ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

পাঁচ সাংবাদিক-উদ্ধারকর্মীসহ ২১ জনকে হত্যা করে ইসরায়েলের বৈধতা দাবির পুনরাবৃত্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭৫ বার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে ২১ জন, যার মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক এবং উদ্ধারকর্মী রয়েছেন। সোমবার পর পর দুই বার হামলায় চালায় দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। এই ঘটনা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৫ আগস্ট) গাজার নাসের হাসপাতালে। ইসরায়েলি সেনারা দুইবার হাসপাতালটিতে হামলা চালায়। তারা দাবি করেছে, হাসপাতালের একটি ক্যামেরা সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের জন্য সেনাদের গতিবিধি নজরদারি করছিল। এই কারণে তারা ক্যামেরাটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য ছিল হামাসের তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা ব্যাহত করা।

হামলার প্রথম পর্যায়ে ট্যাংক থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হয়। পরে যখন সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে এবং আহতদের উদ্ধার করতে যান, তখন দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রথম হামলার পরে উপস্থিত মানুষ আহত ও আতঙ্কিত অবস্থায় হাসপাতালে ছুটে আসে, এবং পুনরায় হামলার ফলে তৎক্ষণাৎ প্রাণ হারান তারা। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গাজায় রক্তক্ষয়ী এসব হামলার বৈধতা দিতে ইসরায়েল বেশিরভাগ সময় হামাসের ওপর হামলার কথা বলে থাকে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার ৮৩ শতাংশ নিহত বেসামরিক মানুষ। নাসের হাসপাতালে এই হত্যাযজ্ঞের পর যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তিনি গাজায় এই ধরনের হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য দেখতে চান না। তথ্যসূত্র : আলজাজিরা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

পাঁচ সাংবাদিক-উদ্ধারকর্মীসহ ২১ জনকে হত্যা করে ইসরায়েলের বৈধতা দাবির পুনরাবৃত্তি

আপডেট টাইম : ১১:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে ২১ জন, যার মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক এবং উদ্ধারকর্মী রয়েছেন। সোমবার পর পর দুই বার হামলায় চালায় দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। এই ঘটনা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৫ আগস্ট) গাজার নাসের হাসপাতালে। ইসরায়েলি সেনারা দুইবার হাসপাতালটিতে হামলা চালায়। তারা দাবি করেছে, হাসপাতালের একটি ক্যামেরা সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের জন্য সেনাদের গতিবিধি নজরদারি করছিল। এই কারণে তারা ক্যামেরাটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য ছিল হামাসের তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা ব্যাহত করা।

হামলার প্রথম পর্যায়ে ট্যাংক থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হয়। পরে যখন সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে এবং আহতদের উদ্ধার করতে যান, তখন দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রথম হামলার পরে উপস্থিত মানুষ আহত ও আতঙ্কিত অবস্থায় হাসপাতালে ছুটে আসে, এবং পুনরায় হামলার ফলে তৎক্ষণাৎ প্রাণ হারান তারা। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গাজায় রক্তক্ষয়ী এসব হামলার বৈধতা দিতে ইসরায়েল বেশিরভাগ সময় হামাসের ওপর হামলার কথা বলে থাকে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার ৮৩ শতাংশ নিহত বেসামরিক মানুষ। নাসের হাসপাতালে এই হত্যাযজ্ঞের পর যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তিনি গাজায় এই ধরনের হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য দেখতে চান না। তথ্যসূত্র : আলজাজিরা