ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

টাঙ্গাইলে নির্মিত হচ্ছে ২০১ গম্বুজ মসজিদ গিনেস স্থান পেতে পারে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০১৬
  • ৭০৮ বার

বিশ্বের মসজিদের ইতিহাসে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ। নির্মাণাধীন এই মসজিদে থাকবে বিশ্বের বেশি সংখ্যক গম্বুজ ও ৪৫১ ফুট উঁচু একটি মিনার। যা গিনেস রেকর্ড বুকে স্থান করে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে।টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত ২০১ গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এর পাশে অবস্থিত ৪৫১ ফুট, ১৩৮ মিটার ৫৬ তলা উঁচু বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মিনারটি হবে বিশ্বের সবচে’ উঁচু ইটের তৈরি মিনার! এই মিনারে ৫০ তলা পর্যন্ত থাকবে লিফটের সুবিধা। বর্তমানে ভারতের দিল্লির কুতুব মিনার বিশ্বের সবচে’ উঁচু ইটের তৈরি মিনার। যার উচ্চতা ৭৩ মিটার=২৪০ ফুট আর বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনারটি মরক্কোর কাসাব্লাংকায় দ্বিতীয় হাসান মসজিদে অবস্থিত। এর উচ্চতা ২১০ মিটার (৬৮৯ ফুট) তবে এটি ইটের তৈরি নয়।

১৫ বিঘা জমির উপর অবস্থিত মসজিদটির নির্মাণ কাজ শতকরা আশি ভাগ শেষ হয়েছে, শিগগিরই শুরু হবে মসজিদের কারুকাজ। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন। ওই ভবনে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদের কাছেই নির্মাণ করা হবে দূর দূরান্ত থেকে আগত মুসুল্লিদের থাকার জন্য ডাক বাংলো ও বিনামুল্যে খাবার বিতরণের ব্যবস্থা। মসজিদটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন। আশা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের প্রথমদিকে পবিত্র কাবা শরিফের ইমামের উপস্থিতি ও ইমামতির মাধ্যমে মসজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

টাঙ্গাইলে নির্মিত হচ্ছে ২০১ গম্বুজ মসজিদ গিনেস স্থান পেতে পারে

আপডেট টাইম : ১১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০১৬

বিশ্বের মসজিদের ইতিহাসে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ। নির্মাণাধীন এই মসজিদে থাকবে বিশ্বের বেশি সংখ্যক গম্বুজ ও ৪৫১ ফুট উঁচু একটি মিনার। যা গিনেস রেকর্ড বুকে স্থান করে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে।টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত ২০১ গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এর পাশে অবস্থিত ৪৫১ ফুট, ১৩৮ মিটার ৫৬ তলা উঁচু বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মিনারটি হবে বিশ্বের সবচে’ উঁচু ইটের তৈরি মিনার! এই মিনারে ৫০ তলা পর্যন্ত থাকবে লিফটের সুবিধা। বর্তমানে ভারতের দিল্লির কুতুব মিনার বিশ্বের সবচে’ উঁচু ইটের তৈরি মিনার। যার উচ্চতা ৭৩ মিটার=২৪০ ফুট আর বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনারটি মরক্কোর কাসাব্লাংকায় দ্বিতীয় হাসান মসজিদে অবস্থিত। এর উচ্চতা ২১০ মিটার (৬৮৯ ফুট) তবে এটি ইটের তৈরি নয়।

১৫ বিঘা জমির উপর অবস্থিত মসজিদটির নির্মাণ কাজ শতকরা আশি ভাগ শেষ হয়েছে, শিগগিরই শুরু হবে মসজিদের কারুকাজ। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন। ওই ভবনে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদের কাছেই নির্মাণ করা হবে দূর দূরান্ত থেকে আগত মুসুল্লিদের থাকার জন্য ডাক বাংলো ও বিনামুল্যে খাবার বিতরণের ব্যবস্থা। মসজিদটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন। আশা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের প্রথমদিকে পবিত্র কাবা শরিফের ইমামের উপস্থিতি ও ইমামতির মাধ্যমে মসজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।