ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

দুই মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১
  • ২৬২ বার

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আলোচিত প্রতারক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সাতক্ষীরার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে সাহেদকে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

পৃথক দুটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে এ চার্জ গঠন করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দুটির নং এসটিসি ২০৭/২০ (অস্ত্র) ও এসটিসি ২০৮/২০ (চোরাচালান)। মামলা দুটির বাদী র‍্যাব-৬ খুলনার পুলিশ পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম।

আদালতে সাহেদের আইনজীবী অ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিকী জানান, আদালতে সাহেদ করিমকে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক শেখ মফিজুর রহমান ২৩ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ বছরের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, ২৩৩০ ভারতীয় রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় সাহেদ ও জনৈক বাচ্চু মাঝি নামের অপর আসামিকে।

মামলার প্রথম তদন্তকারী নিযুক্ত হন দেবহাটা থানার ওসি উজ্জল কুমার মৈত্র। দুইদিন পর র‌্যাবের এসআই রেজাউল করিম তদন্তকারি কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়ে ১০ দিনের রিমান্ড নেন সাহেদকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২৪ আগস্ট বাচ্চু মাঝির হদিস না পেয়ে শুধুমাত্র সাহেদকে অভিযুক্ত করে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেই মামলায় চার্জ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্ষ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

দুই মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

আপডেট টাইম : ০৬:২০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

 

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আলোচিত প্রতারক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সাতক্ষীরার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে সাহেদকে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

পৃথক দুটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে এ চার্জ গঠন করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দুটির নং এসটিসি ২০৭/২০ (অস্ত্র) ও এসটিসি ২০৮/২০ (চোরাচালান)। মামলা দুটির বাদী র‍্যাব-৬ খুলনার পুলিশ পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম।

আদালতে সাহেদের আইনজীবী অ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিকী জানান, আদালতে সাহেদ করিমকে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক শেখ মফিজুর রহমান ২৩ ফেব্রুয়ারি পৃথক দুটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ বছরের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, ২৩৩০ ভারতীয় রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় সাহেদ ও জনৈক বাচ্চু মাঝি নামের অপর আসামিকে।

মামলার প্রথম তদন্তকারী নিযুক্ত হন দেবহাটা থানার ওসি উজ্জল কুমার মৈত্র। দুইদিন পর র‌্যাবের এসআই রেজাউল করিম তদন্তকারি কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়ে ১০ দিনের রিমান্ড নেন সাহেদকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২৪ আগস্ট বাচ্চু মাঝির হদিস না পেয়ে শুধুমাত্র সাহেদকে অভিযুক্ত করে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেই মামলায় চার্জ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্ষ করা হয়েছে।