ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

দিবস ঘিরে লাভের আশায় ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২১০ বার
বছরজুড়েই দেশে ফুলের চাহিদা থাকে। নানা রকম ফুলের ঘ্রাণ আর সৌন্দর্য যুগ যুগ ধরেই মানবিক চাওয়াকে মাতিয়ে রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে পুরো ফেব্রুয়ারি মাসটিই যেন ফুলের মাস। পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে মাসজুড়েই ফুলের চাহিদা থাকে।

তাই এ মাসটি ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের জন্যও ভালো আয়ের একটি মৌসুম। 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফুলচাষিরা ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ফুল তুলেছেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন কম হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা। রূপগঞ্জের ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকাজুড়ে আবাদ করা হয়েছে নানা জাতের ফুল।

গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, বেলি, সূর্যমুখী, চন্দ্রমল্লিকা, চেরি, টগর, রঙ্গন, কাঠগোলাপ, মোরগঝুঁটি, কাঠমালতী, জিপসিসহ নানা জাতের ফুল। সকালে ফুলের সৌরভে চারদিক ম-ম করে। হালকা বাতাস এই গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে আশপাশের এলাকায়। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকার ফুলচাষিরা বেশ কিছু জমিতে ফুল চাষ করেছেন।

এক দশক আগেও এখানে ধান, আলু, মরিচ, মুলা, বেগুনসহ প্রচলিত মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে সীমাবদ্ধ ছিল তাঁদের কৃষি কার্যক্রম। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। চাষিরা এখন জমির পর জমিজুড়ে আবাদ করছেন নানা জাতের ফুল। চাষিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। কিন্তু এ বছর এক মাস আগে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা।
কথা হয় মাসুমাবাদ মিয়াবাড়ি এলাকার ফুলচাষি নাঈম মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা শেষে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়াই ২০ শতাংশ জমিতে ফুলের চাষ করেন তিনি। এ বছর প্রায় আট বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। দুই বিঘা জমিতে কাঠবেলি, এক বিঘা জমিতে চেরি, দুই বিঘা জমিতে গাঁদা, এক বিঘা জমিতে আলমেন্দা ফুল চাষ করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

দিবস ঘিরে লাভের আশায় ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট টাইম : ১০:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
বছরজুড়েই দেশে ফুলের চাহিদা থাকে। নানা রকম ফুলের ঘ্রাণ আর সৌন্দর্য যুগ যুগ ধরেই মানবিক চাওয়াকে মাতিয়ে রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে পুরো ফেব্রুয়ারি মাসটিই যেন ফুলের মাস। পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে মাসজুড়েই ফুলের চাহিদা থাকে।

তাই এ মাসটি ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের জন্যও ভালো আয়ের একটি মৌসুম। 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফুলচাষিরা ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ফুল তুলেছেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন কম হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা। রূপগঞ্জের ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকাজুড়ে আবাদ করা হয়েছে নানা জাতের ফুল।

গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, বেলি, সূর্যমুখী, চন্দ্রমল্লিকা, চেরি, টগর, রঙ্গন, কাঠগোলাপ, মোরগঝুঁটি, কাঠমালতী, জিপসিসহ নানা জাতের ফুল। সকালে ফুলের সৌরভে চারদিক ম-ম করে। হালকা বাতাস এই গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে আশপাশের এলাকায়। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকার ফুলচাষিরা বেশ কিছু জমিতে ফুল চাষ করেছেন।

এক দশক আগেও এখানে ধান, আলু, মরিচ, মুলা, বেগুনসহ প্রচলিত মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে সীমাবদ্ধ ছিল তাঁদের কৃষি কার্যক্রম। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। চাষিরা এখন জমির পর জমিজুড়ে আবাদ করছেন নানা জাতের ফুল। চাষিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। কিন্তু এ বছর এক মাস আগে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা।
কথা হয় মাসুমাবাদ মিয়াবাড়ি এলাকার ফুলচাষি নাঈম মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা শেষে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়াই ২০ শতাংশ জমিতে ফুলের চাষ করেন তিনি। এ বছর প্রায় আট বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। দুই বিঘা জমিতে কাঠবেলি, এক বিঘা জমিতে চেরি, দুই বিঘা জমিতে গাঁদা, এক বিঘা জমিতে আলমেন্দা ফুল চাষ করেছেন।