ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

মাছের দাম বেড়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২৪৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে কিছুটা স্থির ছিল মাছের দাম। তবে গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই বেড়েছে এটির দাম।

মাছ কম ধরা পড়া ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহে চাষ ও দেশি জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনের দামও ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগের মতোই রয়েছে।

চাষকৃত কৈ, রুই, শিং মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও অন্যান্য জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।

আকার ও গুণগত মানের ভিত্তিতে চাষ করা রুই ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, কাতলা ৩২০ থেকে ৪৫০ টাকা ও পাঙ্গাস ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদা, চিংড়ি, শৈল, টেংরা ও বেলের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও নিউমার্কেটে দেশি রুই (ওজনে আড়াই কেজির বেশি) বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি এবং কাতলা ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকায়।

এদিকে দেশি রসুনের দাম কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও আমদানি করা এক কেজি ১৩০-১৫০ টাকায় দাম বেড়েছে ৪০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, চাষ করা পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া ও খামারের ডিম দরিদ্রদের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি বলেন, চাল, গমের আটা, রান্নার তেল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই গত দেড় বছরে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ ও অন্যান্য প্রোটিন পণ্যের দাম বৃদ্ধি দরিদ্রদের আরও ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

তিনি কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বাজার কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

মাছের দাম বেড়েছে

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে কিছুটা স্থির ছিল মাছের দাম। তবে গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করেই বেড়েছে এটির দাম।

মাছ কম ধরা পড়া ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহে চাষ ও দেশি জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি রসুনের দামও ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আগের মতোই রয়েছে।

চাষকৃত কৈ, রুই, শিং মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও অন্যান্য জাতের মাছের দাম প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।

আকার ও গুণগত মানের ভিত্তিতে চাষ করা রুই ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, কাতলা ৩২০ থেকে ৪৫০ টাকা ও পাঙ্গাস ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদা, চিংড়ি, শৈল, টেংরা ও বেলের দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও নিউমার্কেটে দেশি রুই (ওজনে আড়াই কেজির বেশি) বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি এবং কাতলা ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায়।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকায়।

এদিকে দেশি রসুনের দাম কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও আমদানি করা এক কেজি ১৩০-১৫০ টাকায় দাম বেড়েছে ৪০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, চাষ করা পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া ও খামারের ডিম দরিদ্রদের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি বলেন, চাল, গমের আটা, রান্নার তেল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই গত দেড় বছরে রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ ও অন্যান্য প্রোটিন পণ্যের দাম বৃদ্ধি দরিদ্রদের আরও ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

তিনি কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি বাজার কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।