ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে বন্ধ হচ্ছে গুগলের ‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ ফিচার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৫ বার

‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ ফিচার বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এটি আর ব্যবহার করা যাবে না। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফিচারটি বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রায় দেড় বছর আগে চালু হয়েছিলো ‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ সুবিধা। এই ফিচারের লক্ষ্য ছিল ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়েছে কি না, তা নজরদারিতে রাখা। ইমেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, নাম কিংবা সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর— এসব তথ্য কোনো ডেটা লিক বা হ্যাকের ঘটনায় পাওয়া গেলে ব্যবহারকারীকে জানানো হতো।

অনেক ব্যবহারকারীর কাছে ফিচারটি শুরুতে উপকারী মনে হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অসন্তোষ বাড়ে। গুগলের সাপোর্ট পেজে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়ায় দেখা গেছে, এই টুলটি ঝুঁকি শনাক্ত করলেও করণীয় বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা দিতো না।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও একই অভিযোগ উঠে আসে। বিশেষ করে রেডিটে অনেক ব্যবহারকারী জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর আসলে কী করতে হবে, তা বোঝা যেত না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুধু পাসওয়ার্ড বদলানো ছাড়া আর কোনো স্পষ্ট সমাধান পাওয়া যেত না।

গুগল বলছে, এই কারণেই ফিচারটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা এখন এমন নিরাপত্তা টুলে গুরুত্ব দিতে চায়, যেগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের নির্দেশনা দেয়।

এক বিবৃতিতে গুগল জানায়, অনলাইন ঝুঁকি থেকে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় তাদের কাজ চলবে। ডার্ক ওয়েবসহ বিভিন্ন অনলাইন হুমকি নজরদারিতে থাকবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় নতুন ও উন্নত টুল তৈরি করা হবে।

ডার্ক ওয়েব রিপোর্টের পরিবর্তে গুগল অন্য নিরাপত্তা সুবিধা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘সিকিউরিটি চেকআপ’। এটি গুগল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা অবস্থা যাচাই করে। আর ‘পাসওয়ার্ড ম্যানেজার’ শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করতে সাহায্য করে। ‘পাসওয়ার্ড চেকআপ’ ফিচারটি সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড ফাঁস হলে সতর্কবার্তা দেয়।

গুগল জানিয়েছে, ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট ব্যবহারকারীদের ইমেইলের মাধ্যমে আগেই জানানো হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট নাইনটু ফাইভ গুগল প্রথম এ তথ্য প্রকাশ করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডার্ক ওয়েব স্ক্যানিং কার্যক্রম ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে। এক মাস পর, ১৬ ফেব্রুয়ারি ফিচারটি পুরোপুরি বাতিল করা হবে। তখন গুগলের সার্ভার থেকে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য মুছে ফেলা হবে।

যারা আগেই নিজেদের তথ্য মুছে ফেলতে চান, তাদের জন্যও সুযোগ রাখা হয়েছে। ‘রেজাল্টস উইথ ইয়োর ইনফো’ অপশনে গিয়ে ‘এডিট মনিটরিং প্রোফাইল’ নির্বাচন করতে হবে। সেখান থেকে ‘ডিলিট মনিটরিং প্রোফাইল’ অপশনে গিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে বন্ধ হচ্ছে গুগলের ‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ ফিচার

আপডেট টাইম : ১২:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ ফিচার বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এটি আর ব্যবহার করা যাবে না। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফিচারটি বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রায় দেড় বছর আগে চালু হয়েছিলো ‘ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট’ সুবিধা। এই ফিচারের লক্ষ্য ছিল ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়েছে কি না, তা নজরদারিতে রাখা। ইমেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, নাম কিংবা সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর— এসব তথ্য কোনো ডেটা লিক বা হ্যাকের ঘটনায় পাওয়া গেলে ব্যবহারকারীকে জানানো হতো।

অনেক ব্যবহারকারীর কাছে ফিচারটি শুরুতে উপকারী মনে হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অসন্তোষ বাড়ে। গুগলের সাপোর্ট পেজে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়ায় দেখা গেছে, এই টুলটি ঝুঁকি শনাক্ত করলেও করণীয় বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা দিতো না।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও একই অভিযোগ উঠে আসে। বিশেষ করে রেডিটে অনেক ব্যবহারকারী জানান, রিপোর্ট পাওয়ার পর আসলে কী করতে হবে, তা বোঝা যেত না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুধু পাসওয়ার্ড বদলানো ছাড়া আর কোনো স্পষ্ট সমাধান পাওয়া যেত না।

গুগল বলছে, এই কারণেই ফিচারটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা এখন এমন নিরাপত্তা টুলে গুরুত্ব দিতে চায়, যেগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের নির্দেশনা দেয়।

এক বিবৃতিতে গুগল জানায়, অনলাইন ঝুঁকি থেকে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় তাদের কাজ চলবে। ডার্ক ওয়েবসহ বিভিন্ন অনলাইন হুমকি নজরদারিতে থাকবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় নতুন ও উন্নত টুল তৈরি করা হবে।

ডার্ক ওয়েব রিপোর্টের পরিবর্তে গুগল অন্য নিরাপত্তা সুবিধা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘সিকিউরিটি চেকআপ’। এটি গুগল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা অবস্থা যাচাই করে। আর ‘পাসওয়ার্ড ম্যানেজার’ শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করতে সাহায্য করে। ‘পাসওয়ার্ড চেকআপ’ ফিচারটি সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড ফাঁস হলে সতর্কবার্তা দেয়।

গুগল জানিয়েছে, ডার্ক ওয়েব রিপোর্ট ব্যবহারকারীদের ইমেইলের মাধ্যমে আগেই জানানো হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট নাইনটু ফাইভ গুগল প্রথম এ তথ্য প্রকাশ করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডার্ক ওয়েব স্ক্যানিং কার্যক্রম ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে। এক মাস পর, ১৬ ফেব্রুয়ারি ফিচারটি পুরোপুরি বাতিল করা হবে। তখন গুগলের সার্ভার থেকে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য মুছে ফেলা হবে।

যারা আগেই নিজেদের তথ্য মুছে ফেলতে চান, তাদের জন্যও সুযোগ রাখা হয়েছে। ‘রেজাল্টস উইথ ইয়োর ইনফো’ অপশনে গিয়ে ‘এডিট মনিটরিং প্রোফাইল’ নির্বাচন করতে হবে। সেখান থেকে ‘ডিলিট মনিটরিং প্রোফাইল’ অপশনে গিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যাবে।