ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

প্রতি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক হবে মেয়র আতিকুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২
  • ১৮৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক করার ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসি  মেয়র আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, সেবা প্রদানে ডিএনসিসি সব সময় মুক্তিযুদ্ধোদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। আমরা ডিএনসিসি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছি। তাদের সম্মানে কর ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক হবে। সিটি করপোরেনের অফিসে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ থাকবে ও আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। সেবা নিতে আসলে তারা সেই কক্ষে বসবে। এছাড়া ডিএনসিসির কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ দাফনে কোনো ফি লাগবে না।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। স্বাধীনতার জন্য, লাল-সবুজের পতাকার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন। তাদের জন্য কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে প্রতি বছর সংবর্ধনার আয়োজন করছি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করতে পারলে, তাদের সম্মান দিলে তবেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশি হবেন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনা ও স্মৃতি তুলে ধরেন। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় কাউন্সিলররা।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যসহ মোট ১ হাজার ২০০ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা শেষে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগীতশিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

প্রতি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক হবে মেয়র আতিকুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ০১:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক করার ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসি  মেয়র আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, সেবা প্রদানে ডিএনসিসি সব সময় মুক্তিযুদ্ধোদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। আমরা ডিএনসিসি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছি। তাদের সম্মানে কর ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক হবে। সিটি করপোরেনের অফিসে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ থাকবে ও আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। সেবা নিতে আসলে তারা সেই কক্ষে বসবে। এছাড়া ডিএনসিসির কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ দাফনে কোনো ফি লাগবে না।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। স্বাধীনতার জন্য, লাল-সবুজের পতাকার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন। তাদের জন্য কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে প্রতি বছর সংবর্ধনার আয়োজন করছি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করতে পারলে, তাদের সম্মান দিলে তবেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশি হবেন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনা ও স্মৃতি তুলে ধরেন। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় কাউন্সিলররা।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যসহ মোট ১ হাজার ২০০ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা শেষে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগীতশিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।