ইসলাম মানুষের আত্মশুদ্ধি ও আমলের দৃঢ়তার জন্য কেবল নির্দেশই দেয় না, বরং অবহেলা ও গাফলতের করুণ পরিণতি সম্পর্কেও দৃঢ়তার সহিত সতর্ক করে। পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম যা মানব জীবনে আলোর দিশারী ও নৈতিকতার চূড়ান্ত মানদণ্ড। আর ফরজ নামাজ মহান আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সংযোগ স্থাপন ও রক্ষার সর্বোচ্চ মাধ্যম। কিন্তু যখন মানুষ অবহেলায় আলোর দিশারী এই কোরআন ও ফরজ নামাজ থেকে দূরে সরে যায় তখন সেই অবহেলা শুধু দুনিয়ার ব্যর্থতাই ডেকে আনে না, আখিরাতেও কঠিন পরিণতির সতর্ক বার্তা বহন করে।
عَن سَمُرَة بْنُ جُنْدَبٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الرُّؤْيَا قَالَ “ أَمَّا الَّذِي يُثْلَغُ رَأْسُهُ بِالْحَجَرِ فَإِنَّهُ يَأْخُذُ الْقُرْآنَ فَيَرْفِضُهُ وَيَنَامُ عَنِ الصَّلاَةِ الْمَكْتُوبَةِ ”.
সামুরাহ ইবনে জুনদাব (রা.) সূত্রে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর স্বপ্ন বর্ণনার এক পর্যায়ে বলেছেন, যে ব্যক্তির মাথা পাথর দিয়ে বিচূর্ণ করা হচ্ছিল, সে হল ঐ লোক যে কুরআন শিখে তা পরিত্যাগ করে এবং ফরজ সালাত আদায় না করে ঘুমিয়ে থাকে। (বুখারি, হাদিস : ১১৪৩)
হাদিসের মূল বার্তা
এই হাদিসটি মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ অবহেলার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে—
(১) কোরআন শিখে তা ত্যাগ করা, এবং
(২) ফরজ সালাত গাফলতের কারণে ছেড়ে দেওয়া।
মহানবী (সা.) তাঁর স্বপ্নে যে শাস্তিমূলক দৃশ্য দেখেছেন, তা এসব গাফেল ব্যক্তির ভবিষ্যৎ অবস্থার প্রতীকী রূপ।
Reporter Name 
























