ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

দিবস ঘিরে লাভের আশায় ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৯১ বার
বছরজুড়েই দেশে ফুলের চাহিদা থাকে। নানা রকম ফুলের ঘ্রাণ আর সৌন্দর্য যুগ যুগ ধরেই মানবিক চাওয়াকে মাতিয়ে রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে পুরো ফেব্রুয়ারি মাসটিই যেন ফুলের মাস। পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে মাসজুড়েই ফুলের চাহিদা থাকে।

তাই এ মাসটি ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের জন্যও ভালো আয়ের একটি মৌসুম। 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফুলচাষিরা ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ফুল তুলেছেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন কম হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা। রূপগঞ্জের ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকাজুড়ে আবাদ করা হয়েছে নানা জাতের ফুল।

গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, বেলি, সূর্যমুখী, চন্দ্রমল্লিকা, চেরি, টগর, রঙ্গন, কাঠগোলাপ, মোরগঝুঁটি, কাঠমালতী, জিপসিসহ নানা জাতের ফুল। সকালে ফুলের সৌরভে চারদিক ম-ম করে। হালকা বাতাস এই গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে আশপাশের এলাকায়। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকার ফুলচাষিরা বেশ কিছু জমিতে ফুল চাষ করেছেন।

এক দশক আগেও এখানে ধান, আলু, মরিচ, মুলা, বেগুনসহ প্রচলিত মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে সীমাবদ্ধ ছিল তাঁদের কৃষি কার্যক্রম। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। চাষিরা এখন জমির পর জমিজুড়ে আবাদ করছেন নানা জাতের ফুল। চাষিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। কিন্তু এ বছর এক মাস আগে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা।
কথা হয় মাসুমাবাদ মিয়াবাড়ি এলাকার ফুলচাষি নাঈম মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা শেষে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়াই ২০ শতাংশ জমিতে ফুলের চাষ করেন তিনি। এ বছর প্রায় আট বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। দুই বিঘা জমিতে কাঠবেলি, এক বিঘা জমিতে চেরি, দুই বিঘা জমিতে গাঁদা, এক বিঘা জমিতে আলমেন্দা ফুল চাষ করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

দিবস ঘিরে লাভের আশায় ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট টাইম : ১০:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
বছরজুড়েই দেশে ফুলের চাহিদা থাকে। নানা রকম ফুলের ঘ্রাণ আর সৌন্দর্য যুগ যুগ ধরেই মানবিক চাওয়াকে মাতিয়ে রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে পুরো ফেব্রুয়ারি মাসটিই যেন ফুলের মাস। পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে মাসজুড়েই ফুলের চাহিদা থাকে।

তাই এ মাসটি ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের জন্যও ভালো আয়ের একটি মৌসুম। 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফুলচাষিরা ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ফুল তুলেছেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন কম হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা। রূপগঞ্জের ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকাজুড়ে আবাদ করা হয়েছে নানা জাতের ফুল।

গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, বেলি, সূর্যমুখী, চন্দ্রমল্লিকা, চেরি, টগর, রঙ্গন, কাঠগোলাপ, মোরগঝুঁটি, কাঠমালতী, জিপসিসহ নানা জাতের ফুল। সকালে ফুলের সৌরভে চারদিক ম-ম করে। হালকা বাতাস এই গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে আশপাশের এলাকায়। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাবো ও মাসুমাবাদ এলাকার ফুলচাষিরা বেশ কিছু জমিতে ফুল চাষ করেছেন।

এক দশক আগেও এখানে ধান, আলু, মরিচ, মুলা, বেগুনসহ প্রচলিত মৌসুমি ফসলের চাষাবাদে সীমাবদ্ধ ছিল তাঁদের কৃষি কার্যক্রম। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। চাষিরা এখন জমির পর জমিজুড়ে আবাদ করছেন নানা জাতের ফুল। চাষিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। কিন্তু এ বছর এক মাস আগে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ফুলের ফলন খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ফুলচাষিরা।
কথা হয় মাসুমাবাদ মিয়াবাড়ি এলাকার ফুলচাষি নাঈম মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৮৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা শেষে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়াই ২০ শতাংশ জমিতে ফুলের চাষ করেন তিনি। এ বছর প্রায় আট বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। দুই বিঘা জমিতে কাঠবেলি, এক বিঘা জমিতে চেরি, দুই বিঘা জমিতে গাঁদা, এক বিঘা জমিতে আলমেন্দা ফুল চাষ করেছেন।