ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মৌলিক সংস্কারের লড়াই এখনো শেষ হয়নি: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারত সমর্থন করে না: রণধীর জয়সওয়াল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সহজ সমীকরণ নাকি চমক বিমানমন্ত্রী ও হুইপের পথসভায় গুলির চেষ্টার অভিযোগ, পিস্তলসহ যুবক আটক ট্রাম্পের ৪শ’ মিলিয়ন ডলারের হোয়াইট হাউস বলরুম নির্মাণে আদালতের স্থগিতাদেশ ৬৯ দিনে ছয় দেশ সফর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খানকে ঘিরে প্রশ্ন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের গল্প ৫৩টি বাড়ি-ফ্ল্যাটের সন্ধান দুবাইয়ে বাংলাদেশি আ’লীগ নেতাদের সাম্রাজ্য ১৭ বছরে আপনাদের ব্যর্থতার কি কোনো দায় নেই: পার্থকে তাজনূভা জাবীন ১৩৩ দেশের অংশগ্রহণে মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা শুরু

নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৫৩৩ বার

নরসিংদীর পলাশে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গড়ে উঠতে যাওয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রোরবার সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন করবেন।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পলাশ উপজেলার কাজৈর ও কাজিরচর মৌজায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২শ একর জমিতে বেসরকারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানি লি. এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি গড়ে তুলছে।

এ.কে খান কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (লজিস্টিক এন্ড শিপিং পোর্ট) মো. এমরান মিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘ইতোমধ্যে প্রায় ২’শ একর ভূমির উপর ৭০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। জমিতে বালি ভরাটের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিছু দিনের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। অবকাঠামোর কাজ শেষ হলে প্রকল্পের কারিগরী কাজ শুরু হবে।

একটি অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনালসহ এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে তোলা হবে বস্ত্র, ওষুধ, কৃষি নির্ভর শিল্প এবং ঘড়ি, ডিজিটাল যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা, অপারেশন ও জীববিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি তৈরির কারখানা। অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান (ইটিপি) স্থাপন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো জানান, এই কনটেইনার টার্মিনাল ও শিল্প এলাকা স্থাপিত হলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে। চট্রগ্রাম ও মংলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌ-পথে পণ্য আমদানির নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং সড়ক ও রেলপথে চাপ কমে যাবে। সড়ক ও রেল পথের তুলনায় দেড়গুণ কমে যাবে পরিবহন ব্যয়। এখানে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলিক সংস্কারের লড়াই এখনো শেষ হয়নি: নাহিদ ইসলাম

নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

নরসিংদীর পলাশে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গড়ে উঠতে যাওয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রোরবার সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন করবেন।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পলাশ উপজেলার কাজৈর ও কাজিরচর মৌজায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২শ একর জমিতে বেসরকারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানি লি. এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি গড়ে তুলছে।

এ.কে খান কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (লজিস্টিক এন্ড শিপিং পোর্ট) মো. এমরান মিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘ইতোমধ্যে প্রায় ২’শ একর ভূমির উপর ৭০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। জমিতে বালি ভরাটের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিছু দিনের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। অবকাঠামোর কাজ শেষ হলে প্রকল্পের কারিগরী কাজ শুরু হবে।

একটি অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনালসহ এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে তোলা হবে বস্ত্র, ওষুধ, কৃষি নির্ভর শিল্প এবং ঘড়ি, ডিজিটাল যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা, অপারেশন ও জীববিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি তৈরির কারখানা। অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান (ইটিপি) স্থাপন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো জানান, এই কনটেইনার টার্মিনাল ও শিল্প এলাকা স্থাপিত হলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে। চট্রগ্রাম ও মংলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌ-পথে পণ্য আমদানির নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং সড়ক ও রেলপথে চাপ কমে যাবে। সড়ক ও রেল পথের তুলনায় দেড়গুণ কমে যাবে পরিবহন ব্যয়। এখানে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।