে যান এনামুল হক বিজয় (৩)।

নতুন ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিককে নিয়ে ইনিংস গড়ার কাজ শুরু করেন অধিনায়ক তামিম। কিন্তু এতেও বিপত্তি! আবারও রানআউটের দূর্ভাগ্য এসে ভর করে চিটাগং দুর্গে। ফিরে যান শোয়েব মালিক (১)। এরপর মোশাররফ হোসেনের ঘূর্ণিতে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান জাকির হাসান (৩)। জাকিরের বিদায়ের পর জহুরুল ইসলামকে নিয়ে ৩৭ রানের কার্যকরী একটি জুটি গড়েন তামিম। ৪৯ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। জুটি জমে উঠতেই কুপারের বলে মাহমুদ উল্লাহর দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নেন জহুরুল। তিনি ১৮ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ২২ রান করেন। তামিমের নতুন সঙ্গী হন আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি। দুজনে মিলেই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৫৯ বলে ৮ চার এবং ১ ছক্কায় ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম। মোহাম্মদ নবি ১৪ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

খুলনা টাইটানস: ২০ ওভারে ১৩১/৮ (ওয়েসেলস ২০, তাইবুর ১, কাপালী ৩, শুভাগত ২, মাহমুদউল্লাহ ৪২, আরিফুল ১৮, পুরান ১৮, কুপার ১৫, মোশাররফ ১*, জুনায়েদ ০*; নবি ১/২৬, শুভাশীষ ১/৩২, সাকলাইন ১/২৩, ইমরান ২/১৬, তাসকিন ২/২৮)

চিটাগং ভাইকিংস: ১৮.৪ ওভারে ১৩৫/৫ (তামিম ৬৬*, গেইল ১৯, এনামুল ৩, মালিক ১, জাকির ৩, জহুরুল ২২, নবি ১৭*; মাহমুদউল্লাহ ০/২৪, জুনায়েদ ০/৩১, শুভাগত ১/৭, শফিউল ০/২৯, কুপার ১/১৮, মোশাররফ ১/২৫)

ফল: চিটাগং ভাইকিংস ৫ উইকেটে জয়ী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনাকে হারিয়ে শেষ চারে চট্টগ্রাম

আপডেট টাইম : ১২:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৬

অধিনায়ক তামিম ইকবালের উত্তাল ব্যাটে ভর করে ম্যাচের ৮ বল বাকি থাকতেই খুলনা টাইটান্সকে উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম ভাইকিংস।৫৯ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার। পাঁচ উইকেটের দারুণ এই জয় দিয়ে খুলনাকে ছাড়িয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চট্টগ্রাম। সেইসঙ্গে দলটির সেমিফাইনালে খেলাও নিশ্চিত হয়েছে।

মঙ্গলবার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় খেলায়টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে তামিম-গেইলদের চিটাগং ভাইকিংসকে ১৩২ রানের টার্গেট দেয় খুলনা। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে প্রায় একাই লড়াই করেছেন খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ৩৮ রানেই চার উইকেটের পতনের পর পঞ্চম উইকেটে আরিফুল হককে সঙ্গে নিয়ে গড়েছিলেন ৪৪ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহর ৪৪ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংসটিই বড় অবদান রেখেছে স্কোরবোর্ডে ১৩১ রান জমা হওয়ার পেছনে। ১৮ রানের ছোট দুটি ইনিংস এসেছে আরিফুল হক ও নিকোলাস পোরানের ব্যাট থেকে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্বক ক্রিকেট শুরু করেন চিটাগংয়ের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ক্রিস গেইল। তবে জুটিতে ৩৯ রান আসতেই হোঁচট খায় চিটাগং। শুভাগত হোমের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে জুনায়েদ খানের হাতে ধরা পড়েন গেইল। আউট হওয়ার আগে ১১ বলে ৩ চার এবং ১ ছক্কায় করেন ১৯ রান। এরপর দূর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হয়ে ফিরে যান এনামুল হক বিজয় (৩)।

নতুন ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিককে নিয়ে ইনিংস গড়ার কাজ শুরু করেন অধিনায়ক তামিম। কিন্তু এতেও বিপত্তি! আবারও রানআউটের দূর্ভাগ্য এসে ভর করে চিটাগং দুর্গে। ফিরে যান শোয়েব মালিক (১)। এরপর মোশাররফ হোসেনের ঘূর্ণিতে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান জাকির হাসান (৩)। জাকিরের বিদায়ের পর জহুরুল ইসলামকে নিয়ে ৩৭ রানের কার্যকরী একটি জুটি গড়েন তামিম। ৪৯ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। জুটি জমে উঠতেই কুপারের বলে মাহমুদ উল্লাহর দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নেন জহুরুল। তিনি ১৮ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ২২ রান করেন। তামিমের নতুন সঙ্গী হন আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি। দুজনে মিলেই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৫৯ বলে ৮ চার এবং ১ ছক্কায় ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম। মোহাম্মদ নবি ১৪ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

খুলনা টাইটানস: ২০ ওভারে ১৩১/৮ (ওয়েসেলস ২০, তাইবুর ১, কাপালী ৩, শুভাগত ২, মাহমুদউল্লাহ ৪২, আরিফুল ১৮, পুরান ১৮, কুপার ১৫, মোশাররফ ১*, জুনায়েদ ০*; নবি ১/২৬, শুভাশীষ ১/৩২, সাকলাইন ১/২৩, ইমরান ২/১৬, তাসকিন ২/২৮)

চিটাগং ভাইকিংস: ১৮.৪ ওভারে ১৩৫/৫ (তামিম ৬৬*, গেইল ১৯, এনামুল ৩, মালিক ১, জাকির ৩, জহুরুল ২২, নবি ১৭*; মাহমুদউল্লাহ ০/২৪, জুনায়েদ ০/৩১, শুভাগত ১/৭, শফিউল ০/২৯, কুপার ১/১৮, মোশাররফ ১/২৫)

ফল: চিটাগং ভাইকিংস ৫ উইকেটে জয়ী।