ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

শিশুর দেরিতে বয়ঃপ্রাপ্তির লক্ষণ ও করণীয় কী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০
  • ২৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রত্যেকটি শিশুরই একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর বয়ঃপ্রাপ্তি হয়। অর্থাৎ শিশু থেকে কৈশোরে পা রাখে। এক্ষেত্রে সাধারণত ৯ থেকে ১০ বছর বয়সেই শিশুদের মধ্যে কৈশোরের লক্ষণগুলো দেখা দিতে থাকে। আর ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সে তা সম্পূর্ণভাবে প্রস্ফুটিত হয়।

তবে অনেকের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ের দুই থেকে তিন বছর পরও বয়ঃপ্রাপ্তির শারীরিক কোনো লক্ষণ ফুটে ওঠে না। আর একেই বলে বিলম্বিত বয়ঃপ্রাপ্তি বা ডিলেইড পিউবারটি।

বয়ঃসন্ধিকাল কোনো কোনো শিশুর মধ্যে একটু দেরিতে শুরু হলেও পরে তা স্বাভাবিকভাবেই গড়ে ওঠে। এছাড়া অপুষ্টি, দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগ যেমন- থ্যালাসেমিয়া, কিডনি রোগ, টারনার সিনড্রোমের মতো জেনেটিক সমস্যা বা হরমোনজনিত সমস্যার (প্রজনন হরমোনের অভাব বা অকার্যকারিতা) কারণে বয়ঃসন্ধিকাল বিলম্বিত হতে পারে।

অনেক অভিভাবকই আছেন যারা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। তাই শিশুর বয়ঃসন্ধিকাল সময়মতো শুরু হচ্ছে কি না এবং এর লক্ষণগুলো কী, তা জানা জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক শিশুর বয়ঃপ্রাপ্তির লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে-

মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

> ১৩ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও শারীরিক বিকাশ না ঘটা।

> ১৬ বছর বয়সেও মাসিক শুরু না হওয়া

ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে

> ১৪ বছর বয়সেও প্রজনন অঙ্গের বৃদ্ধি না ঘটা

করণীয়

কৈশোরে সন্তানদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কিছুটা খোলামেলা কথা বলুন। এতে তারাও সংকোচ না করে সমস্যার কথা খুলে বলবে। সন্তানের শারীরিক ও স্বাভাবিক এসব পরিবর্তনে অসামঞ্জস্য দেখা গেলে কিংবা পরিবর্তন বিলম্বিত হলে সংকোচ করবেন না। বরং চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

লেখক: সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

শিশুর দেরিতে বয়ঃপ্রাপ্তির লক্ষণ ও করণীয় কী

আপডেট টাইম : ০২:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রত্যেকটি শিশুরই একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর বয়ঃপ্রাপ্তি হয়। অর্থাৎ শিশু থেকে কৈশোরে পা রাখে। এক্ষেত্রে সাধারণত ৯ থেকে ১০ বছর বয়সেই শিশুদের মধ্যে কৈশোরের লক্ষণগুলো দেখা দিতে থাকে। আর ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সে তা সম্পূর্ণভাবে প্রস্ফুটিত হয়।

তবে অনেকের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ের দুই থেকে তিন বছর পরও বয়ঃপ্রাপ্তির শারীরিক কোনো লক্ষণ ফুটে ওঠে না। আর একেই বলে বিলম্বিত বয়ঃপ্রাপ্তি বা ডিলেইড পিউবারটি।

বয়ঃসন্ধিকাল কোনো কোনো শিশুর মধ্যে একটু দেরিতে শুরু হলেও পরে তা স্বাভাবিকভাবেই গড়ে ওঠে। এছাড়া অপুষ্টি, দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগ যেমন- থ্যালাসেমিয়া, কিডনি রোগ, টারনার সিনড্রোমের মতো জেনেটিক সমস্যা বা হরমোনজনিত সমস্যার (প্রজনন হরমোনের অভাব বা অকার্যকারিতা) কারণে বয়ঃসন্ধিকাল বিলম্বিত হতে পারে।

অনেক অভিভাবকই আছেন যারা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। তাই শিশুর বয়ঃসন্ধিকাল সময়মতো শুরু হচ্ছে কি না এবং এর লক্ষণগুলো কী, তা জানা জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক শিশুর বয়ঃপ্রাপ্তির লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে-

মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

> ১৩ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও শারীরিক বিকাশ না ঘটা।

> ১৬ বছর বয়সেও মাসিক শুরু না হওয়া

ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে

> ১৪ বছর বয়সেও প্রজনন অঙ্গের বৃদ্ধি না ঘটা

করণীয়

কৈশোরে সন্তানদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কিছুটা খোলামেলা কথা বলুন। এতে তারাও সংকোচ না করে সমস্যার কথা খুলে বলবে। সন্তানের শারীরিক ও স্বাভাবিক এসব পরিবর্তনে অসামঞ্জস্য দেখা গেলে কিংবা পরিবর্তন বিলম্বিত হলে সংকোচ করবেন না। বরং চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

লেখক: সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ