ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

মা-মেয়ে হত্যা বোরকা পরে ঢোকেন গৃহকর্মী, বের হন স্কুল ড্রেসে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৬ বার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বাসা থেকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) লায়লা আফরোজ (৪৮) ও নাফিজা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) নামের মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশা জড়িত রয়েছন বলে ধারণা করছে তার পরিবার। বাসাটির সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করেও দেখা গেছে, গৃহকর্মী আয়েশা সোমবার সকালে যে পোশাক পরে বাসাটিতে ঢোকেন, বের হন অন্য পোশাকে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সোমবার সকাল ৭টা ৫২ মিনিটের দিকে বাসায় প্রবেশ করছেন গৃহকর্মী আয়েশা। তখন তার গায়ে ছিল কালো বোরকা। বাসাটিতে থেকে তিনি বের হন সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে। তখন তার গায়ে ছিল স্কুল ড্রেস।

নিহত লায়লার স্বামী আজিজুল বলেন, আজ ১১টার পরে দিকে বাসায় ঢুকে তিনি স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তিনি বাসার মেঝে ও দেয়ালে দেখা যায় রক্ত।

নিহতদের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিজা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে পড়ত। সোমবার ছিল তার শেষ বার্ষিক পরীক্ষা। এ ঘটনায় জড়িতকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহ করা গৃহকর্মী আয়েশাকে চার দিন আগেই ওই বাসায় কাজের জন্য নেওয়া হয়। তিনি বিহারি ক্যাম্পে থাকেন। তাকে নিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, পুলিশ আসার আগেই নাফিজাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজের মরদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।

তিনি বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

মা-মেয়ে হত্যা বোরকা পরে ঢোকেন গৃহকর্মী, বের হন স্কুল ড্রেসে

আপডেট টাইম : ১২:২২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বাসা থেকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) লায়লা আফরোজ (৪৮) ও নাফিজা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) নামের মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশা জড়িত রয়েছন বলে ধারণা করছে তার পরিবার। বাসাটির সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করেও দেখা গেছে, গৃহকর্মী আয়েশা সোমবার সকালে যে পোশাক পরে বাসাটিতে ঢোকেন, বের হন অন্য পোশাকে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সোমবার সকাল ৭টা ৫২ মিনিটের দিকে বাসায় প্রবেশ করছেন গৃহকর্মী আয়েশা। তখন তার গায়ে ছিল কালো বোরকা। বাসাটিতে থেকে তিনি বের হন সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে। তখন তার গায়ে ছিল স্কুল ড্রেস।

নিহত লায়লার স্বামী আজিজুল বলেন, আজ ১১টার পরে দিকে বাসায় ঢুকে তিনি স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় তিনি বাসার মেঝে ও দেয়ালে দেখা যায় রক্ত।

নিহতদের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিজা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে পড়ত। সোমবার ছিল তার শেষ বার্ষিক পরীক্ষা। এ ঘটনায় জড়িতকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহ করা গৃহকর্মী আয়েশাকে চার দিন আগেই ওই বাসায় কাজের জন্য নেওয়া হয়। তিনি বিহারি ক্যাম্পে থাকেন। তাকে নিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, পুলিশ আসার আগেই নাফিজাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজের মরদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।

তিনি বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।