ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ইরানে হামলা করে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি নষ্ট করছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র: উ. কোরিয়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না এবার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ নতুন সংসদের যাত্রা শুরু স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত আজ ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামুনুল হক গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় অবনতির শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র তদবিরের জন্য ‎কর্মস্থল ছেড়ে মন্ত্রণালয়ে না যেতে আইজিপির নির্দেশ প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে আলভীর বিস্ফোরক দাবি

দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে: তারেক রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮৩ বার

আগামী নির্বাচনে দেশের অধিকাংশ জনগণের সমর্থন ধানের শীষ তথা বিএনপি পাবে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। তিনি বলেন, আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে। আগামী নির্বাচনে আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমাদেরকে দেশকে গড়তে হবে।

রবিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচার শিক্ষা, বিচার, আইনশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে তাদের নিজেদের স্বার্থে। আগামী নির্বাচনে আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে আমাদের এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে।

দেশ গড়তে বিএনপিই প্রথম সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আড়াই বছর আগে স্বৈরাচার সরকারের আমলেই আমরা বাংলাদেশের মানুষের সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম। সেই ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিলাম। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এখন সংস্কারের জন্য যেসব আলোচনায় আসছে, অধিকাংশ সংস্কার প্রস্তাব বিএনপি আড়াই বছর আগেই জাতির সামনে ঘোষণা করেছিল। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি এই দেশকে যদি এগিয়ে নিতে হয় তাহলে কতগুলো ব্যাপারে রাষ্ট্রের সংস্কার করতে হবে। সেই জন্য অন্য কেউ চিন্তা করার আগে আমরা বিএনপি আড়াই বছর আগে সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলাম।

তারেক রহমান বলেন, যুবক-বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে তাদের কর্মসংস্থান করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। সব স্তরে ভালো শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। এই শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আজ ফারাক্কার কারণে পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। সুজলা-সুফলা এলাকা পদ্মা নদীর পানির অভাবে মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে। পানির ন্যায্য হিস্যা পেতে আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে যাব, জাতিসংঘে যাব প্রয়োজন হলে। আমাদের পানির ব্যবস্থা করতে হবে। খালগুলো সংস্কার করতে হবে যেন তারা পানি নিয়ে আবার ঝামেলা করলেও এখানে পানি থাকে।

তিনি বলেন, সামনে অনেক কাজ, অনেক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমাদের নিতে হবে। ছোট ছোট কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে। উৎপাদিত দ্রব্য দেশে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করতে হবে। বিচার ব্যবস্থার কাছে বহু মানুষকে যেতে হয়। কিন্তু আমরা দেখছি বিচার ব্যবস্থার জটিলতা, দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বছরের পর বছর মানুষকে কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে হয়। আমাদের এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে, যাতে মানুষ দ্রুত বিচার পায়। কৃষির চ্যালেঞ্জ আছে। সঠিক সময়ে সার পৌঁছাতে হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। মানুষ যাতে স্বল্পমূল্যে পণ্য পায় সেটা দেখতে হবে, একইসাথে কৃষকরা যেন সঠিক মূল্য পায়।

বিএনপির পক্ষেই সম্ভব এবং তা দেশের মানুষ বিশ্বাস করেন জানিয়ে দলের এই শীর্ষ নেতা বলেন, মানুষ এখন বিশ্বাস করে একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব ধীরে ধীরে এই দেশকে গড়ে তোলা। আজ দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জগুলো যদি মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে আমাদের প্রথমে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকি, তাহলে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারব না। জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য দুই হাত তুলে প্রতিজ্ঞা করিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশের মানুষের সামনে সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। পরবর্তী পদক্ষেপ আমাদের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা। বেকারদের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, নদীখনন, খালখনন এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তার জন্য দরকার ঐক্যবদ্ধ হওয়া। আমাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ হওয়া দরকার। রাজশাহী মহানগরে আমার প্রত্যাশা থাকবে, আমরা সবাই শপথ গ্রহণ করব যে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং দেশকে পুনর্গঠনের কাজে হাত দেব।

এর আগে দুপুর থেকেই রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন মাঠে মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান শুরু হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা আব্দুস সালাম।

বক্তব্য দেন আরেক উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, দলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা। সম্মেলন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্যসচিব মামুন-অর-রশিদ মামুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

এক শ্রেণির রাজনৈতিক দল সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস

দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে: তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ০৭:১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

আগামী নির্বাচনে দেশের অধিকাংশ জনগণের সমর্থন ধানের শীষ তথা বিএনপি পাবে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। তিনি বলেন, আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে। আগামী নির্বাচনে আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমাদেরকে দেশকে গড়তে হবে।

রবিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচার শিক্ষা, বিচার, আইনশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে তাদের নিজেদের স্বার্থে। আগামী নির্বাচনে আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে আমাদের এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে।

দেশ গড়তে বিএনপিই প্রথম সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আড়াই বছর আগে স্বৈরাচার সরকারের আমলেই আমরা বাংলাদেশের মানুষের সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম। সেই ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিলাম। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এখন সংস্কারের জন্য যেসব আলোচনায় আসছে, অধিকাংশ সংস্কার প্রস্তাব বিএনপি আড়াই বছর আগেই জাতির সামনে ঘোষণা করেছিল। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি এই দেশকে যদি এগিয়ে নিতে হয় তাহলে কতগুলো ব্যাপারে রাষ্ট্রের সংস্কার করতে হবে। সেই জন্য অন্য কেউ চিন্তা করার আগে আমরা বিএনপি আড়াই বছর আগে সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলাম।

তারেক রহমান বলেন, যুবক-বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে তাদের কর্মসংস্থান করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। সব স্তরে ভালো শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। এই শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আজ ফারাক্কার কারণে পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। সুজলা-সুফলা এলাকা পদ্মা নদীর পানির অভাবে মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে। পানির ন্যায্য হিস্যা পেতে আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে যাব, জাতিসংঘে যাব প্রয়োজন হলে। আমাদের পানির ব্যবস্থা করতে হবে। খালগুলো সংস্কার করতে হবে যেন তারা পানি নিয়ে আবার ঝামেলা করলেও এখানে পানি থাকে।

তিনি বলেন, সামনে অনেক কাজ, অনেক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমাদের নিতে হবে। ছোট ছোট কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে। উৎপাদিত দ্রব্য দেশে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করতে হবে। বিচার ব্যবস্থার কাছে বহু মানুষকে যেতে হয়। কিন্তু আমরা দেখছি বিচার ব্যবস্থার জটিলতা, দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বছরের পর বছর মানুষকে কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে হয়। আমাদের এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে, যাতে মানুষ দ্রুত বিচার পায়। কৃষির চ্যালেঞ্জ আছে। সঠিক সময়ে সার পৌঁছাতে হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। মানুষ যাতে স্বল্পমূল্যে পণ্য পায় সেটা দেখতে হবে, একইসাথে কৃষকরা যেন সঠিক মূল্য পায়।

বিএনপির পক্ষেই সম্ভব এবং তা দেশের মানুষ বিশ্বাস করেন জানিয়ে দলের এই শীর্ষ নেতা বলেন, মানুষ এখন বিশ্বাস করে একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব ধীরে ধীরে এই দেশকে গড়ে তোলা। আজ দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জগুলো যদি মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে আমাদের প্রথমে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকি, তাহলে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারব না। জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য দুই হাত তুলে প্রতিজ্ঞা করিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশের মানুষের সামনে সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। পরবর্তী পদক্ষেপ আমাদের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা। বেকারদের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, নদীখনন, খালখনন এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তার জন্য দরকার ঐক্যবদ্ধ হওয়া। আমাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ হওয়া দরকার। রাজশাহী মহানগরে আমার প্রত্যাশা থাকবে, আমরা সবাই শপথ গ্রহণ করব যে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব এবং দেশকে পুনর্গঠনের কাজে হাত দেব।

এর আগে দুপুর থেকেই রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন মাঠে মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান শুরু হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা আব্দুস সালাম।

বক্তব্য দেন আরেক উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, দলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা। সম্মেলন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্যসচিব মামুন-অর-রশিদ মামুন।