ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ’ আসামি জামিন নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশংকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১১১ বার

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সম্প্রতি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী জাকারিয়া বিন হোসেন গত ২৬ ডিসেম্বর  ২০২৪ তারিখে তার বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় দায়ের করা মামলা নং ২৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কৃত ব্যক্তির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা তদন্ত শেষ না হতেই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান। এতে ভুক্তভোগী নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে জানান তিনি । বাদী’র নাম সামাজিক কারণে উল্লেখ করা হলো না।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ আসামি জাকারিয়া দীর্ঘদিন বাদীর সাথে প্রেম করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও এখন আর তাকে বিয়ে করবেন না । আর তাই এর প্রতিকার চাইতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই নারী।

গত ১৩ই জানুয়ারি ঢাকার মালিবাগ সিআইডি অফিসে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষা করার জন্য আসামীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেন। নারীর অভিযোগ জানা যায়, আসামির এক আত্মীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রভাব খাটিয়ে  ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি পেতে সাহায্য করেন।

এ ধরনের ধর্ষণের মামলা বাংলাদেশে নতুন না। প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর উঠে আসে। কিন্তু বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করায় তার বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ’ আসামি জামিন নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশংকা

আপডেট টাইম : ০১:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সম্প্রতি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী জাকারিয়া বিন হোসেন গত ২৬ ডিসেম্বর  ২০২৪ তারিখে তার বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় দায়ের করা মামলা নং ২৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার কৃত ব্যক্তির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা তদন্ত শেষ না হতেই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান। এতে ভুক্তভোগী নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে জানান তিনি । বাদী’র নাম সামাজিক কারণে উল্লেখ করা হলো না।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ আসামি জাকারিয়া দীর্ঘদিন বাদীর সাথে প্রেম করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও এখন আর তাকে বিয়ে করবেন না । আর তাই এর প্রতিকার চাইতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই নারী।

গত ১৩ই জানুয়ারি ঢাকার মালিবাগ সিআইডি অফিসে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষা করার জন্য আসামীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেন। নারীর অভিযোগ জানা যায়, আসামির এক আত্মীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রভাব খাটিয়ে  ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি পেতে সাহায্য করেন।

এ ধরনের ধর্ষণের মামলা বাংলাদেশে নতুন না। প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংক্রান্ত খবর উঠে আসে। কিন্তু বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করায় তার বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানান।