মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে গত মঙ্গলবার প্রত্যাহার করে অন্তর্বর্তী সরকার। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্র্যাজেডির পর এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তহীনতায় কাল হয় তার।
এ নিয়ে আন্দোলনের জেরে সচিবকে অপসারণের ঘোষণা দেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। অবশ্য পরের দিন আনুষ্ঠানিক আদেশে তাকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তখন থেকেই তার ক্ষমতার পিএস মো. আলী আফরোজকে সরিয়ে দেয়ার গুঞ্জন ছিল।
সচিবের আচমকা বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে তার ভাগ্যও যে নির্ধারিত হয়ে গেছে সেটি তিনি বুঝতে পেরেই বেশ দিকভ্রান্ত হয়ে ছুটছিলেন সেদিন বিকালে। অর্থাৎ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে তিনি থাকতে পারছেন না সেটি তখন থেকেই বলাবলি শুরু হয়। যার বাস্তব ঘোষণা এলো সোমবার।
প্রেসিডেন্টের আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন মতে, আলী আফরোজ সচিবালয়ের বাইরে অর্থাৎ আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে কাজ করবেন। আগামী ৪ঠা আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে তাকে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ওই অপরাহ্ণে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) বলে গণ্য হবেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ই জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ দেয়া হয়। তারা হলেন- মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মোসা. শাম্মী আক্তার এবং মোসা. রেবেকা সুলতানা। এরমধ্যে মিজ শাম্মীকে (পরিচিতি নম্বর ১৬২২৪) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ও মিজ সুলতানাকে (পরিচিতি নম্বর ১৬৬৯১) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে বদলি তথা স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। অভিযোগ আছে ওই দু’জন ৩ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। তাকে বদলি ঠেকানোর তদবিরে ঊর্ধ্বতনরা রীতিমতো অস্বস্তিতে থাকতেন।
Reporter Name 























