ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

জার্মানিতে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও দেখে যৌন নিপীড়কদের সাজা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৯৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দশ বছরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশু ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির একটি আদালত।

ডয়েচ ভেলে বাংলা জানায়, যৌন নিপীড়ক এই দুই ব্যক্তির কাছে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও পাওয়া গেছে।

সেগুলো দেখে এবং ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে জার্মানির এক আঞ্চলিক আদালত৷

জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে ল্যুডগে শহরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় আন্দ্রেয়াস ভি. এবং মারিও এস. নামের দুই ব্যক্তি।

দুই ব্যক্তিই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত আন্দেয়াসকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ডেটমোল্ডের আদালত। অন্য আসামি মারিয়োকে দেওয়া হয়েছে ১২ বছরের কারাদণ্ড।

তবে সাজার মেয়াদ শেষেও সমাজের জন্য যদি তাদের বিপজ্জনক মনে করা হয় তাহলে অনির্দিষ্টকাল কারাগারে থাকতে হতে পারে এই দুজনকে।

ছোট্ট শহর ল্যুডগের এক ক্যাম্পসাইটে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন এই দুই ব্যক্তি। আন্দ্রেয়াস এক শিশুকন্যাকে পেলে-পুষে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পালক কন্যাকে দিয়েই ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে আসা হতো ক্যাম্পসাইটটিতে।

আন্দ্রেয়াস আর মারিও ওই শিশুদের ভুলিয়ে ভালিয়ে যৌন লালসা মেটাতেন। যৌন নিপীড়নের ছবি আর ভিডিও সংগ্রহ করে রেখে দিতেন তারা।

১০ দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার সময় বিচারক আনকে গ্রুড্ডা ৩২ জন শিশুকে স্রেফ যৌন লালসার বস্তু বানিয়ে তাদের শৈশব ধ্বংস করে দেওয়ায় আসামিদের ভর্ৎসনা করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ইতিহাসের অন্যতম বড় শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা এটি।

দোষীদের কঠোর সাজা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুদের যৌন নিপীড়ন বিষয়ক কমিশনার ইয়োহানেস-ভিলহেম রোরিগ।

তিনি বলেন, “ডেটমোল্ডের আদালত দোষীদের সর্বোচ্চ সাজাই দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে এই সমাজকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, শিশুদের সঙ্গে এমন অপরাধ করলে অপরাধীর কঠোর সাজা হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

জার্মানিতে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও দেখে যৌন নিপীড়কদের সাজা

আপডেট টাইম : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দশ বছরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশু ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির একটি আদালত।

ডয়েচ ভেলে বাংলা জানায়, যৌন নিপীড়ক এই দুই ব্যক্তির কাছে ৩০ লাখ ছবি ও ৮৬ হাজার ভিডিও পাওয়া গেছে।

সেগুলো দেখে এবং ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে জার্মানির এক আঞ্চলিক আদালত৷

জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে ল্যুডগে শহরে কমপক্ষে ৩২ জন শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন চালায় আন্দ্রেয়াস ভি. এবং মারিও এস. নামের দুই ব্যক্তি।

দুই ব্যক্তিই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত আন্দেয়াসকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ডেটমোল্ডের আদালত। অন্য আসামি মারিয়োকে দেওয়া হয়েছে ১২ বছরের কারাদণ্ড।

তবে সাজার মেয়াদ শেষেও সমাজের জন্য যদি তাদের বিপজ্জনক মনে করা হয় তাহলে অনির্দিষ্টকাল কারাগারে থাকতে হতে পারে এই দুজনকে।

ছোট্ট শহর ল্যুডগের এক ক্যাম্পসাইটে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন এই দুই ব্যক্তি। আন্দ্রেয়াস এক শিশুকন্যাকে পেলে-পুষে বড় করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পালক কন্যাকে দিয়েই ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে আসা হতো ক্যাম্পসাইটটিতে।

আন্দ্রেয়াস আর মারিও ওই শিশুদের ভুলিয়ে ভালিয়ে যৌন লালসা মেটাতেন। যৌন নিপীড়নের ছবি আর ভিডিও সংগ্রহ করে রেখে দিতেন তারা।

১০ দিনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার সময় বিচারক আনকে গ্রুড্ডা ৩২ জন শিশুকে স্রেফ যৌন লালসার বস্তু বানিয়ে তাদের শৈশব ধ্বংস করে দেওয়ায় আসামিদের ভর্ৎসনা করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ইতিহাসের অন্যতম বড় শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা এটি।

দোষীদের কঠোর সাজা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুদের যৌন নিপীড়ন বিষয়ক কমিশনার ইয়োহানেস-ভিলহেম রোরিগ।

তিনি বলেন, “ডেটমোল্ডের আদালত দোষীদের সর্বোচ্চ সাজাই দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে এই সমাজকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, শিশুদের সঙ্গে এমন অপরাধ করলে অপরাধীর কঠোর সাজা হবে।