ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাত দাড়ি রাখতে না দিলে চাকরি ছেড়ে অন্য কাজ খুঁজুন: দারুল উলুম দেওবন্দ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৬৭ বার

গালে দাড়ি গজানোর আগেই যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীতে। তিনি ধার্মিক থাকলেও দাড়ি রাখা সম্ভব হচ্ছে না সেনাবাহিনীর এই মুসলিম কর্মকর্তার। এমতাবস্থায় উপায় খুঁজতে দেওবন্দের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাড়ি রাখাতে না পারলে সেই চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলে জানিয়েছে উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রসা।

বিমান বাহিনীতে চাকরির জন্য যদি দাড়ি বাড়াতে না দেওয়া হয় তাহলে ওই চাকরি দ্রুত ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে দেওবন্দ। একইসঙ্গে তাদের যুক্তি- নতুন চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত ওই যতবার ‘শেভ’ করতে হবে ততবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা

করা উচিত ওই সেনার।

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় চিঠি লিখেছিলেন ওই সেনাকর্তা। তিনি লিখেছিলেন, “আমি যে বয়সে বিমান বাহিনীতে যোগ দিই সেইসময় আমার দাড়ি হয় নি। এখানে আমার কাজের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয় এই কাজের সুবাদেই আমি বেশি করে ইসলামের কাছাকাছি আসতে পেরেছি। আমি অনেক জায়গা সফর করেছি এবং বিভিন্ন ধরণের লোকেদের সংস্পর্শে এসেছি। এখন আমি দাড়ি রাখতে চাই কিন্তু এয়ারফোর্স আমাকে এর অনুমতি দেয় না। আমাকে প্রত্যেক দিন ‘শেভ’ করে যেতে হয়। এমতাবস্থায় আমার কাছে দুটি পথ। কোনও সুযোগ সুবিধা গ্রহণ ছাড়া চাকরি ছেড়ে দেয়া অথবা প্রতিদিন ‘শেভ’ করতে থাকা। দয়া করে আমাকে বলুন, কোনটা করা আমার জন্য সঠিক? আমাকে কি চাকরি ছেড়ে দেয়া উচিত?”

এর জবাবে দারুল উলুম দেওবন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যদি আপনার আর্থিক অবস্থা মজবুত হয় এবং আপনি চাকরি ছেড়ে দিয়েও সংসার চালাতে সক্ষম হন তাহলে কোনও চিন্তা না করে চাকরি ছেড়ে দিন। কিন্তু উপার্জনের অন্য কোনও উৎস না থাকলে আপনি ওই কাজ করতে থাকুন এবং আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকুন। এর পাশাপাশি আপনি অন্য কোনও চাকরি খুঁজে নিন।”

দারুল উলুম মাদ্রাসার উপাচার্য মৌলানা মুফতি আবুল কাশেম নোমানী বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। -কলকাতা২৪।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাত দাড়ি রাখতে না দিলে চাকরি ছেড়ে অন্য কাজ খুঁজুন: দারুল উলুম দেওবন্দ

আপডেট টাইম : ১০:০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬

গালে দাড়ি গজানোর আগেই যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীতে। তিনি ধার্মিক থাকলেও দাড়ি রাখা সম্ভব হচ্ছে না সেনাবাহিনীর এই মুসলিম কর্মকর্তার। এমতাবস্থায় উপায় খুঁজতে দেওবন্দের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাড়ি রাখাতে না পারলে সেই চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলে জানিয়েছে উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রসা।

বিমান বাহিনীতে চাকরির জন্য যদি দাড়ি বাড়াতে না দেওয়া হয় তাহলে ওই চাকরি দ্রুত ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে দেওবন্দ। একইসঙ্গে তাদের যুক্তি- নতুন চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত ওই যতবার ‘শেভ’ করতে হবে ততবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা

করা উচিত ওই সেনার।

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় চিঠি লিখেছিলেন ওই সেনাকর্তা। তিনি লিখেছিলেন, “আমি যে বয়সে বিমান বাহিনীতে যোগ দিই সেইসময় আমার দাড়ি হয় নি। এখানে আমার কাজের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয় এই কাজের সুবাদেই আমি বেশি করে ইসলামের কাছাকাছি আসতে পেরেছি। আমি অনেক জায়গা সফর করেছি এবং বিভিন্ন ধরণের লোকেদের সংস্পর্শে এসেছি। এখন আমি দাড়ি রাখতে চাই কিন্তু এয়ারফোর্স আমাকে এর অনুমতি দেয় না। আমাকে প্রত্যেক দিন ‘শেভ’ করে যেতে হয়। এমতাবস্থায় আমার কাছে দুটি পথ। কোনও সুযোগ সুবিধা গ্রহণ ছাড়া চাকরি ছেড়ে দেয়া অথবা প্রতিদিন ‘শেভ’ করতে থাকা। দয়া করে আমাকে বলুন, কোনটা করা আমার জন্য সঠিক? আমাকে কি চাকরি ছেড়ে দেয়া উচিত?”

এর জবাবে দারুল উলুম দেওবন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়, “যদি আপনার আর্থিক অবস্থা মজবুত হয় এবং আপনি চাকরি ছেড়ে দিয়েও সংসার চালাতে সক্ষম হন তাহলে কোনও চিন্তা না করে চাকরি ছেড়ে দিন। কিন্তু উপার্জনের অন্য কোনও উৎস না থাকলে আপনি ওই কাজ করতে থাকুন এবং আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকুন। এর পাশাপাশি আপনি অন্য কোনও চাকরি খুঁজে নিন।”

দারুল উলুম মাদ্রাসার উপাচার্য মৌলানা মুফতি আবুল কাশেম নোমানী বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। -কলকাতা২৪।