ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঘোড়াশালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৯ মাস পর উৎপাদন শুরু স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা কুমিল্লায় দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা দেবে রেল কর্তৃপক্ষ মহাসড়কের ওপর দিয়ে যাওয়া রেলক্রসিংগুলোতে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হবে হরমুজে হামলা হলে আঞ্চলিক জ্বালানি-বিদ্যুৎ অবকাঠামো গুড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের হাদি হত্যা: আরও ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ফয়সাল ও আলমগীর তারকাদের ঈদ সাজ হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেস্ট চ্যাটস’ ফিচার, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে মেসেজ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার : ডেপুটি স্পিকার

জমি খালি রাখলে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৪৭ বার

জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আব্দুস শহীদ। আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ‘কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সঙ্গে থাকব। লক্ষ্য একটাই- কোনো জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।’

উপস্থিত চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাড়ির আঙিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করলার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাকসবজি লাগান; এতে নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।’

আব্দুস শহীদ বলেন, ‘সব মানুষের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালোবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।’

চা-শ্রমিকের উদ্দেশে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনারা ভোট দিয়ে সাতবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরও উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোনো মূল্য নাই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি- কোনো কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।’

পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘোড়াশালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৯ মাস পর উৎপাদন শুরু

জমি খালি রাখলে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আব্দুস শহীদ। আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ‘কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সঙ্গে থাকব। লক্ষ্য একটাই- কোনো জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।’

উপস্থিত চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাড়ির আঙিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করলার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাকসবজি লাগান; এতে নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।’

আব্দুস শহীদ বলেন, ‘সব মানুষের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালোবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।’

চা-শ্রমিকের উদ্দেশে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনারা ভোট দিয়ে সাতবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরও উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোনো মূল্য নাই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি- কোনো কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।’

পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।