ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

মাছের দাম বেড়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে কিছুটা স্থির ছিল মাছের দাম। তবে গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই বেড়েছে এটির দাম।

মাছ কম ধরা পড়া ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহে চাষ ও দেশি জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনের দামও ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগের মতোই রয়েছে।

চাষকৃত কৈ, রুই, শিং মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও অন্যান্য জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।

আকার ও গুণগত মানের ভিত্তিতে চাষ করা রুই ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, কাতলা ৩২০ থেকে ৪৫০ টাকা ও পাঙ্গাস ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদা, চিংড়ি, শৈল, টেংরা ও বেলের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও নিউমার্কেটে দেশি রুই (ওজনে আড়াই কেজির বেশি) বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি এবং কাতলা ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকায়।

এদিকে দেশি রসুনের দাম কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও আমদানি করা এক কেজি ১৩০-১৫০ টাকায় দাম বেড়েছে ৪০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, চাষ করা পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া ও খামারের ডিম দরিদ্রদের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি বলেন, চাল, গমের আটা, রান্নার তেল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই গত দেড় বছরে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ ও অন্যান্য প্রোটিন পণ্যের দাম বৃদ্ধি দরিদ্রদের আরও ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

তিনি কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বাজার কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

মাছের দাম বেড়েছে

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে কিছুটা স্থির ছিল মাছের দাম। তবে গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই বেড়েছে এটির দাম।

মাছ কম ধরা পড়া ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহে চাষ ও দেশি জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনের দামও ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগের মতোই রয়েছে।

চাষকৃত কৈ, রুই, শিং মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও অন্যান্য জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।

আকার ও গুণগত মানের ভিত্তিতে চাষ করা রুই ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, কাতলা ৩২০ থেকে ৪৫০ টাকা ও পাঙ্গাস ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদা, চিংড়ি, শৈল, টেংরা ও বেলের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও নিউমার্কেটে দেশি রুই (ওজনে আড়াই কেজির বেশি) বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি এবং কাতলা ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকায়।

এদিকে দেশি রসুনের দাম কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও আমদানি করা এক কেজি ১৩০-১৫০ টাকায় দাম বেড়েছে ৪০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, চাষ করা পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া ও খামারের ডিম দরিদ্রদের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি বলেন, চাল, গমের আটা, রান্নার তেল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই গত দেড় বছরে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ ও অন্যান্য প্রোটিন পণ্যের দাম বৃদ্ধি দরিদ্রদের আরও ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

তিনি কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বাজার কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।