ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

আসামি এত ক্ষমতাধর যে তাকে কোন কিছু খুঁজে পায় না: প্রধান বিচারপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১
  • ২৩৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামি আলমগীর হোসেনের জামিন স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

হত্যা মামলার এই আসামি অভিযোগপত্র দাখিলের চার বছর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এ বিষয়টি আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে আনার পর প্রধান বিচারপতি আসামির আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি এত পাওয়ারফুল কোন কিছুই আপনাকে খুঁজে পেল না।

এ পর্যায়ে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, অভিযোগপত্র দাখিলের পর আসামি আত্মসমর্পণ করবে। সেখানে আসামির আত্মসমর্পণ করতে চার বছর লেগেছে?

আসামির আইনজীবী এএফএম মেসবাহউদ্দিন ও রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এজাহারে আমি আসামি ছিলাম না। চার্জশিটে নাম এসেছে। কিন্তু কোন সাক্ষী আমার বিরুদ্ধে কিছু বলে নাই।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ বলেন, এই মামলায় ৩১ জনের মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষী সম্পন্ন হয়েছে। মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে। আসামিকে জামিন দেওয়া হলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দেবেন। এছাড়া ৬ মাসের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। দ্রুতই মামলার বিচার শেষ হবে।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, জামিন কবে হয়েছে? ডিএজি বলেন, ১০ জানুয়ারি জামিন পেয়েছেন।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, এতদিন পলাতক থেকে আত্মসমর্পণ করে দুই মাসের মধ্যে জামিন পেয়ে গেলো!

শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে জামিন স্থগিত করে দেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদকে হত্যা করা হয়। ২০১৬ সালে এই মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ। সেই চার্জশিটে সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইসহ বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

আসামি এত ক্ষমতাধর যে তাকে কোন কিছু খুঁজে পায় না: প্রধান বিচারপতি

আপডেট টাইম : ১২:২০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামি আলমগীর হোসেনের জামিন স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

হত্যা মামলার এই আসামি অভিযোগপত্র দাখিলের চার বছর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এ বিষয়টি আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে আনার পর প্রধান বিচারপতি আসামির আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি এত পাওয়ারফুল কোন কিছুই আপনাকে খুঁজে পেল না।

এ পর্যায়ে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, অভিযোগপত্র দাখিলের পর আসামি আত্মসমর্পণ করবে। সেখানে আসামির আত্মসমর্পণ করতে চার বছর লেগেছে?

আসামির আইনজীবী এএফএম মেসবাহউদ্দিন ও রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এজাহারে আমি আসামি ছিলাম না। চার্জশিটে নাম এসেছে। কিন্তু কোন সাক্ষী আমার বিরুদ্ধে কিছু বলে নাই।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ বলেন, এই মামলায় ৩১ জনের মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষী সম্পন্ন হয়েছে। মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে। আসামিকে জামিন দেওয়া হলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দেবেন। এছাড়া ৬ মাসের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। দ্রুতই মামলার বিচার শেষ হবে।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, জামিন কবে হয়েছে? ডিএজি বলেন, ১০ জানুয়ারি জামিন পেয়েছেন।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, এতদিন পলাতক থেকে আত্মসমর্পণ করে দুই মাসের মধ্যে জামিন পেয়ে গেলো!

শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে জামিন স্থগিত করে দেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদকে হত্যা করা হয়। ২০১৬ সালে এই মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ। সেই চার্জশিটে সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইসহ বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়।