ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খাল খনন অব্যাহত থাকলে দেশে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকারের দুই মাসে ৬০ পদক্ষেপ এক অবিস্মরণীয় অর্জন: মাহদী আমিন আমার বেতন-ভাতা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিলিয়ে দেব : কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের পাকিস্তানের দল ঘোষণা, নতুন কোচ সরফরাজ হরমুজ প্রণালীতে পুনরায় ‘কঠোর নিয়ন্ত্রণ’ আরোপ করল ইরান এ বছর হজে যাচ্ছেন সাড়ে ৭৮ হাজার বাংলাদেশি যেসব কারণে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা বাতিল ও বহিষ্কার বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : তারেক রহমান ‘নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম’ এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি : স্পিকার

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দ্বৈত শাসন: ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের নায়কেরা কেন কোণঠাসা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৪ বার

Oplus_16908288

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রা পেরিয়ে গেছে ১৫ মাস। অথচ বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পদবঞ্চিত, নির্যাতিত ও অবহেলিত পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাগ্যে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। বরং অভিযোগ উঠেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের একটি প্রভাবশালী চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব কর্মকর্তাকে নতুন করে ‘টার্গেট’ করছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং পুলিশ বাহিনী পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া একাধিক কর্মকর্তাকে রহস্যজনকভাবে বদলি, সাময়িক বরখাস্ত কিংবা গুরুত্বহীন পদে পদায়নের ফলে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘দ্বৈত প্রশাসন’?

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ধরনের অদ্ভুত ‘দ্বৈত প্রশাসনিক ব্যবস্থা’ কার্যকর রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একজন বিশেষ সহকারী ও একজন প্রভাবশালী সচিবের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পাশ কাটিয়ে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে চলেছে।

এই চক্রের মূল লক্ষ্য—বিগত সরকারের আমলে সততা ও পেশাদারিত্বের কারণে যারা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাদের পুনরায় কোণঠাসা করে রাখা। আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ওই প্রভাবশালী সচিবসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নেতিবাচক মন্তব্য ও ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ থাকলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

ফলে প্রশাসনিক স্থবিরতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও দৃশ্যমান অবনতি ঘটছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আইজিপিকে ঘিরে বিতর্ক, মনোবল ভাঙছে পুলিশের

পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ার পেছনে শীর্ষ নেতৃত্বের বিতর্কিত ভূমিকার কথাও উঠে এসেছে। বর্তমান পুলিশ প্রধান (আইজিপি)-এর বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ হওয়া এবং বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর বাহিনীর ভেতরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে অসহযোগিতা বাড়ছে, যার ফলে অপরাধ দমন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ডেভিল হান্ট’ নায়ক আশরাফুর রহমানের রহস্যজনক বদলি

এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম শিকার হিসেবে উঠে এসেছে ময়মনসিংহ রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ড. মো. আশরাফুর রহমানের নাম। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জে যোগদানের পর ভেঙে পড়া পুলিশি মনোবল পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তার নেতৃত্বে পরিচালিত আলোচিত ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে ৮০০-এর বেশি চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদের দোসর গ্রেপ্তার হয়, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। অথচ কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই চলতি বছরের মার্চ মাসে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়।

সূত্র জানায়, সর্বশেষ পদোন্নতি বোর্ডে অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব যোগ্যতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি থাকা সত্ত্বেও তাকে বিবেচনায় আনা হয়নি—যা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

একের পর এক দক্ষ কর্মকর্তার ‘সাইডলাইনে’ যাওয়া

শুধু আশরাফুর রহমান নন—গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খানকে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ডিএমপিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) ফারুক আহমেদকে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে, যাকে অনেকেই ‘ডাম্পিং পোস্টিং’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

১৮ বছর পদোন্নতিবঞ্চিত থাকা ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে পদোন্নতি দেওয়া হলেও তাকে পাঠানো হয়েছে হাইওয়ে পুলিশে। একইভাবে—

ডিআইজি আবু রায়হান মোহাম্মদ সালেহ — সারদা পুলিশ একাডেমি

ডিআইজি মোহাম্মদ উসমান গনি — ট্যুরিস্ট পুলিশ

অতিরিক্ত ডিআইজি এ.কে.এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী — এসবিতে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা

একাধিক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দক্ষ, মেধাবী ও পরীক্ষিত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের অপারেশনাল ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখাটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

তাদের মতে, এতে মাঠপর্যায়ে চেইন অব কমান্ড দুর্বল হচ্ছে এবং অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই পরিস্থিতির সংশোধন, ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিতকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন অব্যাহত থাকলে দেশে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দ্বৈত শাসন: ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের নায়কেরা কেন কোণঠাসা

আপডেট টাইম : ০১:৩৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রা পেরিয়ে গেছে ১৫ মাস। অথচ বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পদবঞ্চিত, নির্যাতিত ও অবহেলিত পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাগ্যে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। বরং অভিযোগ উঠেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের একটি প্রভাবশালী চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব কর্মকর্তাকে নতুন করে ‘টার্গেট’ করছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং পুলিশ বাহিনী পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া একাধিক কর্মকর্তাকে রহস্যজনকভাবে বদলি, সাময়িক বরখাস্ত কিংবা গুরুত্বহীন পদে পদায়নের ফলে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘দ্বৈত প্রশাসন’?

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ধরনের অদ্ভুত ‘দ্বৈত প্রশাসনিক ব্যবস্থা’ কার্যকর রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একজন বিশেষ সহকারী ও একজন প্রভাবশালী সচিবের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পাশ কাটিয়ে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে চলেছে।

এই চক্রের মূল লক্ষ্য—বিগত সরকারের আমলে সততা ও পেশাদারিত্বের কারণে যারা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাদের পুনরায় কোণঠাসা করে রাখা। আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ওই প্রভাবশালী সচিবসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নেতিবাচক মন্তব্য ও ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ থাকলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

ফলে প্রশাসনিক স্থবিরতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও দৃশ্যমান অবনতি ঘটছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আইজিপিকে ঘিরে বিতর্ক, মনোবল ভাঙছে পুলিশের

পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ার পেছনে শীর্ষ নেতৃত্বের বিতর্কিত ভূমিকার কথাও উঠে এসেছে। বর্তমান পুলিশ প্রধান (আইজিপি)-এর বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ হওয়া এবং বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর বাহিনীর ভেতরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে অসহযোগিতা বাড়ছে, যার ফলে অপরাধ দমন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ডেভিল হান্ট’ নায়ক আশরাফুর রহমানের রহস্যজনক বদলি

এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম শিকার হিসেবে উঠে এসেছে ময়মনসিংহ রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ড. মো. আশরাফুর রহমানের নাম। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জে যোগদানের পর ভেঙে পড়া পুলিশি মনোবল পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তার নেতৃত্বে পরিচালিত আলোচিত ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে ৮০০-এর বেশি চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদের দোসর গ্রেপ্তার হয়, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। অথচ কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই চলতি বছরের মার্চ মাসে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়।

সূত্র জানায়, সর্বশেষ পদোন্নতি বোর্ডে অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব যোগ্যতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি থাকা সত্ত্বেও তাকে বিবেচনায় আনা হয়নি—যা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

একের পর এক দক্ষ কর্মকর্তার ‘সাইডলাইনে’ যাওয়া

শুধু আশরাফুর রহমান নন—গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খানকে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ডিএমপিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) ফারুক আহমেদকে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে, যাকে অনেকেই ‘ডাম্পিং পোস্টিং’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

১৮ বছর পদোন্নতিবঞ্চিত থাকা ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে পদোন্নতি দেওয়া হলেও তাকে পাঠানো হয়েছে হাইওয়ে পুলিশে। একইভাবে—

ডিআইজি আবু রায়হান মোহাম্মদ সালেহ — সারদা পুলিশ একাডেমি

ডিআইজি মোহাম্মদ উসমান গনি — ট্যুরিস্ট পুলিশ

অতিরিক্ত ডিআইজি এ.কে.এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী — এসবিতে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা

একাধিক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দক্ষ, মেধাবী ও পরীক্ষিত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের অপারেশনাল ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখাটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

তাদের মতে, এতে মাঠপর্যায়ে চেইন অব কমান্ড দুর্বল হচ্ছে এবং অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই পরিস্থিতির সংশোধন, ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিতকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।