ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলিয়া মাদরাসার ছাত্রাবাস রক্ষায় ৫ দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ মার্চ ২০২২
  • ২৩৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া ছাত্রাবাস, সুপার ও সহ-সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন সাবেক ছাত্ররা।

শনিবার (৫ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ২৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া আজ ধ্বংসের মুখে। স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ সরকারের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কিছুসংখ্যক কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পড়েছে মাদরাসাটি। ষড়যন্ত্রকারীরা মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন তৈরির নামে মাদরাসার একমাত্র ছাত্রাবাস আল্লামা কাশগরী হলের সুপার ও সহ-সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেরার জন্য দরপত্র কার্যাদেশ জারি করেছে।

তারা বলেন, ষড়যন্ত্রকারী মহল সেটি বাস্তবায়নে মাদরাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক আলমগীরকে সরকারি প্রটোকলে ফেলে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সে কারণে ছাত্রদের জোরপূর্বক বের করে দিলেও আন্দোলনের মুখে আবারও হল খুলে দেওয়া হয়। হোস্টেল সুপার ও সহ-সুপারের সাবভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। একাডেমিক প্রধান মাওলানা অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং হোস্টেল সুপার মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানকে ওএসডি করা হয়েছে। আন্দোলরত ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এজন্য তারা এই পাঁচ দফা দাবি।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বর্তমান অধ্যক্ষের আর্থিক অনিয়মের কারণে তাকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত ও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। হল সুপার ও সহ-হল সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত বাতিল করা। ছাত্রদের নামে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা। মাদরাসার জামি আগামী তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়া ও শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক হল নির্মাণ করা।

দাবি আদায়ে সাবেক শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে রোববার (৬৫ মার্চ) সকালে মাদরাসার সামনে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শেষে অনশন ধর্মঘট পালন। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাবেক শিক্ষার্থীরা একটি কমিটি গঠন করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আলিয়া মাদরাসার ছাত্রাবাস রক্ষায় ৫ দাবি

আপডেট টাইম : ০৭:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ মার্চ ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া ছাত্রাবাস, সুপার ও সহ-সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন সাবেক ছাত্ররা।

শনিবার (৫ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ২৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া আজ ধ্বংসের মুখে। স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ সরকারের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কিছুসংখ্যক কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পড়েছে মাদরাসাটি। ষড়যন্ত্রকারীরা মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন তৈরির নামে মাদরাসার একমাত্র ছাত্রাবাস আল্লামা কাশগরী হলের সুপার ও সহ-সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেরার জন্য দরপত্র কার্যাদেশ জারি করেছে।

তারা বলেন, ষড়যন্ত্রকারী মহল সেটি বাস্তবায়নে মাদরাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক আলমগীরকে সরকারি প্রটোকলে ফেলে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সে কারণে ছাত্রদের জোরপূর্বক বের করে দিলেও আন্দোলনের মুখে আবারও হল খুলে দেওয়া হয়। হোস্টেল সুপার ও সহ-সুপারের সাবভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। একাডেমিক প্রধান মাওলানা অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং হোস্টেল সুপার মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানকে ওএসডি করা হয়েছে। আন্দোলরত ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এজন্য তারা এই পাঁচ দফা দাবি।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বর্তমান অধ্যক্ষের আর্থিক অনিয়মের কারণে তাকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত ও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। হল সুপার ও সহ-হল সুপারের বাসভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত বাতিল করা। ছাত্রদের নামে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা। মাদরাসার জামি আগামী তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়া ও শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক হল নির্মাণ করা।

দাবি আদায়ে সাবেক শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে রোববার (৬৫ মার্চ) সকালে মাদরাসার সামনে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শেষে অনশন ধর্মঘট পালন। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাবেক শিক্ষার্থীরা একটি কমিটি গঠন করেছেন।