ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা: ১৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১
  • ২৯১ বার

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার ১৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার পর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৪ আসামির মধ্যে ৯ জন কারাগারে রয়েছেন। বাকি ৫ জন এখনো পলাতক। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এর আগে গত ১১ মার্চ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৩ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম ১০ জঙ্গির সর্বোচ্চ শাস্তি দেন। আদালত গুলি করে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। এছাড়াও চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর সিআইডির তৎকালীন এএসপি আব্দুল কাহার মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের জন্য আদেশ দেন। এরপর বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে আদালত মোট ৫০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

 হরকাতুল জিহাদের শীর্ষনেতা মুফতি আবদুল হান্নান এই মামলায় মূল আসামি ছিলেন। কিন্তু অন্য মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এই মামলার রায়ে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা: ১৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ০২:১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার ১৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার পর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৪ আসামির মধ্যে ৯ জন কারাগারে রয়েছেন। বাকি ৫ জন এখনো পলাতক। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এর আগে গত ১১ মার্চ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৩ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম ১০ জঙ্গির সর্বোচ্চ শাস্তি দেন। আদালত গুলি করে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। এছাড়াও চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর সিআইডির তৎকালীন এএসপি আব্দুল কাহার মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের জন্য আদেশ দেন। এরপর বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে আদালত মোট ৫০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

 হরকাতুল জিহাদের শীর্ষনেতা মুফতি আবদুল হান্নান এই মামলায় মূল আসামি ছিলেন। কিন্তু অন্য মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এই মামলার রায়ে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে।