ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

সড়কে কৃষ্ণচূড়া ছড়িয়েছে লাল আগুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কৃষ্ণচূড়া ফুল দেখলেই মনে হয় যেন অগ্নিশিখা। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের তীব্র গরমে মানুষ যখন অতিষ্ঠ, তখনই টকটকে লাল ও চোখ ধাঁধানো কমলা রঙের ফুলে ভরে ওঠে প্রতিটি কৃষ্ণচূড়া গাছ। শুধু বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম নয়, বর্ষা ঋতুতেও প্রকৃতিতে মোহনীয় রূপ ছড়ায় কৃষ্ণচূড়া ফুল।

কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস মাদাগাস্কার। তবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, আফ্রিকা, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি জন্মে। কৃষ্ণচূড়ার মতো এমন উজ্জ্বল রঙের ফুল এ পৃথিবীতে বেশ দুর্লভ।গ্রীষ্মের সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়া ফুলের লালে | আয়োজন | The Daily Ittefaqশুধু বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম নয়, বর্ষা ঋতুতেও প্রকৃতিতে মোহনীয় রূপ ছড়ায় কৃষ্ণচূড়া

কৃষ্ণচূড়ার নানা প্রজাতি আছে। প্রজাতি ভেদে এদের ফুলের রং হয় ভিন্ন। হলুদ, সিঁদুর লাল, কমলা ইত্যাদি রঙের ফুল বিশিষ্ট কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখা যায়। হলুদ ফুলের গাছকে আমাদের দেশে রাধাচূড়া বলা হয়ে থাকে। এ প্রজাতি অনেক দেশেই বিলুপ্তির পথে।

কৃষ্ণচূড়া যখন হন্তারক!আমাদের দেশে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটার সময়কাল এপ্রিল থেকে জুন। সাধারণত বীজের মাধ্যমে এর বংশ বিস্তারকরা হয়ে থাকে। প্রতিকূল পরিবেশে বীজ থেকে অঙ্কুরিত হওয়ার সময় এটি কয়েক সপ্তাহ অন্তর অন্তর ৩০ সেন্টিমিটার করে বাড়তে থাকে। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমেও এর বংশবিস্তার করানো যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে এর বৃদ্ধি অপেক্ষাকৃত ধীর হবে।

কৃষ্ণচূড়ার সাজে গাছে যেন আগুন জ্বলে

একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত হলেও শাখা-পলবে এটি বেশি ছড়ায়। কৃষ্ণচূড়ার পাপড়িগুলো প্রায় ৮ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ হিসেবে লাগানো হয়। তবে এর কিছু বিশেষ গুণাগুণ রয়েছে। বায়ু থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধনে ও জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা আছে। এছাড়া এটি ছায়া প্রদানকারী গাছ হিসেবেও ভূমিকা পালন করে। এর বিশেষভাবে ভাঁজ করা ফুলের পাপড়ি আমাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।

লকডাউনে পাহাড়ের প্রকৃতিকৃষ্ণচূড়া গাছ যেমন প্রকৃতির শোভা, তেমনি পরিবেশেরও অন্যতম বন্ধু। এ গাছের যেমন সৌন্দর্য রয়েছে, তেমনই জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সড়কে কৃষ্ণচূড়া ছড়িয়েছে লাল আগুন

আপডেট টাইম : ১২:২১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কৃষ্ণচূড়া ফুল দেখলেই মনে হয় যেন অগ্নিশিখা। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের তীব্র গরমে মানুষ যখন অতিষ্ঠ, তখনই টকটকে লাল ও চোখ ধাঁধানো কমলা রঙের ফুলে ভরে ওঠে প্রতিটি কৃষ্ণচূড়া গাছ। শুধু বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম নয়, বর্ষা ঋতুতেও প্রকৃতিতে মোহনীয় রূপ ছড়ায় কৃষ্ণচূড়া ফুল।

কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস মাদাগাস্কার। তবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, আফ্রিকা, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি জন্মে। কৃষ্ণচূড়ার মতো এমন উজ্জ্বল রঙের ফুল এ পৃথিবীতে বেশ দুর্লভ।গ্রীষ্মের সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়া ফুলের লালে | আয়োজন | The Daily Ittefaqশুধু বসন্ত কিংবা গ্রীষ্ম নয়, বর্ষা ঋতুতেও প্রকৃতিতে মোহনীয় রূপ ছড়ায় কৃষ্ণচূড়া

কৃষ্ণচূড়ার নানা প্রজাতি আছে। প্রজাতি ভেদে এদের ফুলের রং হয় ভিন্ন। হলুদ, সিঁদুর লাল, কমলা ইত্যাদি রঙের ফুল বিশিষ্ট কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখা যায়। হলুদ ফুলের গাছকে আমাদের দেশে রাধাচূড়া বলা হয়ে থাকে। এ প্রজাতি অনেক দেশেই বিলুপ্তির পথে।

কৃষ্ণচূড়া যখন হন্তারক!আমাদের দেশে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটার সময়কাল এপ্রিল থেকে জুন। সাধারণত বীজের মাধ্যমে এর বংশ বিস্তারকরা হয়ে থাকে। প্রতিকূল পরিবেশে বীজ থেকে অঙ্কুরিত হওয়ার সময় এটি কয়েক সপ্তাহ অন্তর অন্তর ৩০ সেন্টিমিটার করে বাড়তে থাকে। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমেও এর বংশবিস্তার করানো যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে এর বৃদ্ধি অপেক্ষাকৃত ধীর হবে।

কৃষ্ণচূড়ার সাজে গাছে যেন আগুন জ্বলে

একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত হলেও শাখা-পলবে এটি বেশি ছড়ায়। কৃষ্ণচূড়ার পাপড়িগুলো প্রায় ৮ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ হিসেবে লাগানো হয়। তবে এর কিছু বিশেষ গুণাগুণ রয়েছে। বায়ু থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধনে ও জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা আছে। এছাড়া এটি ছায়া প্রদানকারী গাছ হিসেবেও ভূমিকা পালন করে। এর বিশেষভাবে ভাঁজ করা ফুলের পাপড়ি আমাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।

লকডাউনে পাহাড়ের প্রকৃতিকৃষ্ণচূড়া গাছ যেমন প্রকৃতির শোভা, তেমনি পরিবেশেরও অন্যতম বন্ধু। এ গাছের যেমন সৌন্দর্য রয়েছে, তেমনই জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।