ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

রমজানের পণ্য আমদানি নিয়ে চিন্তা নেই: কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৭২ বার

আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত এলসি খোলা হয়েছে, যার পরিমাণ গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় অনেক বেশি। তারপরও বিভিন্ন মাধ্যমে এলসি খোলার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন। এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক।

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে রমজানে কোনও পণ্যের ঘাটতি হবে না। এছাড়া রফতানি বৃদ্ধিতেও আমরা বিশেষ নজর রেখেছি। গত নভেম্বর মাস থেকে প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত মোট রফতানি আয় হয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলার যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৯ বিলিয়ন ডলার।

তিনি জানান, রমজান মাসে ৫টি পণ্যের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। আর বাজার স্বাভাবিক রাখতে এসব পণ্য আমদানিতে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৫.৬৬ লাখ মেট্রিক টন চিনির এলসি খোলা হয়েছে। এক বছর আগের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫.১১ লাখ মেট্রিক টন। সুতরাং এ বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন বেশি চিনির এলসি খোলা হয়েছে।

মেজবাউল হক বলেন, আগের বছরের জানুয়ারির তুলনায় গত মাসে ছোলা বাদে বাকি পণ্যগুলোর জন্য এলসি খোলা বেড়েছে। এর মধ্যে ভোজ্যতেল ৩৯ হাজার টন, পেয়াজ ৬.৩৩ হাজার টন ও খেজুরের এলসি খোলা বেড়েছে ১৩ হাজার টন। গতবছরের জানুয়ারির তুলনায় ছোলার এলসি কম খোলা হয়েছে ৪১ হাজার টন।

তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২১ সালের এই তিন মাসে ভোজ্য তেল আমদানির জন্য ৪.৯২ লাখ মেট্রিক টনের এলসি খোলা হয়েছিল। ২০২২ সালের একই সময়ে ৩.৫১ টনের এলসি খোলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় দেড় লাখ টনের এলসি খোলা কমেছে। ভোজ্যতেলের চাহিদার একটা অংশ মেটানো হয় আমদানি করা বীজ থেকে তেল উৎপাদন করে। ২০২২ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরে মাত্র ৭৮ হাজার টন সয়াবিন বীজের এলসি খোলা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে প্রায় ৫ গুণ এলসি খোলা হয়েছিল।

একইভাবে ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তুলনায় গতবছরের একই সময়ে, চিনির এলসি খোলা কমেছে ১.৪৮ লাখ টন, ছোলার কমেছে ৬৮ হাজার টন এবং খেজুরের কমেছে ১০ হাজার টন। অবশ্য এই সময়ে পেঁয়াজের এলসি খোলা ৫ হাজার টন বেড়েছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

রমজানের পণ্য আমদানি নিয়ে চিন্তা নেই: কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট টাইম : ০৩:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত এলসি খোলা হয়েছে, যার পরিমাণ গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় অনেক বেশি। তারপরও বিভিন্ন মাধ্যমে এলসি খোলার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন। এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক।

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে রমজানে কোনও পণ্যের ঘাটতি হবে না। এছাড়া রফতানি বৃদ্ধিতেও আমরা বিশেষ নজর রেখেছি। গত নভেম্বর মাস থেকে প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত মোট রফতানি আয় হয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলার যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৯ বিলিয়ন ডলার।

তিনি জানান, রমজান মাসে ৫টি পণ্যের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। আর বাজার স্বাভাবিক রাখতে এসব পণ্য আমদানিতে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৫.৬৬ লাখ মেট্রিক টন চিনির এলসি খোলা হয়েছে। এক বছর আগের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫.১১ লাখ মেট্রিক টন। সুতরাং এ বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন বেশি চিনির এলসি খোলা হয়েছে।

মেজবাউল হক বলেন, আগের বছরের জানুয়ারির তুলনায় গত মাসে ছোলা বাদে বাকি পণ্যগুলোর জন্য এলসি খোলা বেড়েছে। এর মধ্যে ভোজ্যতেল ৩৯ হাজার টন, পেয়াজ ৬.৩৩ হাজার টন ও খেজুরের এলসি খোলা বেড়েছে ১৩ হাজার টন। গতবছরের জানুয়ারির তুলনায় ছোলার এলসি কম খোলা হয়েছে ৪১ হাজার টন।

তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২১ সালের এই তিন মাসে ভোজ্য তেল আমদানির জন্য ৪.৯২ লাখ মেট্রিক টনের এলসি খোলা হয়েছিল। ২০২২ সালের একই সময়ে ৩.৫১ টনের এলসি খোলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় দেড় লাখ টনের এলসি খোলা কমেছে। ভোজ্যতেলের চাহিদার একটা অংশ মেটানো হয় আমদানি করা বীজ থেকে তেল উৎপাদন করে। ২০২২ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরে মাত্র ৭৮ হাজার টন সয়াবিন বীজের এলসি খোলা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে প্রায় ৫ গুণ এলসি খোলা হয়েছিল।

একইভাবে ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তুলনায় গতবছরের একই সময়ে, চিনির এলসি খোলা কমেছে ১.৪৮ লাখ টন, ছোলার কমেছে ৬৮ হাজার টন এবং খেজুরের কমেছে ১০ হাজার টন। অবশ্য এই সময়ে পেঁয়াজের এলসি খোলা ৫ হাজার টন বেড়েছে।