ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আতিক, পলক ও সাদেক ফের রিমান্ডে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৪২ বার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যা মামলায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অন্যদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক এমপি সাদেক খান ও সাবেক কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াক রিমান্ডের আদেশ দেন।

মোহাম্মদপুর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধীতা করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই মোহাম্মদ পুর থানাধীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যান চালক ইনছান আলী ভ্যান নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা গত বছর ১৩ নভেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ২৬৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সাবেক মেয়র আতিকের মামলার তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশের উত্তরা জোনাল টিম তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধীতা করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ছাত্র জনতার সঙ্গে গত ৫ আগস্ট অংশ নেন মো. ফজলুল করিম। বিকেলে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রাতে আইসিইউতে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন আয়নাল গত বছর ২১ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা করেন।

গত বছর ১৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে আতিককে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। পরদিন পৃথক তিন হত্যা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আতিক, পলক ও সাদেক ফের রিমান্ডে

আপডেট টাইম : ০৭:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যা মামলায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অন্যদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক এমপি সাদেক খান ও সাবেক কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াক রিমান্ডের আদেশ দেন।

মোহাম্মদপুর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধীতা করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই মোহাম্মদ পুর থানাধীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যান চালক ইনছান আলী ভ্যান নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা গত বছর ১৩ নভেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ২৬৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সাবেক মেয়র আতিকের মামলার তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশের উত্তরা জোনাল টিম তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধীতা করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ছাত্র জনতার সঙ্গে গত ৫ আগস্ট অংশ নেন মো. ফজলুল করিম। বিকেলে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রাতে আইসিইউতে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন আয়নাল গত বছর ২১ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা করেন।

গত বছর ১৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে আতিককে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। পরদিন পৃথক তিন হত্যা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।