তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তাদের কাজ করার সুযোগ নেই, স্থানীয় সমাজে মেশার সুযোগ নেই, আবার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রাখাইনেও ফিরে যাওয়াও উপায় নেই।
তিনি আরো বলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, যখন সহায়তা দেওয়া বন্ধ করা কিংবা কমিয়ে আনা হয়, তখন বাধ্য হয়ে মানুষ নেতিবাচক উপায়ে বেঁচে থাকার পথ খোঁজে।’
বাংলাদেশের মানুষের উদারতা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার প্রশংসা করেন স্কাউ বলেন, ‘আমরা সর্বদা আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়গুলোতে বিনিয়োগ করি।
এ কারণেই বাংলাদেশের সরকার, অংশীদার, দাতা ও ডব্লিউএফপির মাঠকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশ সফর করছেন বলে জানান সংস্থাটির উপপরিচালক।
তহবিল সংকটের মতো গুরুতর সংকট মোকাবেলায় ডব্লিউএফপি এখন কী ভাবছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে স্কাউ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল সংকট মোকাবেলায় অর্থের জোগানে নানা পথ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যায় কিনা, সে বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আসিয়ানভুক্ত দেশ, সৌদি আরব, কাতার, আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চল ও ওআইসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করছি। এই পরিস্থিতির জন্য রোহিঙ্গারা দায়ী নয়। ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনের ওপর নির্ভর করার দাবি রাখে তারা।’
Reporter Name 




















