ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

লঘু চাপে নুইয়ে পড়ছে আধপাকা ধান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৭৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রামের জনপদে শুক্রবার থেকে দুইদিন ধরে উড়িষ্যার লঘুচাপের প্রভাবে দমকা হাওয়া বিরাজ করছে। গুড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পানিতে ধানগাছের গোড়ায় পানি জমে গোড়া নরম হওয়ায় দমকা হাওয়া ধানের গাছে লেগে ধান গাছগুলো মাটিতে নুইয়ে পড়ছে। এই নুইয়ে পড়া ধানগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছে এখানকার কৃষক।
কুড়িগ্রামের ঘোগার কুটি গ্রামের কৃষক মাহাবুল হক ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, তার এক বিঘা জমিতে স্বর্ণ জাতের কাঁচা ধানক্ষেতে শনিবারের দমকা বাতাসে নুইয়ে পড়তে শুরু করেছে। তিনি ওই ধান গাছগুলো মাটি থেকে উঠিয়ে বেঁধে দাঁড় করে দিচ্ছেন। দমকা হাওয়ায় ধানগাছ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় তিনি ধানের ফসলে এবার ধানের চেয়ে চিটার পরিমাণ বেশি পাবেন বলে আশঙ্কা করছেন।

পূর্ব-ধনিরাম গ্রামের কৃষক শ্যামল চন্দ্র জানান, তার প্রায় ২৫ শতাংশ জমির আধাপাকা স্বর্ণ মশারি জাতের ধান দমকা হাওয়ায় সম্পূর্ণ মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। দুই/চারদিন পর এই ধান কেটে ঘরে তোলার কথা থাকলেও তার এই আশা এখন নিরাশায় পরিণত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিমল কুমার দে জানান, কুড়িগ্রামে বিরাজমান দমকা হাওয়ায় ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে কিছু স্থানে আমনের উঁচু ধানগাছ মাটিতে পড়েছে। এগুলো দাঁড় করিয়ে বেঁধে দিলে চিটার পরিমাণ কমবে।

এদিকে দুইদিন ধরে এরুপ আবহাওয়ায় দুপুর গড়িয়ে গেলেও আকাশে পূর্ণাঙ্গ সূর্যের দেখা মিলে না। সূর্য উঁঁকি দিলেও তা নিমেষেই আবার তা কালো মেঘে ডুবে যাচ্ছে। এছাড়া দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ায় ঠাণ্ডার প্রকোপও কমছে না। এই ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে এ জনপদের শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সের মানুষ গায়ে জড়াচ্ছে মোটা কাপড়। রাতে ঘুমাতে লেপ ও কম্বলের ব্যবহারও বেড়ে গেছে।

কুড়িগ্রাম রাজাহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, ভারতের উড়িষ্যার লঘু চাপের প্রভাব বাংলাদেশে বিরাজ করায় কুড়িগ্রামের জনপদে দমকা হাওয়া, গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও ঠাণ্ডা দেখা দিয়েছে। রোববার নাগাদ এই আবহাওয়ার সমাপ্তি ঘটতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

লঘু চাপে নুইয়ে পড়ছে আধপাকা ধান

আপডেট টাইম : ১১:০০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রামের জনপদে শুক্রবার থেকে দুইদিন ধরে উড়িষ্যার লঘুচাপের প্রভাবে দমকা হাওয়া বিরাজ করছে। গুড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পানিতে ধানগাছের গোড়ায় পানি জমে গোড়া নরম হওয়ায় দমকা হাওয়া ধানের গাছে লেগে ধান গাছগুলো মাটিতে নুইয়ে পড়ছে। এই নুইয়ে পড়া ধানগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছে এখানকার কৃষক।
কুড়িগ্রামের ঘোগার কুটি গ্রামের কৃষক মাহাবুল হক ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, তার এক বিঘা জমিতে স্বর্ণ জাতের কাঁচা ধানক্ষেতে শনিবারের দমকা বাতাসে নুইয়ে পড়তে শুরু করেছে। তিনি ওই ধান গাছগুলো মাটি থেকে উঠিয়ে বেঁধে দাঁড় করে দিচ্ছেন। দমকা হাওয়ায় ধানগাছ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় তিনি ধানের ফসলে এবার ধানের চেয়ে চিটার পরিমাণ বেশি পাবেন বলে আশঙ্কা করছেন।

পূর্ব-ধনিরাম গ্রামের কৃষক শ্যামল চন্দ্র জানান, তার প্রায় ২৫ শতাংশ জমির আধাপাকা স্বর্ণ মশারি জাতের ধান দমকা হাওয়ায় সম্পূর্ণ মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। দুই/চারদিন পর এই ধান কেটে ঘরে তোলার কথা থাকলেও তার এই আশা এখন নিরাশায় পরিণত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিমল কুমার দে জানান, কুড়িগ্রামে বিরাজমান দমকা হাওয়ায় ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে কিছু স্থানে আমনের উঁচু ধানগাছ মাটিতে পড়েছে। এগুলো দাঁড় করিয়ে বেঁধে দিলে চিটার পরিমাণ কমবে।

এদিকে দুইদিন ধরে এরুপ আবহাওয়ায় দুপুর গড়িয়ে গেলেও আকাশে পূর্ণাঙ্গ সূর্যের দেখা মিলে না। সূর্য উঁঁকি দিলেও তা নিমেষেই আবার তা কালো মেঘে ডুবে যাচ্ছে। এছাড়া দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ায় ঠাণ্ডার প্রকোপও কমছে না। এই ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে এ জনপদের শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সের মানুষ গায়ে জড়াচ্ছে মোটা কাপড়। রাতে ঘুমাতে লেপ ও কম্বলের ব্যবহারও বেড়ে গেছে।

কুড়িগ্রাম রাজাহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, ভারতের উড়িষ্যার লঘু চাপের প্রভাব বাংলাদেশে বিরাজ করায় কুড়িগ্রামের জনপদে দমকা হাওয়া, গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও ঠাণ্ডা দেখা দিয়েছে। রোববার নাগাদ এই আবহাওয়ার সমাপ্তি ঘটতে পারে।