ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ শারীরিক অবস্থার উন্নতি কথা বলতে পারছেন মির্জা আব্বাস, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাত দাড়ি রাখতে না দিলে চাকরি ছেড়ে অন্য কাজ খুঁজুন: দারুল উলুম দেওবন্দ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৫৮ বার

গালে দাড়ি গজানোর আগেই যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীতে। তিনি ধার্মিক থাকলেও দাড়ি রাখা সম্ভব হচ্ছে না সেনাবাহিনীর এই মুসলিম কর্মকর্তার। এমতাবস্থায় উপায় খুঁজতে দেওবন্দের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাড়ি রাখাতে না পারলে সেই চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলে জানিয়েছে উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রসা।

বিমান বাহিনীতে চাকরির জন্য যদি দাড়ি বাড়াতে না দেওয়া হয় তাহলে ওই চাকরি দ্রুত ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে দেওবন্দ। একইসঙ্গে তাদের যুক্তি- নতুন চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত ওই যতবার ‘শেভ’ করতে হবে ততবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা

করা উচিত ওই সেনার।

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় চিঠি লিখেছিলেন ওই সেনাকর্তা। তিনি লিখেছিলেন, “আমি যে বয়সে বিমান বাহিনীতে যোগ দিই সেইসময় আমার দাড়ি হয় নি। এখানে আমার কাজের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয় এই কাজের সুবাদেই আমি বেশি করে ইসলামের কাছাকাছি আসতে পেরেছি। আমি অনেক জায়গা সফর করেছি এবং বিভিন্ন ধরণের লোকেদের সংস্পর্শে এসেছি। এখন আমি দাড়ি রাখতে চাই কিন্তু এয়ারফোর্স আমাকে এর অনুমতি দেয় না। আমাকে প্রত্যেক দিন ‘শেভ’ করে যেতে হয়। এমতাবস্থায় আমার কাছে দুটি পথ। কোনও সুযোগ সুবিধা গ্রহণ ছাড়া চাকরি ছেড়ে দেয়া অথবা প্রতিদিন ‘শেভ’ করতে থাকা। দয়া করে আমাকে বলুন, কোনটা করা আমার জন্য সঠিক? আমাকে কি চাকরি ছেড়ে দেয়া উচিত?”

এর জবাবে দারুল উলুম দেওবন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যদি আপনার আর্থিক অবস্থা মজবুত হয় এবং আপনি চাকরি ছেড়ে দিয়েও সংসার চালাতে সক্ষম হন তাহলে কোনও চিন্তা না করে চাকরি ছেড়ে দিন। কিন্তু উপার্জনের অন্য কোনও উৎস না থাকলে আপনি ওই কাজ করতে থাকুন এবং আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকুন। এর পাশাপাশি আপনি অন্য কোনও চাকরি খুঁজে নিন।”

দারুল উলুম মাদ্রাসার উপাচার্য মৌলানা মুফতি আবুল কাশেম নোমানী বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। -কলকাতা২৪।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাত দাড়ি রাখতে না দিলে চাকরি ছেড়ে অন্য কাজ খুঁজুন: দারুল উলুম দেওবন্দ

আপডেট টাইম : ১০:০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬

গালে দাড়ি গজানোর আগেই যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীতে। তিনি ধার্মিক থাকলেও দাড়ি রাখা সম্ভব হচ্ছে না সেনাবাহিনীর এই মুসলিম কর্মকর্তার। এমতাবস্থায় উপায় খুঁজতে দেওবন্দের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাড়ি রাখাতে না পারলে সেই চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলে জানিয়েছে উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রসা।

বিমান বাহিনীতে চাকরির জন্য যদি দাড়ি বাড়াতে না দেওয়া হয় তাহলে ওই চাকরি দ্রুত ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে দেওবন্দ। একইসঙ্গে তাদের যুক্তি- নতুন চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত ওই যতবার ‘শেভ’ করতে হবে ততবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা

করা উচিত ওই সেনার।

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় চিঠি লিখেছিলেন ওই সেনাকর্তা। তিনি লিখেছিলেন, “আমি যে বয়সে বিমান বাহিনীতে যোগ দিই সেইসময় আমার দাড়ি হয় নি। এখানে আমার কাজের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয় এই কাজের সুবাদেই আমি বেশি করে ইসলামের কাছাকাছি আসতে পেরেছি। আমি অনেক জায়গা সফর করেছি এবং বিভিন্ন ধরণের লোকেদের সংস্পর্শে এসেছি। এখন আমি দাড়ি রাখতে চাই কিন্তু এয়ারফোর্স আমাকে এর অনুমতি দেয় না। আমাকে প্রত্যেক দিন ‘শেভ’ করে যেতে হয়। এমতাবস্থায় আমার কাছে দুটি পথ। কোনও সুযোগ সুবিধা গ্রহণ ছাড়া চাকরি ছেড়ে দেয়া অথবা প্রতিদিন ‘শেভ’ করতে থাকা। দয়া করে আমাকে বলুন, কোনটা করা আমার জন্য সঠিক? আমাকে কি চাকরি ছেড়ে দেয়া উচিত?”

এর জবাবে দারুল উলুম দেওবন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যদি আপনার আর্থিক অবস্থা মজবুত হয় এবং আপনি চাকরি ছেড়ে দিয়েও সংসার চালাতে সক্ষম হন তাহলে কোনও চিন্তা না করে চাকরি ছেড়ে দিন। কিন্তু উপার্জনের অন্য কোনও উৎস না থাকলে আপনি ওই কাজ করতে থাকুন এবং আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকুন। এর পাশাপাশি আপনি অন্য কোনও চাকরি খুঁজে নিন।”

দারুল উলুম মাদ্রাসার উপাচার্য মৌলানা মুফতি আবুল কাশেম নোমানী বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। -কলকাতা২৪।