ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

মানুষ বেঁচে থাকতে পারে ১৫০ বছর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১
  • ২৮৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিউ ইয়র্কের রোজওয়েল পার্ক কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টারে মানুষের বয়স নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। এতে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছাসেবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সমীক্ষা শেষে বিজ্ঞান বিষয়ক বিখ্যাত জার্নাল নেচার কমিউনিকেশনসে সমীক্ষাপ্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

সেখানে সমীক্ষাপত্রটির প্রধান লেখক টিমোথি ভি. পায়ারকভ দাবি করেছেন, মানুষ ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

মানুষের বয়স নিয়ে এই সমীক্ষা কেন? জানা গেছে, এক নারী ১৮০ বছর বেঁচে থাকতে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে নিজের স্টেম সেল নিজেরই শরীরে ইনজেক্ট করান। এরপরই নড়েচড়ে বসে রোজওয়েল পার্ক কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টার।

এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে শরীরের অভ্যন্তরীণ কোষকলা যদি ঠিক থাকে, তাহলে দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়। কিন্তু তা লাগামছাড়া হতে পারে না। তাই বিজ্ঞানীরা জেন কালমেন্টের উদাহরণ সামনে রেখে সমীক্ষা শুরু করেন। কেননা, জেন-ই আপাতত পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বছর বেঁচে থাকা ব্যক্তি, মৃত্যুকালে এই ফরাসি নারীর বয়স হয়েছিল ১২২ বছর। এই জায়গা থেকে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সব শর্ত বজায় থাকলে মানুষ অন্তত ১২২ বছর বেঁচে থাকতেই পারে জেনের মতো।

মানুষের বয়স নিয়ে সমীক্ষা চলাকালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে স্বেচ্ছাসেবীদের শারীরিক গড়ন, সুস্থতা এবং তাদের শরীরে উপস্থিত নানা রোগ নিয়ে ব্যাপক পর্যবেক্ষণ চলে। এর ভিত্তিতে টিমোথি বলছেন, মানুষের দীর্ঘ জীবন লাভ করা দুটি বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে প্রথমটি হল তার শারীরিক বয়স। এর সঙ্গে ক্লান্তি, ব্যাধির মতো বিষয়গুলোকেও যোগ করতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো- শরীরের আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা।

সাধারণত মানুষ রোগে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। টিমোথির মতে, ১২০ বছর বয়সের পর থেকে শরীরের আগের অবস্থায় ফিরে আসার এই ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে। ১৫০ বছর বয়সের পর এই ক্ষমতার আর অস্তিত্বই থাকে না। এ হিসেবে তিনি দাবি করেছেন, মানুষ ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।সূত্র: নিউজ১৮

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

মানুষ বেঁচে থাকতে পারে ১৫০ বছর

আপডেট টাইম : ১১:৫১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নিউ ইয়র্কের রোজওয়েল পার্ক কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টারে মানুষের বয়স নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। এতে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছাসেবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সমীক্ষা শেষে বিজ্ঞান বিষয়ক বিখ্যাত জার্নাল নেচার কমিউনিকেশনসে সমীক্ষাপ্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

সেখানে সমীক্ষাপত্রটির প্রধান লেখক টিমোথি ভি. পায়ারকভ দাবি করেছেন, মানুষ ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

মানুষের বয়স নিয়ে এই সমীক্ষা কেন? জানা গেছে, এক নারী ১৮০ বছর বেঁচে থাকতে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে নিজের স্টেম সেল নিজেরই শরীরে ইনজেক্ট করান। এরপরই নড়েচড়ে বসে রোজওয়েল পার্ক কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টার।

এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে শরীরের অভ্যন্তরীণ কোষকলা যদি ঠিক থাকে, তাহলে দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়। কিন্তু তা লাগামছাড়া হতে পারে না। তাই বিজ্ঞানীরা জেন কালমেন্টের উদাহরণ সামনে রেখে সমীক্ষা শুরু করেন। কেননা, জেন-ই আপাতত পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বছর বেঁচে থাকা ব্যক্তি, মৃত্যুকালে এই ফরাসি নারীর বয়স হয়েছিল ১২২ বছর। এই জায়গা থেকে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সব শর্ত বজায় থাকলে মানুষ অন্তত ১২২ বছর বেঁচে থাকতেই পারে জেনের মতো।

মানুষের বয়স নিয়ে সমীক্ষা চলাকালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে স্বেচ্ছাসেবীদের শারীরিক গড়ন, সুস্থতা এবং তাদের শরীরে উপস্থিত নানা রোগ নিয়ে ব্যাপক পর্যবেক্ষণ চলে। এর ভিত্তিতে টিমোথি বলছেন, মানুষের দীর্ঘ জীবন লাভ করা দুটি বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে প্রথমটি হল তার শারীরিক বয়স। এর সঙ্গে ক্লান্তি, ব্যাধির মতো বিষয়গুলোকেও যোগ করতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো- শরীরের আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসার ক্ষমতা।

সাধারণত মানুষ রোগে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। টিমোথির মতে, ১২০ বছর বয়সের পর থেকে শরীরের আগের অবস্থায় ফিরে আসার এই ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে। ১৫০ বছর বয়সের পর এই ক্ষমতার আর অস্তিত্বই থাকে না। এ হিসেবে তিনি দাবি করেছেন, মানুষ ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।সূত্র: নিউজ১৮