ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

শান্তির পায়রার সঙ্গে এ কেমন শক্রতা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মাঝে মাঝে বাণিজ্যিকভাবেও পুষে থাকেন কেউ কেউ। শান্তির পায়রাগুলো বাড়ির খাবারের পরেও স্বভাবতই উড়ে খাবারের সন্ধান করে। যখন খাদ্যের সন্ধানে কৃষকের ক্ষেতখামারে যায়, সেখান থেকে খাবার খায় তখনই কৃষকের শক্র হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষেতের ফসলের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রতিশোধপরায়ন হয়ে ওঠে কৃষক।

বরগুনার পাথরঘাটায় ক্ষেতের মুগ ডাল নষ্ট করায় শাহআলম নামে এক কৃষক বিষ দিয়ে শতাধিক কবুতরসহ নানা প্রজাতির পাখি মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের মঠেরখাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মঠেরখাল গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত কবুতর খামারি সেলিম মোল্লা ও ফিরোজ মিয়া জানান, প্রতি বছর এই সিজনে দক্ষিণাঞ্চলে মুগ ডাল চাষের বাম্পার ফলন হয়। যখন গাছে ফলন ধরে তখন কবুতরসহ নানা ধরনের পাখি ঝাঁক বেঁধে মুগ ডালের ক্ষেতে বসে খাবার খায়। তখন অসৎ কিছু কৃষক কবুতরসহ ঘুঘু পাখি নিধন করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে।

এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষেতে ফসল কম হয়েছে। এ কারণে ফসল রক্ষার জন্য কৃষক শাহআলম কবুতরসহ ঘুঘু মারতে ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তার ক্ষেতে ছিটিয়ে দেয়। ওই বিষাক্ত ধান খেয়ে শতাধিক কবুতর, ঘুঘু ও বাবুই পাখিসহ নানা প্রজাতির পাখি মারা যায়।

এ সময় আক্রান্ত ঘুঘু পাখিগুলো ধরার সময় শাহআলমসহ কয়েকজনকে গ্রামের লোকজনে ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কবুতর খামারি সেলিম মোল্লা ও ফিরোজ মিয়াসহ ১০/১২ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিচার চেয়ে অভিযোগ করবেন বলে জানান। তারা ক্ষেত থেকে শতাধিক মৃত কবুতর ও ঘুঘু পাখি সংরক্ষণ করেছে।

পাথরঘাটা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল হক বলেন, আমি রাত ১০টার পরে বিষয়টি শুনেছি। বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার যাচাই বাছাই করে পাথরঘাটা উজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা সুলতানার সঙ্গে আলোচনা করে বন্যপ্রাণী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

শান্তির পায়রার সঙ্গে এ কেমন শক্রতা

আপডেট টাইম : ০৩:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মাঝে মাঝে বাণিজ্যিকভাবেও পুষে থাকেন কেউ কেউ। শান্তির পায়রাগুলো বাড়ির খাবারের পরেও স্বভাবতই উড়ে খাবারের সন্ধান করে। যখন খাদ্যের সন্ধানে কৃষকের ক্ষেতখামারে যায়, সেখান থেকে খাবার খায় তখনই কৃষকের শক্র হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষেতের ফসলের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রতিশোধপরায়ন হয়ে ওঠে কৃষক।

বরগুনার পাথরঘাটায় ক্ষেতের মুগ ডাল নষ্ট করায় শাহআলম নামে এক কৃষক বিষ দিয়ে শতাধিক কবুতরসহ নানা প্রজাতির পাখি মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের মঠেরখাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মঠেরখাল গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত কবুতর খামারি সেলিম মোল্লা ও ফিরোজ মিয়া জানান, প্রতি বছর এই সিজনে দক্ষিণাঞ্চলে মুগ ডাল চাষের বাম্পার ফলন হয়। যখন গাছে ফলন ধরে তখন কবুতরসহ নানা ধরনের পাখি ঝাঁক বেঁধে মুগ ডালের ক্ষেতে বসে খাবার খায়। তখন অসৎ কিছু কৃষক কবুতরসহ ঘুঘু পাখি নিধন করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে।

এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ক্ষেতে ফসল কম হয়েছে। এ কারণে ফসল রক্ষার জন্য কৃষক শাহআলম কবুতরসহ ঘুঘু মারতে ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তার ক্ষেতে ছিটিয়ে দেয়। ওই বিষাক্ত ধান খেয়ে শতাধিক কবুতর, ঘুঘু ও বাবুই পাখিসহ নানা প্রজাতির পাখি মারা যায়।

এ সময় আক্রান্ত ঘুঘু পাখিগুলো ধরার সময় শাহআলমসহ কয়েকজনকে গ্রামের লোকজনে ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কবুতর খামারি সেলিম মোল্লা ও ফিরোজ মিয়াসহ ১০/১২ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিচার চেয়ে অভিযোগ করবেন বলে জানান। তারা ক্ষেত থেকে শতাধিক মৃত কবুতর ও ঘুঘু পাখি সংরক্ষণ করেছে।

পাথরঘাটা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল হক বলেন, আমি রাত ১০টার পরে বিষয়টি শুনেছি। বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার যাচাই বাছাই করে পাথরঘাটা উজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা সুলতানার সঙ্গে আলোচনা করে বন্যপ্রাণী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।