ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

চুরি হওয়া শিশুটি উদ্ধার করলো কদমতলী থানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০
  • ২৯৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর কদমতলী থানার জিনম হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতককে উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কদমতলী থানা পুলিশ। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারা হচ্ছে- কামরুন নাহার মুন্নি (৪০), রুনা আক্তার (৩৫), রওশন আরা (৫০) এবং আফসানা বেগম (৪৫)।

কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ভুক্তভোগী রাবেয়া হাফছানা গত রোববার গ্রেফতারকৃত কামরুন নাহার মুন্নির সহায়তায় কদমতলী থানার বিক্রমপুর প্লাজা সংলগ্ন জিনম হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিন রাতে সিজারিয়ানের মাধ্যমে তিনি একটি ফুটফুটে বাচ্চা জন্ম দেন। জিনম হাসপাতালে তার জন্ম দেওয়া ছেলে শিশু ১৯ অক্টোবর যেকোনো সময় চুরি হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও নবজাতকের সন্ধান মেলেনি।

তিনি বলেন, বুধবার (২১অক্টোবর) রাতে থানায় এসে ভুক্তভোগী রাবেয়া তার বাচ্চা চুরি হয়েছে মর্মে থানায় অভিযোগ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে থানার একটি চৌকষ দল ঘটনাস্থলে পাঠাই। এসময় কামরুন নাহারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিনম হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে রুনাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাখালীতে অভিযান পরিচালনা করে আরেক অভিযুক্ত রওশন আরাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত আফসানা বেগমকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গ্রেফতার ও চুরি হওয়া নবজাতককে উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। আমরা শেষপর্যন্ত নবজাতকটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি এটাই বড় শান্তনা।

এ ঘটনায় কদমতলী থানায় মানব পাচার ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

চুরি হওয়া শিশুটি উদ্ধার করলো কদমতলী থানা

আপডেট টাইম : ০৯:৪২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর কদমতলী থানার জিনম হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতককে উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কদমতলী থানা পুলিশ। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারা হচ্ছে- কামরুন নাহার মুন্নি (৪০), রুনা আক্তার (৩৫), রওশন আরা (৫০) এবং আফসানা বেগম (৪৫)।

কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ভুক্তভোগী রাবেয়া হাফছানা গত রোববার গ্রেফতারকৃত কামরুন নাহার মুন্নির সহায়তায় কদমতলী থানার বিক্রমপুর প্লাজা সংলগ্ন জিনম হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিন রাতে সিজারিয়ানের মাধ্যমে তিনি একটি ফুটফুটে বাচ্চা জন্ম দেন। জিনম হাসপাতালে তার জন্ম দেওয়া ছেলে শিশু ১৯ অক্টোবর যেকোনো সময় চুরি হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও নবজাতকের সন্ধান মেলেনি।

তিনি বলেন, বুধবার (২১অক্টোবর) রাতে থানায় এসে ভুক্তভোগী রাবেয়া তার বাচ্চা চুরি হয়েছে মর্মে থানায় অভিযোগ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে থানার একটি চৌকষ দল ঘটনাস্থলে পাঠাই। এসময় কামরুন নাহারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিনম হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে রুনাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাখালীতে অভিযান পরিচালনা করে আরেক অভিযুক্ত রওশন আরাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত আফসানা বেগমকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গ্রেফতার ও চুরি হওয়া নবজাতককে উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। আমরা শেষপর্যন্ত নবজাতকটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি এটাই বড় শান্তনা।

এ ঘটনায় কদমতলী থানায় মানব পাচার ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।