ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

শেষ ঝড় তুলেও কুমিল্লার হার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৩০০ বার

গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯০ রান করে রাজশাহী রয়্যালস। জবাবে ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স থেমে গেল ১৭৫ রানে। এই জয়ে ছয় ম্যাচে খেলে পাঁচ জয় ও এক হারে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে রাজশাহী। ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৪ পয়েন্ট নিয়ে কুমিল্লার অবস্থান পাঁচে।

রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি কুমিল্লার দুই ওপেনার। রবিউল ইসলাম রবি ১৫ বলে ১২ রান করে ফরহাদ রেজার বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন। তারপরের ওভারেই শোয়েব মালিকের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে যান সিতান ভান জল। প্যাভিলিয়নে যাওয়ার আগে তিনি ২৩ বলে করেন ২১ রান। এবারের আসরে সেঞ্চুরি তুলে নেয়া ডেভিড মালানও পারেননি জ্বলে উঠতে। মাত্র ৩ রানেই আন্দ্রে রাসেলের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন সাব্বির রহমান। তার সঙ্গী সৌম্য সরকার। একপ্রান্তে সৌম্য প্রয়োজন মত খেলতে থাকলেও আরেকপ্রান্তে সাব্বির খেলতে থাকেন দলের প্রয়োজনের বিপরীতে। যেখানে দরকার ওভার প্রতি প্রায় ১৫-১৬ রান। সেখানে সিঙ্গেল নিয়েই খেলছিলেন তিনি। যখন হাত খুলে খেলতে গেলেন, তখন দেরি হয়ে গেছে অনেক। আবার বেশিদূর এগুতেও পারলেন না। ২৩ বলে ২৫ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান এই ডানহাতি। পরে ডেভিড উয়াইজ ৬ বলে ২ ছক্কায় ১৬ রানে ও সৌম্য ৪৮ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকলেও জয় থেকে ১৫ রান দূরে থেকেই মাঠ ছাড়ে কুমিল্লা। রাজশাহীর হয়ে রাসেল, ইরফান ও রেজা একটি করে উইকেট নেন।

এরআগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে রাজশাহী। লিটন দাস ও আফিফ হোসেনের জুটি ভাঙে দলীয় ৫৬ রানে। সানজামুলের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ২৪ রানে লিটন ফেরার কিছুক্ষন পর পর্যন্ত ইনিংস আগলে ররাখেন আফিফ। কিন্তু ৪৩ রানে সৌর বলে বোল্ড হন তিনি। তারপর অনেকটা একাই খেলছিলেন মালিক। বোপারা ১০ রানে ফিরলে ক্রিজে আসেন রাসেল। এই দুই ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। মালিক ৬১ রানে ও রাসেল ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। কুমিল্লার হয়ে মুজিব, সানজামুল ও সৌম্য পান একটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী রয়্যালস : ২০ ওভারে ১৯০/৪ (লিটন ২৪, আফিফ ৪৩, মালিক ৬১*, বোপারা ১০, রাসেল ৩৭*; আবু হায়দার ০/৩১, মুজিব ১/২৫, আল আমিন ০/৪৯, ভিসা ০/৩০, সানজামুল ১/২০, রবি ০/১৪, সৌম্য ১/১৮)।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স : ২০ ওভারে ১৭৫/৪ (রবি ১২, ফন জিল ২১, মালান ৩, সৌম্য ৮৮*, সাব্বির ২৫, ভিসা ১৬*; রাসেল ১/৪৪, ইরফান ১/২৪, তাইজুল ০/৬, ফরহাদ ১/৪৮, অলক ০/৯, আফিফ ০/৮, বোপারা ০/১৬, মালিক ১/১৯)।
ফল : রাজশাহী রয়্যালস ১৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : শোয়েব মালিক (রাজশাহী)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

শেষ ঝড় তুলেও কুমিল্লার হার

আপডেট টাইম : ১১:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯

গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯০ রান করে রাজশাহী রয়্যালস। জবাবে ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স থেমে গেল ১৭৫ রানে। এই জয়ে ছয় ম্যাচে খেলে পাঁচ জয় ও এক হারে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে রাজশাহী। ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৪ পয়েন্ট নিয়ে কুমিল্লার অবস্থান পাঁচে।

রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি কুমিল্লার দুই ওপেনার। রবিউল ইসলাম রবি ১৫ বলে ১২ রান করে ফরহাদ রেজার বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন। তারপরের ওভারেই শোয়েব মালিকের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে যান সিতান ভান জল। প্যাভিলিয়নে যাওয়ার আগে তিনি ২৩ বলে করেন ২১ রান। এবারের আসরে সেঞ্চুরি তুলে নেয়া ডেভিড মালানও পারেননি জ্বলে উঠতে। মাত্র ৩ রানেই আন্দ্রে রাসেলের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন সাব্বির রহমান। তার সঙ্গী সৌম্য সরকার। একপ্রান্তে সৌম্য প্রয়োজন মত খেলতে থাকলেও আরেকপ্রান্তে সাব্বির খেলতে থাকেন দলের প্রয়োজনের বিপরীতে। যেখানে দরকার ওভার প্রতি প্রায় ১৫-১৬ রান। সেখানে সিঙ্গেল নিয়েই খেলছিলেন তিনি। যখন হাত খুলে খেলতে গেলেন, তখন দেরি হয়ে গেছে অনেক। আবার বেশিদূর এগুতেও পারলেন না। ২৩ বলে ২৫ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান এই ডানহাতি। পরে ডেভিড উয়াইজ ৬ বলে ২ ছক্কায় ১৬ রানে ও সৌম্য ৪৮ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকলেও জয় থেকে ১৫ রান দূরে থেকেই মাঠ ছাড়ে কুমিল্লা। রাজশাহীর হয়ে রাসেল, ইরফান ও রেজা একটি করে উইকেট নেন।

এরআগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে রাজশাহী। লিটন দাস ও আফিফ হোসেনের জুটি ভাঙে দলীয় ৫৬ রানে। সানজামুলের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ২৪ রানে লিটন ফেরার কিছুক্ষন পর পর্যন্ত ইনিংস আগলে ররাখেন আফিফ। কিন্তু ৪৩ রানে সৌর বলে বোল্ড হন তিনি। তারপর অনেকটা একাই খেলছিলেন মালিক। বোপারা ১০ রানে ফিরলে ক্রিজে আসেন রাসেল। এই দুই ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। মালিক ৬১ রানে ও রাসেল ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। কুমিল্লার হয়ে মুজিব, সানজামুল ও সৌম্য পান একটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী রয়্যালস : ২০ ওভারে ১৯০/৪ (লিটন ২৪, আফিফ ৪৩, মালিক ৬১*, বোপারা ১০, রাসেল ৩৭*; আবু হায়দার ০/৩১, মুজিব ১/২৫, আল আমিন ০/৪৯, ভিসা ০/৩০, সানজামুল ১/২০, রবি ০/১৪, সৌম্য ১/১৮)।

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স : ২০ ওভারে ১৭৫/৪ (রবি ১২, ফন জিল ২১, মালান ৩, সৌম্য ৮৮*, সাব্বির ২৫, ভিসা ১৬*; রাসেল ১/৪৪, ইরফান ১/২৪, তাইজুল ০/৬, ফরহাদ ১/৪৮, অলক ০/৯, আফিফ ০/৮, বোপারা ০/১৬, মালিক ১/১৯)।
ফল : রাজশাহী রয়্যালস ১৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : শোয়েব মালিক (রাজশাহী)।