ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

বাংলা এবং তেলুগু ছবিতে খলনায়ক যিশু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩
  • ১২২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূজায় পশ্চিম বাংলায় মুক্তি পেয়েছে যিশু অভিনীত ‘দশম অবতার’। অন্য দিকে, ভারত জুড়ে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত দক্ষিণী ছবি ‘টাইগার নাগেশ্বর রাও’। উল্লেখ্য, উভয় ছবিতেই তিনি খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘দশম…’ নিয়ে বাঙালি দর্শকের উন্মাদনা থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতেও যিশু নিজের পৃথক অনুরাগী বৃত্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তাই ‘টাইগার…’ নিয়ে দক্ষিণেও শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। দুটি ছবিতেই অভিনেতা ভিন্ন অবতারে ধরা দিয়েছেন। কিন্তু অভিনেতার কোন ‘অবতার’ এগিয়ে থাকল?

সৃজিতের ছবিতে তারকার ভিড়। পাশাপাশি থ্রিলারের আবহে পরিচালকের টানটান চিত্রনাট্য ছবিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের মতো ডাকসাইটে দুই পুলিশ অফিসারের বিপরীতে পরিচালক হয়তো বুদ্ধি করেই এক জন শান্ত অথচ বুদ্ধিদীপ্ত খলনায়ককে চেয়েছিলেন। সেই চরিত্রে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছেন যিশু। গল্পে বিষ্ণুর দশাবতারকে মাথায় রেখে একের পর এক খুন। খুনের পর খুনী আবার সূত্র রেখে যায়। রহস্যের সমাধান করতে নাস্তানাবুদ হতে হয় প্রবীর রায়চৌধুরী এবং বিজয় পোদ্দার জুটিকে। এক মাথা চুল, চোখে চশমা নিয়ে চরিত্রটি শান্ত অথচ প্রখর বুদ্ধির অধিকারী। বলা যায়, কচ্ছপের গতিতেই রেসে এগিয়ে গিয়েছে বিশ্বরূপ (ছবিতে যিশুর চরিত্র)। অপরাধ করেও ছবির শেষে চরিত্রটি দর্শকদের সহানুভূতি আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছে।

‘টাইগার নাগেশ্বর রাও’ দক্ষিণী ছবি। সত্তরের দশকের অন্ধ্রপ্রদেশের এক দুর্ধর্ষ ডাকাতকে ঘিরে বিভিন্ন জনশ্রুতি অবলম্বনে তৈরি। নামভূমিকায় তেলুগু সুপারস্টার রবি তেজা। পর্দায় শুরু থেকে শেষ, তাঁরই উপস্থিতি। সেখানে রয়েছে একাধিক খল চরিত্র, যার মধ্যে যিশু অভিনীত পুলিশ অফিসার মৌলি অন্যতম। প্রায় তিন ঘণ্টার ছবি। কিন্তু ‘দশম…’-এর তুলনায় এই ছবিতে যিশুর উপস্থিতি বেশ কম। ছবির প্রথমার্ধে চরিত্রটির সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তার পর চিত্রনাট্যের খাতিরে মৌলিকে দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

‘টাইগার…’-এ যিশুর লুক কিন্তু আকর্ষণীয়। তেলা মাথায় সিঁথি কাটা চুল। ডান চোখটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কপাল থেকে গাল পর্যন্ত নেমে এসেছে গভীর ক্ষতচিহ্ন। তবে পর্দায় তাঁকে দেখলে যতটা ভয় লাগবে, সংলাপ বা চিত্রনাট্যে কিন্তু তা ঘটেনি। তুলনায় ‘দশম…’ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

বাংলা এবং তেলুগু ছবিতে খলনায়ক যিশু

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূজায় পশ্চিম বাংলায় মুক্তি পেয়েছে যিশু অভিনীত ‘দশম অবতার’। অন্য দিকে, ভারত জুড়ে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত দক্ষিণী ছবি ‘টাইগার নাগেশ্বর রাও’। উল্লেখ্য, উভয় ছবিতেই তিনি খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘দশম…’ নিয়ে বাঙালি দর্শকের উন্মাদনা থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতেও যিশু নিজের পৃথক অনুরাগী বৃত্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তাই ‘টাইগার…’ নিয়ে দক্ষিণেও শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। দুটি ছবিতেই অভিনেতা ভিন্ন অবতারে ধরা দিয়েছেন। কিন্তু অভিনেতার কোন ‘অবতার’ এগিয়ে থাকল?

সৃজিতের ছবিতে তারকার ভিড়। পাশাপাশি থ্রিলারের আবহে পরিচালকের টানটান চিত্রনাট্য ছবিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের মতো ডাকসাইটে দুই পুলিশ অফিসারের বিপরীতে পরিচালক হয়তো বুদ্ধি করেই এক জন শান্ত অথচ বুদ্ধিদীপ্ত খলনায়ককে চেয়েছিলেন। সেই চরিত্রে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছেন যিশু। গল্পে বিষ্ণুর দশাবতারকে মাথায় রেখে একের পর এক খুন। খুনের পর খুনী আবার সূত্র রেখে যায়। রহস্যের সমাধান করতে নাস্তানাবুদ হতে হয় প্রবীর রায়চৌধুরী এবং বিজয় পোদ্দার জুটিকে। এক মাথা চুল, চোখে চশমা নিয়ে চরিত্রটি শান্ত অথচ প্রখর বুদ্ধির অধিকারী। বলা যায়, কচ্ছপের গতিতেই রেসে এগিয়ে গিয়েছে বিশ্বরূপ (ছবিতে যিশুর চরিত্র)। অপরাধ করেও ছবির শেষে চরিত্রটি দর্শকদের সহানুভূতি আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছে।

‘টাইগার নাগেশ্বর রাও’ দক্ষিণী ছবি। সত্তরের দশকের অন্ধ্রপ্রদেশের এক দুর্ধর্ষ ডাকাতকে ঘিরে বিভিন্ন জনশ্রুতি অবলম্বনে তৈরি। নামভূমিকায় তেলুগু সুপারস্টার রবি তেজা। পর্দায় শুরু থেকে শেষ, তাঁরই উপস্থিতি। সেখানে রয়েছে একাধিক খল চরিত্র, যার মধ্যে যিশু অভিনীত পুলিশ অফিসার মৌলি অন্যতম। প্রায় তিন ঘণ্টার ছবি। কিন্তু ‘দশম…’-এর তুলনায় এই ছবিতে যিশুর উপস্থিতি বেশ কম। ছবির প্রথমার্ধে চরিত্রটির সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তার পর চিত্রনাট্যের খাতিরে মৌলিকে দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

‘টাইগার…’-এ যিশুর লুক কিন্তু আকর্ষণীয়। তেলা মাথায় সিঁথি কাটা চুল। ডান চোখটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কপাল থেকে গাল পর্যন্ত নেমে এসেছে গভীর ক্ষতচিহ্ন। তবে পর্দায় তাঁকে দেখলে যতটা ভয় লাগবে, সংলাপ বা চিত্রনাট্যে কিন্তু তা ঘটেনি। তুলনায় ‘দশম…’ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।