ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যার ৩ আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’

কিশোরগঞ্জ হোসেনপুরে বি-ধান-৮৪’র নতুন জাতের রোপন করা, বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ২৬৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা শস্য ও ধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে স্বীকৃত। বিগত বছর গুলোর তুলনায় এবছর উপজেলার ৯৮ টি গ্রামে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সবুজ ও আধাপাকা ধানে দোল খাচ্ছে সারা ফসলী মাঠ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধূলজুরী গ্রামে নতুন জাতের বোরো বি-ধান-৮৪ কৃষক পর্যায়ে উৎপাদনের সিন্ধান্ত নেন।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নত মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।ধূলজুরী গ্রামের কৃষক মো. মুজিবুব রহমান এর আওতাধীন ৫ একর জমিতে নতুন জাতের বি-ধান-৮৪ রোপন করা হয়। এই ধানের গড় উচ্চা ৯৬ সে.মি এবং জীবন কাল ১৪০ দিন। প্রায় বি-ধান- ২৮ এর মতো উচ্চ মাত্রার জিংক ও আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ধানের ভাত ও পোলাও  বেশ সু-স্বাদু। উৎপাদনের উদ্দেশ্য হলো কৃষক পর্যায়ে  ধান  উৎপাদন  করে বীজ সংরক্ষণ ও নিজের জন্য ব্যবহার এবং পার্শ্ববর্তী কৃষকদের মধ্যে  বিক্রি করে  জাত সম্প্রসারন করা ।আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়েনের ধূলজুরী ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুরাইয়া নাজনীন মাঠে পর্যায়ে নতুন ধানের জাত উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রকল্পের আওতাধীন ৫ একর  বোরো বি-ধান-৮৪ এখন রঙিন আকার ধারণ করেছে। ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির আভাস।কৃষক মো. মজিবুর রহমান জানান, আমরা নতুন জাতের ধান আবাদ করে খুবই আনন্দিত ও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরুল কায়েস জানান, এ ধান উৎপাদনে  কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ  দেয়া হয়েছে। হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৬.৫ মে.টন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যার ৩ আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি

কিশোরগঞ্জ হোসেনপুরে বি-ধান-৮৪’র নতুন জাতের রোপন করা, বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা শস্য ও ধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে স্বীকৃত। বিগত বছর গুলোর তুলনায় এবছর উপজেলার ৯৮ টি গ্রামে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সবুজ ও আধাপাকা ধানে দোল খাচ্ছে সারা ফসলী মাঠ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধূলজুরী গ্রামে নতুন জাতের বোরো বি-ধান-৮৪ কৃষক পর্যায়ে উৎপাদনের সিন্ধান্ত নেন।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নত মানের প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।ধূলজুরী গ্রামের কৃষক মো. মুজিবুব রহমান এর আওতাধীন ৫ একর জমিতে নতুন জাতের বি-ধান-৮৪ রোপন করা হয়। এই ধানের গড় উচ্চা ৯৬ সে.মি এবং জীবন কাল ১৪০ দিন। প্রায় বি-ধান- ২৮ এর মতো উচ্চ মাত্রার জিংক ও আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ধানের ভাত ও পোলাও  বেশ সু-স্বাদু। উৎপাদনের উদ্দেশ্য হলো কৃষক পর্যায়ে  ধান  উৎপাদন  করে বীজ সংরক্ষণ ও নিজের জন্য ব্যবহার এবং পার্শ্ববর্তী কৃষকদের মধ্যে  বিক্রি করে  জাত সম্প্রসারন করা ।আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়েনের ধূলজুরী ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুরাইয়া নাজনীন মাঠে পর্যায়ে নতুন ধানের জাত উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রকল্পের আওতাধীন ৫ একর  বোরো বি-ধান-৮৪ এখন রঙিন আকার ধারণ করেছে। ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির আভাস।কৃষক মো. মজিবুর রহমান জানান, আমরা নতুন জাতের ধান আবাদ করে খুবই আনন্দিত ও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরুল কায়েস জানান, এ ধান উৎপাদনে  কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ  দেয়া হয়েছে। হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৬.৫ মে.টন।