ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বলতে পারবেন কি, ভোটের কালি কি দিয়ে তৈরি হয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৩১১ বার

পালস পোলিও-র কালি আর ভোটের কালি কি এক? না, এক নয়। ছেলে ভোলানো যাবে কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে ভোলানো যাবে না। তাই আজও সঠিকভাবে প্রকাশিত নয় ভোটের কালি তৈরির ফর্মুলা।

একমাত্র তারাই জানেন, যারা বানান এ কালি। তবে সেটাও নাকি সবাই পুরোটা জানেন না। এক একজন এক একটি অংশ জানেন। সবে মিলে করি কাজ ফর্মুলায় তৈরি হয় ভোটের কালি।

যেটুকু জানা যায় তাতে এই কালি একটা প্রধান

উপাদন হল রুপোর এক রাসায়নিক পদার্থ (সিলভার নাইট্রেট বা AgNO3)। ছয়ের দশকে ন্যাশনাল ফিজিকাল ল্যাবরেটরি এই ফর্মুলা তুলে দেয় দেশের একটি সংস্থাকে। মহীশূরের ওই কালি নির্মাণকারী সংস্থার নাম মাইসোর পেন্টস অ্যান্ড ভার্নিশ লিমিটেড। সংক্ষেপে ‘এমপিভিএল’।

চুক্তি অনুযায়ী ওই সংস্থা আজও গোপন রেখেছে কালি-রহস্য। সংস্থার দু’এক জন বাদে বাকিদের কাছেও গোপন রাখা হয়। ওই কালির মধ্যে অ্যালকোহল মেশানো থাকে। তার ফলে অল্প সময়েই শুকিয়ে যায়।

তবে মূল রহস্য আছে সিলভার নাইট্রেট-এর মধ্যেই। কালি লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে আঙুলের চামড়ার প্রোটিনের সঙ্গে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটায় সিলভার নাইট্রেট। আর তাতেই দাগ আর মোছা যায় না। আর সেই কালিতে রোদের আলো পড়তে তা আরও চিপকে বসে। কালিতে সিলভার নাইট্রেট যত বেশি থাকবে তত বেশি সময় টিকে থাকবে কালি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

বলতে পারবেন কি, ভোটের কালি কি দিয়ে তৈরি হয়

আপডেট টাইম : ১১:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬

পালস পোলিও-র কালি আর ভোটের কালি কি এক? না, এক নয়। ছেলে ভোলানো যাবে কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে ভোলানো যাবে না। তাই আজও সঠিকভাবে প্রকাশিত নয় ভোটের কালি তৈরির ফর্মুলা।

একমাত্র তারাই জানেন, যারা বানান এ কালি। তবে সেটাও নাকি সবাই পুরোটা জানেন না। এক একজন এক একটি অংশ জানেন। সবে মিলে করি কাজ ফর্মুলায় তৈরি হয় ভোটের কালি।

যেটুকু জানা যায় তাতে এই কালি একটা প্রধান

উপাদন হল রুপোর এক রাসায়নিক পদার্থ (সিলভার নাইট্রেট বা AgNO3)। ছয়ের দশকে ন্যাশনাল ফিজিকাল ল্যাবরেটরি এই ফর্মুলা তুলে দেয় দেশের একটি সংস্থাকে। মহীশূরের ওই কালি নির্মাণকারী সংস্থার নাম মাইসোর পেন্টস অ্যান্ড ভার্নিশ লিমিটেড। সংক্ষেপে ‘এমপিভিএল’।

চুক্তি অনুযায়ী ওই সংস্থা আজও গোপন রেখেছে কালি-রহস্য। সংস্থার দু’এক জন বাদে বাকিদের কাছেও গোপন রাখা হয়। ওই কালির মধ্যে অ্যালকোহল মেশানো থাকে। তার ফলে অল্প সময়েই শুকিয়ে যায়।

তবে মূল রহস্য আছে সিলভার নাইট্রেট-এর মধ্যেই। কালি লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে আঙুলের চামড়ার প্রোটিনের সঙ্গে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটায় সিলভার নাইট্রেট। আর তাতেই দাগ আর মোছা যায় না। আর সেই কালিতে রোদের আলো পড়তে তা আরও চিপকে বসে। কালিতে সিলভার নাইট্রেট যত বেশি থাকবে তত বেশি সময় টিকে থাকবে কালি।