ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪১৩ বার

পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই বিএনপির আশঙ্কা ঘণিভূত হচ্ছে। দলের প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন। নির্বাচনের আগে গ্রেফতার বন্ধ না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাতে ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিরোধী দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করছে সরকার। বিএনপি প্রার্থীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করে পৌরসভা নির্বাচনে সরকার প্রতিযোগিতার মাঠ নষ্ট করছে। তিনি বলেন, এর ফলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমরা গ্রেফতার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে গ্রেফতার করেই চলছে। রিপন বলেন, সোমবার মানিকগঞ্জের বিএনপির প্রার্থী এ এফ এম আজিজুল হককে কোনো কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছে। এরকম গ্রেফতার চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আজ্ঞাবহ কমিশন আখ্যা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে- সরকার কী নিদের্শ দেয়। সরকারকে খুশি করার জন্য নিদের্শ অনুযায়ী কাজ করেনির্বাচন কমিশন। ক্ষোভ প্রকাশ করে রিপন বলেন, কমিশন যদি কোনো পদক্ষেপ না নিতে পারে তাহলে তাদের কমিশনে থাকার দরকার কী? এজন্য আমরা নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, বিএনপির দাবি অনুয়ায়ী ১৫ দিন পিছিয়ে দিলে ৫০ লাখ ভোটার ভোট দেয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ দাবিকে তোয়াক্কা করেনি। সুষ্ঠু নির্বাচন করার সামর্থ্য নির্বাচন কমিশন অনেক আগেই হারিয়েছে। সরকারের ক্ষমতার কাছে নতজানু হয়েছে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন পেছানোর জন্য তাবলিগ জামাতের যুক্তি মেনে নেয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষার যুক্তিটা অগ্রহণযোগ্য। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে

আপডেট টাইম : ০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৫

পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই বিএনপির আশঙ্কা ঘণিভূত হচ্ছে। দলের প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন। নির্বাচনের আগে গ্রেফতার বন্ধ না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাতে ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিরোধী দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করছে সরকার। বিএনপি প্রার্থীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করে পৌরসভা নির্বাচনে সরকার প্রতিযোগিতার মাঠ নষ্ট করছে। তিনি বলেন, এর ফলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমরা গ্রেফতার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে গ্রেফতার করেই চলছে। রিপন বলেন, সোমবার মানিকগঞ্জের বিএনপির প্রার্থী এ এফ এম আজিজুল হককে কোনো কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছে। এরকম গ্রেফতার চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আজ্ঞাবহ কমিশন আখ্যা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে- সরকার কী নিদের্শ দেয়। সরকারকে খুশি করার জন্য নিদের্শ অনুযায়ী কাজ করেনির্বাচন কমিশন। ক্ষোভ প্রকাশ করে রিপন বলেন, কমিশন যদি কোনো পদক্ষেপ না নিতে পারে তাহলে তাদের কমিশনে থাকার দরকার কী? এজন্য আমরা নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, বিএনপির দাবি অনুয়ায়ী ১৫ দিন পিছিয়ে দিলে ৫০ লাখ ভোটার ভোট দেয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ দাবিকে তোয়াক্কা করেনি। সুষ্ঠু নির্বাচন করার সামর্থ্য নির্বাচন কমিশন অনেক আগেই হারিয়েছে। সরকারের ক্ষমতার কাছে নতজানু হয়েছে। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন পেছানোর জন্য তাবলিগ জামাতের যুক্তি মেনে নেয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষার যুক্তিটা অগ্রহণযোগ্য। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।