ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

ক্রীড়া ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩১৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ    সম্প্রতি ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগ ও প্রমান পাওয়ায় এসব  ক্লাবের জবাবদিহিতার আওতায় রাখতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়। ক্রীড়া ক্লাব নিবন্ধনসহ সব ধরনের নজরদারির সুযোগ চায় এ মন্ত্রণালয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাংবাদিকদের জানান, ক্রীড়া ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া ক্লাবগুলোতেও ক্যাসিনো ব্যবসা থাকা দুঃখজনক। ক্লাবগুলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত নয় বলে তাদের ওপর নজরদারি করার  সুযোগ নেই। তবে সময় এসেছে আইন পরিবর্তনের। তিনি ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেন, আমি এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ক্রীড়া ক্লাবগুলো ক্যাসিনো ব্যবসা জড়িত  হওয়ায়  ক্রীড়াঙ্গনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলেও মনে করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরো জানান, রাজধানীর বেশিরভাগ ক্লাব লিমিটেড কোম্পানী হওয়ায়, এগুলোর ওপরে নজরদারি করার এখতিয়ার নেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। আগামীতে যাতে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় সেই আইনি অধিকারের তাগিদ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ফেডারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ওই সভায় ৮৯টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে ৩৯টি আন্তর্জাতিক, বাকিগুলো জাতীয়। এরজন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৩০৬ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় তহবিল ও স্পন্সরদের সমন্বয়ে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

ক্রীড়া ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত

আপডেট টাইম : ০৫:০০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ    সম্প্রতি ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগ ও প্রমান পাওয়ায় এসব  ক্লাবের জবাবদিহিতার আওতায় রাখতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়। ক্রীড়া ক্লাব নিবন্ধনসহ সব ধরনের নজরদারির সুযোগ চায় এ মন্ত্রণালয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাংবাদিকদের জানান, ক্রীড়া ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া ক্লাবগুলোতেও ক্যাসিনো ব্যবসা থাকা দুঃখজনক। ক্লাবগুলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত নয় বলে তাদের ওপর নজরদারি করার  সুযোগ নেই। তবে সময় এসেছে আইন পরিবর্তনের। তিনি ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেন, আমি এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ক্রীড়া ক্লাবগুলো ক্যাসিনো ব্যবসা জড়িত  হওয়ায়  ক্রীড়াঙ্গনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলেও মনে করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরো জানান, রাজধানীর বেশিরভাগ ক্লাব লিমিটেড কোম্পানী হওয়ায়, এগুলোর ওপরে নজরদারি করার এখতিয়ার নেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। আগামীতে যাতে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় সেই আইনি অধিকারের তাগিদ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ফেডারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ওই সভায় ৮৯টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে ৩৯টি আন্তর্জাতিক, বাকিগুলো জাতীয়। এরজন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৩০৬ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় তহবিল ও স্পন্সরদের সমন্বয়ে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।