,

09

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের নতুন ৮ নির্দেশনা

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপকরণ হচ্ছে মাস্ক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে, মাস্ক হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম বা উপকরণ যেটি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

কিন্তু এই মাস্ক পরিধানের ক্ষেত্রে অনেকেই সচেতন নয়। যেটা খুবই উদ্বেগজনক। বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যারা মাস্ক ব্যবহার করছে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।

তাই কোনো জরুরি কাজে ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে। মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৮টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে সরকারিভাবে। সেগুলো হলো—

১. কয়েকস্তর বিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা এককালীন ব্যবহার করতে হবে।
২. অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে। যা সঠিক নয়। বরং ওপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুঁতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে। সম্পূর্ণ মুখমন্ডল ঢেকে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

৩. অনেকে মাস্ক থুঁতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।

৪. সার্জিক্যাল মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি মাস্ক সর্বোচ্চ একদিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

৫. যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মুশকিল, যেমন- গণপরিবহন ও বাজার বা দোকানপাট, সেসব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় ও হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

৬. সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। অপরিষ্কার মাস্ক পরলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহার করা মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে জীবানুমুক্ত করতে হবে।

৭. ভেজা মাস্ক পরিধান উচিত না। এতে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৮. বাইরে গেলে দুটি মাস্ক ব্যাগে রাখা দরকার। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনো কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে অন্যটি ব্যবহার করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর