ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

কিশোরগঞ্জ হোসেনপুরে বি-ধান-৮৪’র নতুন জাতের রোপন করা, বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ২৬৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা শস্য ও ধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে স্বীকৃত। বিগত বছর গুলোর তুলনায় এবছর উপজেলার ৯৮ টি গ্রামে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সবুজ ও আধাপাকা ধানে দোল খাচ্ছে সারা ফসলী মাঠ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধূলজুরী গ্রামে নতুন জাতের বোরো বি-ধান-৮৪ কৃষক পর্যায়ে উৎপাদনের সিন্ধান্ত নেন।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নত মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।ধূলজুরী গ্রামের কৃষক মো. মুজিবুব রহমান এর আওতাধীন ৫ একর জমিতে নতুন জাতের বি-ধান-৮৪ রোপন করা হয়। এই ধানের গড় উচ্চা ৯৬ সে.মি এবং জীবন কাল ১৪০ দিন। প্রায় বি-ধান- ২৮ এর মতো উচ্চ মাত্রার জিংক ও আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ধানের ভাত ও পোলাও  বেশ সু-স্বাদু। উৎপাদনের উদ্দেশ্য হলো কৃষক পর্যায়ে  ধান  উৎপাদন  করে বীজ সংরক্ষণ ও নিজের জন্য ব্যবহার এবং পার্শ্ববর্তী কৃষকদের মধ্যে  বিক্রি করে  জাত সম্প্রসারন করা ।আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়েনের ধূলজুরী ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুরাইয়া নাজনীন মাঠে পর্যায়ে নতুন ধানের জাত উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রকল্পের আওতাধীন ৫ একর  বোরো বি-ধান-৮৪ এখন রঙিন আকার ধারণ করেছে। ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির আভাস।কৃষক মো. মজিবুর রহমান জানান, আমরা নতুন জাতের ধান আবাদ করে খুবই আনন্দিত ও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরুল কায়েস জানান, এ ধান উৎপাদনে  কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ  দেয়া হয়েছে। হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৬.৫ মে.টন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

কিশোরগঞ্জ হোসেনপুরে বি-ধান-৮৪’র নতুন জাতের রোপন করা, বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা শস্য ও ধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে স্বীকৃত। বিগত বছর গুলোর তুলনায় এবছর উপজেলার ৯৮ টি গ্রামে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সবুজ ও আধাপাকা ধানে দোল খাচ্ছে সারা ফসলী মাঠ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধূলজুরী গ্রামে নতুন জাতের বোরো বি-ধান-৮৪ কৃষক পর্যায়ে উৎপাদনের সিন্ধান্ত নেন।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নত মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।ধূলজুরী গ্রামের কৃষক মো. মুজিবুব রহমান এর আওতাধীন ৫ একর জমিতে নতুন জাতের বি-ধান-৮৪ রোপন করা হয়। এই ধানের গড় উচ্চা ৯৬ সে.মি এবং জীবন কাল ১৪০ দিন। প্রায় বি-ধান- ২৮ এর মতো উচ্চ মাত্রার জিংক ও আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ধানের ভাত ও পোলাও  বেশ সু-স্বাদু। উৎপাদনের উদ্দেশ্য হলো কৃষক পর্যায়ে  ধান  উৎপাদন  করে বীজ সংরক্ষণ ও নিজের জন্য ব্যবহার এবং পার্শ্ববর্তী কৃষকদের মধ্যে  বিক্রি করে  জাত সম্প্রসারন করা ।আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়েনের ধূলজুরী ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুরাইয়া নাজনীন মাঠে পর্যায়ে নতুন ধানের জাত উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রকল্পের আওতাধীন ৫ একর  বোরো বি-ধান-৮৪ এখন রঙিন আকার ধারণ করেছে। ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির আভাস।কৃষক মো. মজিবুর রহমান জানান, আমরা নতুন জাতের ধান আবাদ করে খুবই আনন্দিত ও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরুল কায়েস জানান, এ ধান উৎপাদনে  কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ  দেয়া হয়েছে। হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৬.৫ মে.টন।