ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

থিম্পুতে চার দেশের সড়ক যোগাযোগ চুক্তি স্বাক্ষর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০১৫
  • ৪৬৮ বার
বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চুক্তিতে স্বাক্ষর  করেন।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, বেলা ১২টার দিকে চার দেশের মন্ত্রীরা প্রতিবেশী চার দেশে সড়ক পরিবহনের একটি রূপরেখায় স্বাক্ষর করেন।

আজ সোমবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় চুক্তিটি অনুমোদন হয়।

দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের আওতায় এই চুক্তির প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের আপত্তির কারণে আঞ্চলিক পর্যায়ে চুক্তিটি সই হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় চার জাতির মধ্যে এই চুক্তি হচ্ছে। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তিতে তৃতীয় দেশে চলাচলের সুযোগ রাখায় মোটরযান চুক্তি ট্রানজিট সুবিধাকে অবারিত করবে।

জানা গেছে, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার এই চুক্তিতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এই চুক্তির ফলে কানেকটিভিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হবে।

জানা গেছে, এ চুক্তির পর চলাচলের পথের সমীক্ষা, পরীক্ষামূলক চলাচল ও অভিবাসন-সুবিধা পর্যালোচনা করে আগামী বছরের শুরুতে চার দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তির অধীনে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি চলতে পারবে। শুল্ক ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে নিজ নিজ দেশের আইনে। তবে ট্রানজিট ও চলাচলের অনুমতিসংক্রান্ত ফি নির্ধারণ আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।

খসড়া চুক্তি অনুসারে, যানবাহনের বৈধ মালিকানা, ফিটনেস ও ইনস্যুরেন্সের হালনাগাদ দলিল থাকতে হবে। চালকের স্থানীয় কিংবা আন্তর্জাতিক যে কোনো এক ধরনের লাইসেন্স থাকলেই চলবে। আর যাত্রীর থাকতে হবে বৈধ ভ্রমণ দলিল। তবে গাড়িতে নিষিদ্ধ কিংবা তালিকাভুক্ত স্পর্শকাতর মালামাল বহন করা যাবে না। ব্যক্তিগত, যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফরম পূরণ করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত যানের দীর্ঘমেয়াদি অনুমোদন লাগবে। আর ব্যক্তিগত গাড়ির অনুমতি হবে সাময়িক এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দিতে পারবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

থিম্পুতে চার দেশের সড়ক যোগাযোগ চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০১৫
বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চুক্তিতে স্বাক্ষর  করেন।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, বেলা ১২টার দিকে চার দেশের মন্ত্রীরা প্রতিবেশী চার দেশে সড়ক পরিবহনের একটি রূপরেখায় স্বাক্ষর করেন।

আজ সোমবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় চুক্তিটি অনুমোদন হয়।

দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের আওতায় এই চুক্তির প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের আপত্তির কারণে আঞ্চলিক পর্যায়ে চুক্তিটি সই হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আওতায় চার জাতির মধ্যে এই চুক্তি হচ্ছে। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তিতে তৃতীয় দেশে চলাচলের সুযোগ রাখায় মোটরযান চুক্তি ট্রানজিট সুবিধাকে অবারিত করবে।

জানা গেছে, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার এই চুক্তিতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এই চুক্তির ফলে কানেকটিভিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হবে।

জানা গেছে, এ চুক্তির পর চলাচলের পথের সমীক্ষা, পরীক্ষামূলক চলাচল ও অভিবাসন-সুবিধা পর্যালোচনা করে আগামী বছরের শুরুতে চার দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তির অধীনে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি চলতে পারবে। শুল্ক ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে নিজ নিজ দেশের আইনে। তবে ট্রানজিট ও চলাচলের অনুমতিসংক্রান্ত ফি নির্ধারণ আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।

খসড়া চুক্তি অনুসারে, যানবাহনের বৈধ মালিকানা, ফিটনেস ও ইনস্যুরেন্সের হালনাগাদ দলিল থাকতে হবে। চালকের স্থানীয় কিংবা আন্তর্জাতিক যে কোনো এক ধরনের লাইসেন্স থাকলেই চলবে। আর যাত্রীর থাকতে হবে বৈধ ভ্রমণ দলিল। তবে গাড়িতে নিষিদ্ধ কিংবা তালিকাভুক্ত স্পর্শকাতর মালামাল বহন করা যাবে না। ব্যক্তিগত, যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফরম পূরণ করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত যানের দীর্ঘমেয়াদি অনুমোদন লাগবে। আর ব্যক্তিগত গাড়ির অনুমতি হবে সাময়িক এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দিতে পারবে।