ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

অনুরাগীদের ভালোবাসা সব দুঃখ ভুলিয়ে দেয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৫৫ বার

ঢালিউডের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের ব্যক্তিগত জীবনে উত্থান পতনের কমতি নেই। তবুও সব সময়ই তাকে সদা হাসিখুশি দেখা যায়। অভিনেত্রী বলেন, আসলে এত কম বয়সে মা-বাবাকে হারিয়েছি এটা আক্ষেপ। কিন্তু ছেলে জয় অবশ্য সেই কষ্টে প্রলেপ লাগিয়েছে। ও আমার মা, ও-ই বাবা। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে আশ্রয়টা মিস করি। আবার রাগ দেখানোর লোকের অভাব। তবে অনুরাগীদের থেকে পাওয়া ভালোবাসা এই সব দুঃখ ভুলিয়ে দেয়।

সম্প্রতি কলকাতায় ঝটিকা সফরে যান অপু বিশ্বাস। সেখানে আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কলকাতায় কাজ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আশা করছি কাজের সংখ্যা বাড়বে। এত দিন বাংলাদেশে ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারিনি। এখন সময় আছে, তাই আশা করছি কলকাতায় যাতায়াতের পাশাপাশি কাজের জায়গাটাও বাড়বে।

তিনি বলেন, আসলে বহু দিন ধরেই আমার বেশ কিছু প্রস্তাব আসছিল এখান থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে কিছু কাজের দায়বদ্ধতা থাকায় তখন করে উঠতে পারিনি। বলতে পারেন ১২ মাসও যেন কম ছিল। তবে এখন সেই সময় পেয়েছি। আশা করছি, এখন দুই বাংলায় সময় দিতে পারব।

এক প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে কাঁটাতার ছাড়া আর কোনো অমিল দেখি না। আমাদের সংস্কৃতি, ভাষা, সৃষ্টি সবই তো এক। ঋতুপর্ণা দিদি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা তো বাংলাদেশের কাজ করেছেন। অন্য দিকে, আমাদের দেশের ফিরদৌস ভাইও খুব জনপ্রিয় ছিলেন দুই বাংলায়। তাই এই মেলবন্ধনটা বহু দিনের।

শাকিব খান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দু’জনের কাছে এখনও সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যটাই অগ্রাধিকার পায়। একসঙ্গে থেকে হোক কিংবা না থেকে। জয় জানে, তার বাবা-মা দু’জনেই ব্যস্ত। তাই কখনো আমি তাকে স্কুলে পৌঁছে দিই, শাকিব ওকে নিয়ে আসে এভাবেই চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

অনুরাগীদের ভালোবাসা সব দুঃখ ভুলিয়ে দেয়

আপডেট টাইম : ১২:৫৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ঢালিউডের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসের ব্যক্তিগত জীবনে উত্থান পতনের কমতি নেই। তবুও সব সময়ই তাকে সদা হাসিখুশি দেখা যায়। অভিনেত্রী বলেন, আসলে এত কম বয়সে মা-বাবাকে হারিয়েছি এটা আক্ষেপ। কিন্তু ছেলে জয় অবশ্য সেই কষ্টে প্রলেপ লাগিয়েছে। ও আমার মা, ও-ই বাবা। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে আশ্রয়টা মিস করি। আবার রাগ দেখানোর লোকের অভাব। তবে অনুরাগীদের থেকে পাওয়া ভালোবাসা এই সব দুঃখ ভুলিয়ে দেয়।

সম্প্রতি কলকাতায় ঝটিকা সফরে যান অপু বিশ্বাস। সেখানে আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কলকাতায় কাজ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আশা করছি কাজের সংখ্যা বাড়বে। এত দিন বাংলাদেশে ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারিনি। এখন সময় আছে, তাই আশা করছি কলকাতায় যাতায়াতের পাশাপাশি কাজের জায়গাটাও বাড়বে।

তিনি বলেন, আসলে বহু দিন ধরেই আমার বেশ কিছু প্রস্তাব আসছিল এখান থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে কিছু কাজের দায়বদ্ধতা থাকায় তখন করে উঠতে পারিনি। বলতে পারেন ১২ মাসও যেন কম ছিল। তবে এখন সেই সময় পেয়েছি। আশা করছি, এখন দুই বাংলায় সময় দিতে পারব।

এক প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে কাঁটাতার ছাড়া আর কোনো অমিল দেখি না। আমাদের সংস্কৃতি, ভাষা, সৃষ্টি সবই তো এক। ঋতুপর্ণা দিদি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা তো বাংলাদেশের কাজ করেছেন। অন্য দিকে, আমাদের দেশের ফিরদৌস ভাইও খুব জনপ্রিয় ছিলেন দুই বাংলায়। তাই এই মেলবন্ধনটা বহু দিনের।

শাকিব খান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দু’জনের কাছে এখনও সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যটাই অগ্রাধিকার পায়। একসঙ্গে থেকে হোক কিংবা না থেকে। জয় জানে, তার বাবা-মা দু’জনেই ব্যস্ত। তাই কখনো আমি তাকে স্কুলে পৌঁছে দিই, শাকিব ওকে নিয়ে আসে এভাবেই চলছে।