ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মদনে এমপিও ভুক্ত কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন তাকলেও নেই শিক্ষক, ছাত্র- ছাত্রী 

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩
  • ৬৫ বার
মদন(নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেই ছাত্র, নেই শিক্ষক, কিন্তু উড়ছে জাতীয় পতাকা।
নেত্রকোণা মদন উপজেলায় শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াই চলছে এমপিও ভুক্ত জনতা কারিগরি ও বানিজ্য কলেজ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
গত বরিবার (১২ই মার্চ) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজটিতে একটি প্লাস্টিকের পাইপের মধ্যে জাতীয় পতাকা টানানো আছে কিন্তু অধ্যক্ষের রুমসহ সকল ক্লাস রুম তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। কয়েক ঘন্টা অবস্থান করলেও শিক্ষক কিংবা ছাত্র-ছাত্রীদের কাউকেই দেখতে পাওয়া যায়নি।
খুঁজ নিয়ে জানা যায়, কলেজটি ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। যা পরবর্তীতে মদন বাজারে  একটি ভাড়া বাসায় থাকাকালীন সময় ২০১৫ সালে এমপিও ভুক্ত হয়েছে। যার বর্তমান অবস্থান ফতেপুর ইউনিয়নের হাসনপুর গ্রামে থাকলেও কলেজের নেই কোন কার্যক্রম।
স্থানীয় কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা এখানে শুধু কলেজটাই দেখেছি কিন্তু কোনো দিন শিক্ষক বা ছাত্র ছাত্রী দেখিনি।তারা আরো জানান, আমরা চাই কলেজটা যেনো খুব তাড়াতাড়ি চালো হয় এবং আমাদের ছেলে মেয়েরা যেনো সুন্দর ভাবে পড়াশোনা করে মানুষ এর মত মানুষ হতে পারে।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি বলেন, কলেজের ক্লাস সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য অধ্যক্ষের সাথে কয়েবার কথা বলেছি। কিন্তু তিনি আমার কথার কোনো কর্ণপাত করেননি। তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করেছি।
কলেজ অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খান এর কাছে  কলেজে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী না থাকায় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জানতে চাইলে তিনি বলেন, কলেজে শিক্ষক ছিল কিন্তু এখন হয় তো খাইতে গেছে,এটা কারিগরি কলেজ তো তাই ছাত্র ছাত্রী  তেমন আসে না আর জাতীয় পতাকা থাকার বিষয় টি তিনি একে বারেই এড়িয়ে যান।
তথ্য সংগ্রহের জন্য সাংবাদিক ইমরান অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খানের সাথে ফোনে কথা বলার পর মন্জুরুল হক নামের এক ব্যক্তি দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ইমরানকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত ব্যক্তি নাভানা ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করেন। পাশাপাশি ঐ কলেজে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা শাহরীন বলেন, আমি গত বৃহস্পতিবার গভর্নিং বডির মিটিংয়ে অধ্যক্ষকে সুন্দর ভাবে কলেজ পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মদনে এমপিও ভুক্ত কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন তাকলেও নেই শিক্ষক, ছাত্র- ছাত্রী 

আপডেট টাইম : ০৯:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩
মদন(নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেই ছাত্র, নেই শিক্ষক, কিন্তু উড়ছে জাতীয় পতাকা।
নেত্রকোণা মদন উপজেলায় শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াই চলছে এমপিও ভুক্ত জনতা কারিগরি ও বানিজ্য কলেজ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
গত বরিবার (১২ই মার্চ) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজটিতে একটি প্লাস্টিকের পাইপের মধ্যে জাতীয় পতাকা টানানো আছে কিন্তু অধ্যক্ষের রুমসহ সকল ক্লাস রুম তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। কয়েক ঘন্টা অবস্থান করলেও শিক্ষক কিংবা ছাত্র-ছাত্রীদের কাউকেই দেখতে পাওয়া যায়নি।
খুঁজ নিয়ে জানা যায়, কলেজটি ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। যা পরবর্তীতে মদন বাজারে  একটি ভাড়া বাসায় থাকাকালীন সময় ২০১৫ সালে এমপিও ভুক্ত হয়েছে। যার বর্তমান অবস্থান ফতেপুর ইউনিয়নের হাসনপুর গ্রামে থাকলেও কলেজের নেই কোন কার্যক্রম।
স্থানীয় কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা এখানে শুধু কলেজটাই দেখেছি কিন্তু কোনো দিন শিক্ষক বা ছাত্র ছাত্রী দেখিনি।তারা আরো জানান, আমরা চাই কলেজটা যেনো খুব তাড়াতাড়ি চালো হয় এবং আমাদের ছেলে মেয়েরা যেনো সুন্দর ভাবে পড়াশোনা করে মানুষ এর মত মানুষ হতে পারে।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি বলেন, কলেজের ক্লাস সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য অধ্যক্ষের সাথে কয়েবার কথা বলেছি। কিন্তু তিনি আমার কথার কোনো কর্ণপাত করেননি। তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করেছি।
কলেজ অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খান এর কাছে  কলেজে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী না থাকায় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জানতে চাইলে তিনি বলেন, কলেজে শিক্ষক ছিল কিন্তু এখন হয় তো খাইতে গেছে,এটা কারিগরি কলেজ তো তাই ছাত্র ছাত্রী  তেমন আসে না আর জাতীয় পতাকা থাকার বিষয় টি তিনি একে বারেই এড়িয়ে যান।
তথ্য সংগ্রহের জন্য সাংবাদিক ইমরান অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খানের সাথে ফোনে কথা বলার পর মন্জুরুল হক নামের এক ব্যক্তি দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ইমরানকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত ব্যক্তি নাভানা ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করেন। পাশাপাশি ঐ কলেজে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা শাহরীন বলেন, আমি গত বৃহস্পতিবার গভর্নিং বডির মিটিংয়ে অধ্যক্ষকে সুন্দর ভাবে কলেজ পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছি।