ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

সিকিম ভ্রমণে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ২৬৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিকিম ভ্রমণে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের। এক বছর আগে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল সিকিমে প্রবেশের পথ। এই প্রবেশ পথ খুলে দেয়ার কারণে সিকিমসহ দার্জিলিং পাহাড়ে পর্যটক সংখ্যা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ।

সম্প্রতি সিকিম সরকারের পর্যটন দফতরের তরফে প্রকাশিত একটি হিসাবে জানা গেল এ তথ্য। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভাষার মিল থাকায় এই অংশের সঙ্গে যোগাযোগ নিবিড় করেছে। এ ছাড়া পর্যটকদের ভিড় থাকায় পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে তরাই-ডুয়ার্স–পাহাড়ে শীর্ষ সার্কিট তৈরি করার।

এই রাজ্যের দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ং, মিরিক, সান্দাকফু তো বটেই, এখন গ্যাংটক, লাচুং, ইয়ুমথাং, লাচেন ও ছাংগুতেও পা পড়ছে বাংলাদেশি পর্যটকদের। সিকিম পর্যটন দফতরের তরফে প্রকাশিত পর্যটকের সংখ্যার হিসাব দিয়ে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালে যেখানে সিকিমের পর্যটক সংখ্যা ছিল ৭১ হাজার ১৭২ জন। সেখানে ২০১৯ সালে এক ধাক্কায় তা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৮ জন, যা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি।

পর্যটকের সংখ্যার এই বৃদ্ধি মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার ৫৪২ জন বাংলাদেশ এবং ৫৬ হাজার ৭২৮ জন নেপাল থেকে এসেছেন বলে সিকিম পর্যটন দফতর সূত্রে জানা গেছে। সরকারিভাবে না মিললেও বেসরকারি তথ্যের হিসেবে জানা গেছে, দার্জিলিং পাহাড়েও পর্যটকের হিসেবে এই সংখ্যার কাছাকাছি। যারাই সিকিম ঘুরতে এসেছেন, ঘুরে গেছেন এ রাজ্যের পাহাড়েও।

সিকিম ট্যুরিজমের পরামর্শদাতা রাজ বসু জানিয়েছেন, সিকিমে যারা বেড়াতে আসছেন, তারা প্রত্যেকেই কালিম্পং ও দার্জিলিংকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এ রাজ্যেও সেই পর্যটক দু’একদিন কাটিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকে দু’জায়গাতেই ঘুরতে আসার উদ্দেশ্য নিয়ে আসছেন বলেও তিনি জানান।

ঢাকা থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার, ঢাকা থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫২০ কিলোমিটার। সেখান থেকে সিকিমের গ্যাংটকের দূরত্ব আরও ১২০ কিলোমিটার। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ের দূরত্বও প্রায় একই। এই দূরত্বে ঢাকা থেকে ট্রায়াল রানে যাওয়া বাসগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারত— দুই দেশের

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কারিগরি টিম থাকবে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি পর্যটকরা সিকিমে যেতে পারতেন না। সিকিমেই এবার সরাসরি ঢাকা থেকে বাস চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিআরটিসি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সিকিম ভ্রমণে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের

আপডেট টাইম : ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিকিম ভ্রমণে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের। এক বছর আগে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল সিকিমে প্রবেশের পথ। এই প্রবেশ পথ খুলে দেয়ার কারণে সিকিমসহ দার্জিলিং পাহাড়ে পর্যটক সংখ্যা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ।

সম্প্রতি সিকিম সরকারের পর্যটন দফতরের তরফে প্রকাশিত একটি হিসাবে জানা গেল এ তথ্য। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভাষার মিল থাকায় এই অংশের সঙ্গে যোগাযোগ নিবিড় করেছে। এ ছাড়া পর্যটকদের ভিড় থাকায় পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে তরাই-ডুয়ার্স–পাহাড়ে শীর্ষ সার্কিট তৈরি করার।

এই রাজ্যের দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ং, মিরিক, সান্দাকফু তো বটেই, এখন গ্যাংটক, লাচুং, ইয়ুমথাং, লাচেন ও ছাংগুতেও পা পড়ছে বাংলাদেশি পর্যটকদের। সিকিম পর্যটন দফতরের তরফে প্রকাশিত পর্যটকের সংখ্যার হিসাব দিয়ে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালে যেখানে সিকিমের পর্যটক সংখ্যা ছিল ৭১ হাজার ১৭২ জন। সেখানে ২০১৯ সালে এক ধাক্কায় তা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৮ জন, যা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি।

পর্যটকের সংখ্যার এই বৃদ্ধি মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার ৫৪২ জন বাংলাদেশ এবং ৫৬ হাজার ৭২৮ জন নেপাল থেকে এসেছেন বলে সিকিম পর্যটন দফতর সূত্রে জানা গেছে। সরকারিভাবে না মিললেও বেসরকারি তথ্যের হিসেবে জানা গেছে, দার্জিলিং পাহাড়েও পর্যটকের হিসেবে এই সংখ্যার কাছাকাছি। যারাই সিকিম ঘুরতে এসেছেন, ঘুরে গেছেন এ রাজ্যের পাহাড়েও।

সিকিম ট্যুরিজমের পরামর্শদাতা রাজ বসু জানিয়েছেন, সিকিমে যারা বেড়াতে আসছেন, তারা প্রত্যেকেই কালিম্পং ও দার্জিলিংকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এ রাজ্যেও সেই পর্যটক দু’একদিন কাটিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকে দু’জায়গাতেই ঘুরতে আসার উদ্দেশ্য নিয়ে আসছেন বলেও তিনি জানান।

ঢাকা থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার, ঢাকা থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫২০ কিলোমিটার। সেখান থেকে সিকিমের গ্যাংটকের দূরত্ব আরও ১২০ কিলোমিটার। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ের দূরত্বও প্রায় একই। এই দূরত্বে ঢাকা থেকে ট্রায়াল রানে যাওয়া বাসগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারত— দুই দেশের

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কারিগরি টিম থাকবে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি পর্যটকরা সিকিমে যেতে পারতেন না। সিকিমেই এবার সরাসরি ঢাকা থেকে বাস চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিআরটিসি।