ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমি সমবেদনা জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১০০ বার

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকার ও বাইক দুমড়ে-মুচড়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। গতকাল শুক্রবার সকালে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনায় এক বাইকারের স্ত্রী আর সাত বছরের সন্তান নিহত হয়েছে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় সেই বাইকার।

এ ঘটনায় মর্মাহত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও। দুর্ঘটনার একটি ছবি নেটদুনিয়ায় শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমি এই বাবার প্রতি সমবেদনা জানানোর কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। নিজের প্রিয়জনকে চোখের সামনে মরতে দেখা মানে, নিজের ভেতরেও একটা অংশ মরে যাওয়া।’

মেহজাবীনের কথায়, ‘এই মানুষটা হয়ত এখন জীবিত, কিন্তু তার ভেতরটা তার পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে ইতিমধ্যেই মারা গেছে। আল্লাহ তাকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন। রাস্তাগুলো কখনোই নিরাপদ নয়।’

সবশেষে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘সারা বছর ধরে অসংখ্য ঘটনা ঘটে যা অবহেলার পরিচয় দেয় কিন্তু এই ধরনের উদাসীনতা থামানোর জন্য কিছুই কার্যকর হচ্ছে না। যতদিন না বড় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ততদিন এটা প্রতিদিন শোনা, পড়া, অনুভব করা এবং ভুলে যাওয়া গল্প হয়েই থেকে যাবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমি সমবেদনা জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না

আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকার ও বাইক দুমড়ে-মুচড়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। গতকাল শুক্রবার সকালে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনায় এক বাইকারের স্ত্রী আর সাত বছরের সন্তান নিহত হয়েছে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় সেই বাইকার।

এ ঘটনায় মর্মাহত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও। দুর্ঘটনার একটি ছবি নেটদুনিয়ায় শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমি এই বাবার প্রতি সমবেদনা জানানোর কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। নিজের প্রিয়জনকে চোখের সামনে মরতে দেখা মানে, নিজের ভেতরেও একটা অংশ মরে যাওয়া।’

মেহজাবীনের কথায়, ‘এই মানুষটা হয়ত এখন জীবিত, কিন্তু তার ভেতরটা তার পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে ইতিমধ্যেই মারা গেছে। আল্লাহ তাকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন। রাস্তাগুলো কখনোই নিরাপদ নয়।’

সবশেষে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘সারা বছর ধরে অসংখ্য ঘটনা ঘটে যা অবহেলার পরিচয় দেয় কিন্তু এই ধরনের উদাসীনতা থামানোর জন্য কিছুই কার্যকর হচ্ছে না। যতদিন না বড় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ততদিন এটা প্রতিদিন শোনা, পড়া, অনুভব করা এবং ভুলে যাওয়া গল্প হয়েই থেকে যাবে।’