অন্য সবার মতো পূর্ণিমার হৃদয়কেও ক্ষতবিক্ষত করেছে মাইলস্টোনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। ঘটনার পর থেকে চোখের পাতা এক করতে পারেননি।
কাল [শুক্রবার] মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ‘সেরা রাঁধুনী সিজন-৮’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। শেষ চারটি সিজনেরই বিচারক পূর্ণিমা। গত দুই মাস এই রিয়ালিটি শোর শুটিং করেছেন। নিজেও রান্না করতে পছন্দ করেন। ফলে বেশ উপভোগও করেন এই শো।
পূর্ণিমা বলেন, ‘মাছরাঙা ও স্কয়ারকে নিজের পরিবারই মনে হয়। তারা আমাকে প্রতি সিজনেই ডাকে। আর প্রতিবারই মনে হয় হয়তো অনুষ্ঠানটি করতে পারব না। কারণ উমাইজার স্কুল থাকে, পড়াশোনার চাপ থাকে। তবে শেষ মুহূর্তে আর না করতে পারি না। জানি না, পরের সিজনে থাকতে পারব কি না। মাছরাঙাও আমাকে ডাকবে কি না তা-ও জানি না। যদি ব্যাটে-বলে মেলে, তাহলে বিচারক হিসেবে পুনরায় আমাকে দেখাও যেতে পারে।’
গত বছর রোজার ঈদে ছট্কু আহমেদের ‘আহা রে জীবন’-এ শেষবার পূর্ণিমাকে দেখা গেছে বড় পর্দায়। এরপর নতুন কোনো ছবির প্রস্তাব পাননি অভিনেত্রী। এমনকি ওটিটি প্ল্যাটফরমের ডাকও পাননি।
পূর্ণিমা বলেন, ‘হয়তো এখনকার নির্মাতাদের ধারণা, আমি সময় দেব না। বা অনেকে ধরেই নিয়েছেন, আমি কাজ করতে আগ্রহী নই। এসব নিছক ভুল ধারণা। একজন শিল্পী সারা জীবন ক্যামেরার সামনে কাজ করতে চায়। এটা সহজাত স্বভাব। আমি বরাবরই মুখিয়ে থাকি ভালো কাজের। তবে একটা শর্ত আছে, আমাকে আমার মতো চরিত্রেই নিতে হবে।’
জয়া আহসানের উদাহরণ টেনে পূর্ণিমা আরো বলেন, “জয়া আপাকে দেখেন, তিনি যে বয়সী সেই বয়সের চরিত্রেই হাজির হচ্ছেন পর্দায়। আফসানা মিনি আপুকেও দেখেন, ‘উৎসব’ করলেন। কী মিষ্টি লেগেছে! এখন কেউ যদি আমাকে নাচা-গানার ছবিতে নিতে চান, তাহলে কিভাবে হবে? জয়া আপার ‘অর্ধাঙ্গিনী’র কী সুন্দর গল্প! এমন গল্প নিয়ে কেউ আমার কাছে এলে অবশ্যই আমি করতাম।”
নিয়মিত ছবি দেখেন
চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। স্বভাবতই ছবি দেখার পোকা তাঁর মাথায় থাকার কথা। পূর্ণিমারও আছে সেটা। ‘জংলি’, ‘দাগি’সহ ঈদের কয়েকটি ছবি দেখেছেন। অপেক্ষায় আছেন ‘তাণ্ডব’, ‘ইনসাফ’সহ বাকি ছবিগুলো দেখার। চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা নিয়ে দারুণ খুশি ‘হৃদয়ের কথা’ অভিনেত্রী। বলেন, ‘গত দুই-তিন বছরে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি অনেক বদলেছে। বড় বড় ছবি হচ্ছে, বাজারও বেড়েছে। এসব দেখে খুব ভালো লাগে। এই যে জোয়ার শুরু হয়েছে, এটা কাজে লাগাতে হবে। নতুন নতুন নির্মাতা, অভিনেতাদের কাজের সুযোগ করে দিতে হবে। গত শতাব্দীর সত্তর ও আশির দশকের যে গল্প আমরা শুনে এসেছি, সেটা এখন ফিরিয়ে আনার সময়।’
Reporter Name 

























