ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

হলুদে ছেয়ে গেছে বিস্তীর্ণ মাঠ, সরিষা ফুলে প্রকৃতির অপরূপ সাজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ বার

oplus_2

চাঁদপুরে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চোখে পড়ছে হলুদের সমারোহ। আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ঢেকে গেছে মাঠের পর মাঠ। হিমেল হাওয়ায় দোল খাওয়া সরিষা ফুল যেন প্রকৃতিতে যোগ করেছে অনন্য এক সৌন্দর্য। এ দৃশ্য মুগ্ধ করছে পথচারীসহ সকলকেই, আর প্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে কৃষকের মন।
সরিষা ফুলের এমন সমারোহে খুশি কৃষকরা, পাশাপাশি আনন্দে রয়েছেন সরিষা থেকে মধু আহরণকারীরাও। বিগত কয়েক বছরে সরিষার ফলন ও বাজারদর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে কৃষকরা সরিষা চাষে আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকছেন।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মতলব উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা-৯, ১১, ১৪ ও ১৮ এবং বিনা সরিষা-৪ ও ৯সহ বিভিন্ন উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকা ও উপজেলার চরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সরিষার চাষ হয়েছে। মাঠের পর মাঠজুড়ে কেবল হলুদ আর হলুদ। এখানকার উৎপাদিত সরিষা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে আবাদ বৃদ্ধি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন।
উপজেলার আধুরভিটি গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, এ বছর আমরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সরিষা আবাদ করেছি। আবহাওয়া যদি এভাবেই অনুকূলে থাকে, তাহলে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।
চানখার বিলের কান্দি গ্রামের কৃষাণী আকলীমা বেগম বলেন, সরিষা চাষে রোপণ থেকে শুরু করে তেমন বাড়তি খরচ লাগে না। আমি এ বছর ৩৫ শতাংশ জমিতে এবং আমার ছোট ভাই কালাম ২৩ শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। শুধু সার দিলেই হয়, আলাদা করে সেচও দিতে হয় না। তাই সরিষা চাষে আমরা ভালো লাভ পাচ্ছি।
সরিষার খেত থেকে মধু আহরণে যুক্ত দুলাল মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সরিষার খেত অনেক বেশি। তাই এ বছর মধু উৎপাদনও বেশি হবে বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, সরিষা একটি স্বল্প খরচের লাভজনক ফসল। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় সরিষার আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

হলুদে ছেয়ে গেছে বিস্তীর্ণ মাঠ, সরিষা ফুলে প্রকৃতির অপরূপ সাজ

আপডেট টাইম : ১০:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
চাঁদপুরে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চোখে পড়ছে হলুদের সমারোহ। আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ঢেকে গেছে মাঠের পর মাঠ। হিমেল হাওয়ায় দোল খাওয়া সরিষা ফুল যেন প্রকৃতিতে যোগ করেছে অনন্য এক সৌন্দর্য। এ দৃশ্য মুগ্ধ করছে পথচারীসহ সকলকেই, আর প্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে কৃষকের মন।
সরিষা ফুলের এমন সমারোহে খুশি কৃষকরা, পাশাপাশি আনন্দে রয়েছেন সরিষা থেকে মধু আহরণকারীরাও। বিগত কয়েক বছরে সরিষার ফলন ও বাজারদর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে কৃষকরা সরিষা চাষে আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকছেন।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মতলব উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা-৯, ১১, ১৪ ও ১৮ এবং বিনা সরিষা-৪ ও ৯সহ বিভিন্ন উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকা ও উপজেলার চরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সরিষার চাষ হয়েছে। মাঠের পর মাঠজুড়ে কেবল হলুদ আর হলুদ। এখানকার উৎপাদিত সরিষা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে আবাদ বৃদ্ধি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন।
উপজেলার আধুরভিটি গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, এ বছর আমরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সরিষা আবাদ করেছি। আবহাওয়া যদি এভাবেই অনুকূলে থাকে, তাহলে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।
চানখার বিলের কান্দি গ্রামের কৃষাণী আকলীমা বেগম বলেন, সরিষা চাষে রোপণ থেকে শুরু করে তেমন বাড়তি খরচ লাগে না। আমি এ বছর ৩৫ শতাংশ জমিতে এবং আমার ছোট ভাই কালাম ২৩ শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। শুধু সার দিলেই হয়, আলাদা করে সেচও দিতে হয় না। তাই সরিষা চাষে আমরা ভালো লাভ পাচ্ছি।
সরিষার খেত থেকে মধু আহরণে যুক্ত দুলাল মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সরিষার খেত অনেক বেশি। তাই এ বছর মধু উৎপাদনও বেশি হবে বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, সরিষা একটি স্বল্প খরচের লাভজনক ফসল। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় সরিষার আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।