ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

জার্মানিতে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও দেখে যৌন নিপীড়কদের সাজা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৯১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দশ বছরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশু ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির একটি আদালত।

ডয়েচ ভেলে বাংলা জানায়, যৌন নিপীড়ক এই দুই ব্যক্তির কাছে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও পাওয়া গেছে।

সেগুলো দেখে এবং ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে জার্মানির এক আঞ্চলিক আদালত৷

জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে ল্যুডগে শহরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় আন্দ্রেয়াস ভি. এবং মারিও এস. নামের দুই ব্যক্তি।

দুই ব্যক্তিই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত আন্দেয়াসকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ডেটমোল্ডের আদালত। অন্য আসামি মারিয়োকে দেওয়া হয়েছে ১২ বছরের কারাদণ্ড।

তবে সাজার মেয়াদ শেষেও সমাজের জন্য যদি তাদের বিপজ্জনক মনে করা হয় তাহলে অনির্দিষ্টকাল কারাগারে থাকতে হতে পারে এই দুজনকে।

ছোট্ট শহর ল্যুডগের এক ক্যাম্পসাইটে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন এই দুই ব্যক্তি। আন্দ্রেয়াস এক শিশুকন্যাকে পেলে-পুষে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পালক কন্যাকে দিয়েই ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে আসা হতো ক্যাম্পসাইটটিতে।

আন্দ্রেয়াস আর মারিও ওই শিশুদের ভুলিয়ে ভালিয়ে যৌন লালসা মেটাতেন। যৌন নিপীড়নের ছবি আর ভিডিও সংগ্রহ করে রেখে দিতেন তারা।

১০ দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার সময় বিচারক আনকে গ্রুড্ডা ৩২ জন শিশুকে স্রেফ যৌন লালসার বস্তু বানিয়ে তাদের শৈশব ধ্বংস করে দেওয়ায় আসামিদের ভর্ৎসনা করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ইতিহাসের অন্যতম বড় শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা এটি।

দোষীদের কঠোর সাজা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুদের যৌন নিপীড়ন বিষয়ক কমিশনার ইয়োহানেস-ভিলহেম রোরিগ।

তিনি বলেন, “ডেটমোল্ডের আদালত দোষীদের সর্বোচ্চ সাজাই দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে এই সমাজকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, শিশুদের সঙ্গে এমন অপরাধ করলে অপরাধীর কঠোর সাজা হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

জার্মানিতে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও দেখে যৌন নিপীড়কদের সাজা

আপডেট টাইম : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দশ বছরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশু ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির একটি আদালত।

ডয়েচ ভেলে বাংলা জানায়, যৌন নিপীড়ক এই দুই ব্যক্তির কাছে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও পাওয়া গেছে।

সেগুলো দেখে এবং ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে জার্মানির এক আঞ্চলিক আদালত৷

জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে ল্যুডগে শহরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় আন্দ্রেয়াস ভি. এবং মারিও এস. নামের দুই ব্যক্তি।

দুই ব্যক্তিই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত আন্দেয়াসকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ডেটমোল্ডের আদালত। অন্য আসামি মারিয়োকে দেওয়া হয়েছে ১২ বছরের কারাদণ্ড।

তবে সাজার মেয়াদ শেষেও সমাজের জন্য যদি তাদের বিপজ্জনক মনে করা হয় তাহলে অনির্দিষ্টকাল কারাগারে থাকতে হতে পারে এই দুজনকে।

ছোট্ট শহর ল্যুডগের এক ক্যাম্পসাইটে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন এই দুই ব্যক্তি। আন্দ্রেয়াস এক শিশুকন্যাকে পেলে-পুষে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পালক কন্যাকে দিয়েই ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে আসা হতো ক্যাম্পসাইটটিতে।

আন্দ্রেয়াস আর মারিও ওই শিশুদের ভুলিয়ে ভালিয়ে যৌন লালসা মেটাতেন। যৌন নিপীড়নের ছবি আর ভিডিও সংগ্রহ করে রেখে দিতেন তারা।

১০ দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার সময় বিচারক আনকে গ্রুড্ডা ৩২ জন শিশুকে স্রেফ যৌন লালসার বস্তু বানিয়ে তাদের শৈশব ধ্বংস করে দেওয়ায় আসামিদের ভর্ৎসনা করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ইতিহাসের অন্যতম বড় শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা এটি।

দোষীদের কঠোর সাজা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুদের যৌন নিপীড়ন বিষয়ক কমিশনার ইয়োহানেস-ভিলহেম রোরিগ।

তিনি বলেন, “ডেটমোল্ডের আদালত দোষীদের সর্বোচ্চ সাজাই দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে এই সমাজকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, শিশুদের সঙ্গে এমন অপরাধ করলে অপরাধীর কঠোর সাজা হবে।