ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে : আইন উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৬ বার
বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় যেটা বুঝেছি, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি। অন্তর্বর্তী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে, সেটা বলেছে।

তারা আমাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে।’অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকাই পালন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার নিশ্চয়তা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন। জনপ্রশাসন বা অন্যান্য ক্ষেত্রে বড় বদলির ব্যাপারটা তিনি নিজে দেখবেন।’

নির্বাচনের সময় উপদেষ্টা পরিষদ ছোট হবে কি না—জানতে চাইলে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘এ ধরনের কথা কোথাও আলোচনা হয়নি।

এটা উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনার বিষয়। নির্বাচনকালীন সরকার ছোট হবে কি না, এ ধরনের কোনো দাবিও কোনো মহল থেকে উত্থাপন হয়নি।’অন্তর্বর্তী সরকারে দলীয় কেউ থাকলে তাদের অপসারণের বিষয়ে বিএনপি যে দাবি করেছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সেটা তো তারা এর আগেও বলেছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আরো ক্লোজলি মনিটর (নিবিড় তদারকি) করবেন বলেছেন।

জনপ্রশাসনে নিয়োগ-বদলি দলীয়ভাবে হয় বলে যে অভিযোগ ‍উঠেছে, সে জন্য কি এই (প্রধান উপদেষ্টার নিবিড় তদারকি) প্রসঙ্গটি এসেছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘না, আমরা মনে করি না দলীয়ভাবে হয়।’

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে সব দলই অভিযোগ করে। একদল বলে ওই দলের লোক আছে, আরেক দল বলে এই দলের লোক আছে। যেহেতু সব দলই অভিযোগ করে অন্য দলের লোক আছে, তার মানে হচ্ছে আমরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছি।’

নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো সংশয় আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘মাঠে-ঘাটে মানুষের মধ্যে আস্থার অভাব আছে কি না, আমি জানি না।

আমার মনে হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেভাবে অনৈক্য থাকে, তারা একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে যেভাবে বলে, ওটার কারণে হয়তো (নির্বাচন নিয়ে মানুষের সংশয়)।’তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, যখন আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তব অগ্রগতি দেখব, এ সম্পর্কে সব সংশয় খুব দ্রুত কেটে যাবে বলে আশা করি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরে কৃষক বিপর্যয়: ক্ষতিগ্রস্তদের ৩ মাস সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে : আইন উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় যেটা বুঝেছি, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি। অন্তর্বর্তী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে, সেটা বলেছে।

তারা আমাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ ভূমিকা চেয়েছে।’অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকাই পালন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার নিশ্চয়তা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন। জনপ্রশাসন বা অন্যান্য ক্ষেত্রে বড় বদলির ব্যাপারটা তিনি নিজে দেখবেন।’

নির্বাচনের সময় উপদেষ্টা পরিষদ ছোট হবে কি না—জানতে চাইলে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘এ ধরনের কথা কোথাও আলোচনা হয়নি।

এটা উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনার বিষয়। নির্বাচনকালীন সরকার ছোট হবে কি না, এ ধরনের কোনো দাবিও কোনো মহল থেকে উত্থাপন হয়নি।’অন্তর্বর্তী সরকারে দলীয় কেউ থাকলে তাদের অপসারণের বিষয়ে বিএনপি যে দাবি করেছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সেটা তো তারা এর আগেও বলেছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আরো ক্লোজলি মনিটর (নিবিড় তদারকি) করবেন বলেছেন।

জনপ্রশাসনে নিয়োগ-বদলি দলীয়ভাবে হয় বলে যে অভিযোগ ‍উঠেছে, সে জন্য কি এই (প্রধান উপদেষ্টার নিবিড় তদারকি) প্রসঙ্গটি এসেছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘না, আমরা মনে করি না দলীয়ভাবে হয়।’

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে সব দলই অভিযোগ করে। একদল বলে ওই দলের লোক আছে, আরেক দল বলে এই দলের লোক আছে। যেহেতু সব দলই অভিযোগ করে অন্য দলের লোক আছে, তার মানে হচ্ছে আমরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছি।’

নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো সংশয় আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘মাঠে-ঘাটে মানুষের মধ্যে আস্থার অভাব আছে কি না, আমি জানি না।

আমার মনে হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেভাবে অনৈক্য থাকে, তারা একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে যেভাবে বলে, ওটার কারণে হয়তো (নির্বাচন নিয়ে মানুষের সংশয়)।’তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, যখন আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তব অগ্রগতি দেখব, এ সম্পর্কে সব সংশয় খুব দ্রুত কেটে যাবে বলে আশা করি।’