ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে ২১ জন, যার মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক এবং উদ্ধারকর্মী রয়েছেন। সোমবার পর পর দুই বার হামলায় চালায় দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। এই ঘটনা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৫ আগস্ট) গাজার নাসের হাসপাতালে। ইসরায়েলি সেনারা দুইবার হাসপাতালটিতে হামলা চালায়। তারা দাবি করেছে, হাসপাতালের একটি ক্যামেরা সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের জন্য সেনাদের গতিবিধি নজরদারি করছিল। এই কারণে তারা ক্যামেরাটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য ছিল হামাসের তথ্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা ব্যাহত করা।
হামলার প্রথম পর্যায়ে ট্যাংক থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হয়। পরে যখন সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে এবং আহতদের উদ্ধার করতে যান, তখন দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রথম হামলার পরে উপস্থিত মানুষ আহত ও আতঙ্কিত অবস্থায় হাসপাতালে ছুটে আসে, এবং পুনরায় হামলার ফলে তৎক্ষণাৎ প্রাণ হারান তারা। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গাজায় রক্তক্ষয়ী এসব হামলার বৈধতা দিতে ইসরায়েল বেশিরভাগ সময় হামাসের ওপর হামলার কথা বলে থাকে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার ৮৩ শতাংশ নিহত বেসামরিক মানুষ। নাসের হাসপাতালে এই হত্যাযজ্ঞের পর যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তিনি গাজায় এই ধরনের হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য দেখতে চান না। তথ্যসূত্র : আলজাজিরা
Reporter Name 

























